Category: অপরাধ

  • কাউখালীতে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আর.এস.ডি.এম দাখিল মাদ্রাসার সুপার এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ

    কাউখালীতে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আর.এস.ডি.এম দাখিল মাদ্রাসার সুপার এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের আর.এস.ডি.এম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানার দেলোয়ার হোসাইন এর বিরুদ্ধে নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিভিন্ন অনিয়ম ও উৎকোচের অভিযোগ উঠেছে।

    এলাকাবাসী ও আবেদনকারীদের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে আগামী ১৫ নভেম্বর ঐ মাদ্রাসায় ৪র্থ শ্রেনীর ৪টি পদে নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষায় প্রবেশপত্র পাওয়া আবেদনকারী কামরুল ইসলাম, মিরাজ সরদার, দাতা সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রুস্তুম আলী সরদার, অভিভাবক সহ এলাবাসী অভিযোগ করেন যে, উক্ত মাদ্রাসার সুপার দেলোয়ার হোসাইন এর উপস্থিতিতে নিয়োগ পরীক্ষা ও ভাইবা অনুষ্ঠিত হইলে পরীক্ষা সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছতা থাকবে না। অভিযোগকারী প্রার্থী কামরুল বলেন নিয়োগ দিবে মর্মে আমার নিকট টাকা দাবী করে। অভিযোগকারীরা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রুস্তুম আলী সরদার বলেন, মাদ্রাসায় বসে পরীক্ষা হলে অনিয়ম হবে। আমাদের দাবী নিয়োগ পরীক্ষাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হইলে নিয়োগ সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ হবে।

    অভিযোগকারী মিরাজ বলেন, মাদ্রাসার সুপার মাদ্রাসার পরিত্যাক্ত কক্ষের মালামালসহ মাদ্রাসার গাছ বিক্রি করেছেন। এর পূর্বে নিয়োগেও স্বচ্ছতা ছিলনা।

    মাদ্রাসার সুপার মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন বলেন, নিয়োগের ব্যাপারে আমি কোন প্রার্থীর নিকট থেকে আর্থিক লেনদেন করি নাই। নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আশুগঞ্জ ১২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা সহ ইমরান ও ইউসুফ গ্রেফতার

    আশুগঞ্জ ১২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা সহ ইমরান ও ইউসুফ গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮/১১/২০২৫ ইং সকাল ০৮:৫০ ঘটিকা সময় আশুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম থানা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা টু সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ গোলচত্বরে চেকপোস্ট করা কালে ০১টি পিকআপ আটক করে। এ সময় পিকআপটি তল্লাশী করে ১২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয় এবং উদ্ধারকৃত মালামাল উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    আসামি ১। মোঃ ইমরান হোসেন প্রকাশ ইমন (২২)
    পিতা- মোঃ শাহা আলী, মাতা মোসাঃ ইসমতারা
    গ্রাম-গড় গোবিন্দপুর। ২। মোঃ ইউসুফ (২০)
    পিতা- মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাতা- ফাহিমা বেগম
    গ্রাম- গড় গোবিন্দপুর উভয় থানা- সখিপুর
    জেলা- টাঙ্গাইল।

    আসামিদের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করে আসামিদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ফেনীতে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা, প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    ফেনীতে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা, প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    আবুল হাসনাত তুহিন ,ফেনী:-

    বৈষম্য বিরোধী মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার নামে “ওসি ডিবি ফেনী” হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা।প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, ৯টি মোবাইল সেটসহ ৮১ টি মোবাইল সিম উদ্ধার।

    মর্ম সিংহ ত্রিপুরা, পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র), অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডি বি), ফেনী জেলা গত ১১/১০/২০২৫ তারিখে স্থানীয় গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারেন যে মোবাইল সিম নং- ০১৭২৭****** ব্যবহার কারী অজ্ঞাত নামা আসামি ও আসামিদের, কয়েকদিন আগে হতে ফেনী ডিবি বা ওসি ডিবি পরিচয় দিয়ে অথবা ওসি ডিবির নাম “মর্ম সিংহ ত্রিপুরা” পরিচয়ে অজ্ঞাত নামা আসামিরা বিভিন্ন জনের সাথে প্রতারণা করে আসছে। পরবর্তীতে তিনি মোবাইল স্ক্রীন শর্টের ছবি পান যে, অজ্ঞাত নামা আসামী বা আসামীরা মোবাইল সিম নং-০১৭২৭****** টির মাধ্যমে Profile Picture এ বর্তমানে ও সি ডিবি হিসাবে কর্মরত মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এর পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় চেয়ারে বসা হাফ ছবি এবং Cover Picture এ পুলিশের উর্ধতন অফিসারের সরকারী গাড়ীর ছবি আপলোড করে “ওসি ডিবি ফেনী” নামে হোয়াটস একাউন্ট খুলেছে। সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী না হয়েও অজ্ঞাত নামা আসামি বা আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে মোবাইল ডিভাইসে মোবাইল সিম দ্বারা হোয়াটস এপ একাউন্ট খুলে পুলিশের পোষাক পরিহিত ছবি ব্যবহার/ আপলোড করে এবং পুলিশের গাড়ীর ছবি ব্যবহার/ আপলোড করে পুলিশ তথা সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসাবে মিথ্যা পরিচয় দেয়। প্রাথমিক অনুসন্ধান, ঘটনার সহিত জড়িত আসামিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পর ফেনী জেলার ওসি ডিবি মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ফেনী মডেল থানার মামলা নং ৬। তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ হন ডিবির এস আই তানিম।
    ফেনী জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এর সার্বক্ষণিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র অফিসার ইন চার্জ জনাব মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এর প্রত্যক্ষ তদারকীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ ডিবি টিম অভিযানে নামে। অভিযান পরিচালনা করে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন,১। মোঃ জয়নাল (৪০), পিতা-আবু বকর, গ্রাম- ঘর দুয়ারা, থানা-রাউজান, জেলা-চট্টগ্রাম।২। মোঃ ইমরান (২৬), পিতা-মৃত ইসমাইল চৌধুরী, মাতা-রোশনারা বেগম, সাং-চৌধুরী বাড়ি, ঢেমশা দক্ষিণ ওমর পালা, ইউনিয়ন-নলুয়া, থানা-সাতকানিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম এর নিকট হতে ৪ টি মোবাইল সেট সহ ৩। আরিফুল ইসলাম আরমান (১৮), পিতা মোঃ আলাউদ্দিন, মাতা মোছেনা আক্তার লিপি, সাং- মিয়াজী বাড়ি, দক্ষিণ আবুপুর, ইউনিয়ন-শর্শদি, থানা-ফেনী সদর, জেলা-ফেনী। প্রাথমিক ভাবে উক্ত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করে। তাদের মোবাইল ফোন যাচাই করে এবং তাদের স্বীকারোক্তি মতে ৪। মাহাবুবুর রহমান (৫৬), পিতা-মৃত মোঃ হোসেন, গ্রাম- বিবিরহাট, সোহেল ম্যানশন, মুরাদপুর, থানা-পাঁচলাইশ, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নিকট হতে ০১ টি মোবাইল সেটসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের হেফাজত হতে ৮১টি সীম ও ৯টি মোবাইল পাওয়া যায়।

    মর্ম সিংহ ত্রিপুরা ওসি ডিবি ফেনী জানান,তাদের মোবাইল ফোন যাচাই করে এবং প্রাথমিক তদন্তকালে জানা যায় আসামি মাহবুবুর রহমান সহ আসামিরা প্রতারিত করার ভিকটিম এর নাম্বার সংগ্রহ করে। নিজেরা বিভিন্ন সিম ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন সরকারী অফিসারের নাম, ছবি বা লোগো আপলোড করে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে চাকুরী দেবার, মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার ইত্যাদি নাম করে ভিকটিমদের ফোন দিয়ে ও মেসেজের মাধ্যমে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়।

    জব্দ কৃত মোবাইলে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। ফেনী ওসি ডিবির নাম করে বৈষম্য বিরোধী মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার নাম করে কথোপকথনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। জব্দকৃত মোবাইলে পুলিশ অফিসারদের ডাউনলোড করা ছবি, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নামের তালিকা সহ মোবাইল নাম্বার পাওয়া যায়। এছাড়াও তারা সরকারী নিয়োগ ও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে কার্য উদ্দরের কথা বলে গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রতারণা করে থাকে বলে জানা যায়।

    আসামিদের নামে পূর্বেও এমন প্রতারণা করার মামলা আছে। আসামিরা একটা বিশাল প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছে মর্মে জানা যাচ্ছে। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। আসামীদের’কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • বিলাসপুরে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে আতঙ্ক, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

    বিলাসপুরে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে আতঙ্ক, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

    রবিবার (২ নভেম্বর) ভোরে ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারিকান্দি এলাকায় টানা বিস্ফোরণে পুরো অঞ্চল কেঁপে ওঠে, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি ককটেলের বিস্ফোরণ শোনা গেছে।

    সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায় এবং সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিলাসপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য নিয়ে কুদ্দুস বেপারী ও আবদুল জলিল মাদবর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। চলতি বছরের ৫ এপ্রিলও এলাকায় একই ধরনের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার পর বিস্ফোরক আইনে মামলা হলে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন কারাগারে যান। সম্প্রতি কুদ্দুস জামিনে বের হলেও জলিল এখনও কারাগারে রয়েছেন।

    সম্প্রতি আবারও উত্তেজনা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন বেপারী (কুদ্দুস সমর্থক) ও তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল (জলিল সমর্থক) দুই পক্ষের সমর্থকদের মাঝে শনিবার সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতবোমার বিস্ফোরণ হয়। তারই ধারাবাহিকতায় রবিবারের সংঘর্ষ শুরু হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আট সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন তরুণ হাতে লাল বালতি নিয়ে দৌড়ে ককটেল ছুড়ছে। মুহূর্তেই চারদিক কেঁপে ওঠে, ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালায় ও বাড়িঘর ভাঙচুর করে। আহতদের মধ্যে যুবদল কর্মী সালাউদ্দিন ও কামালের নাম পাওয়া গেছে। অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

    জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন,“দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আবারও নাশকতা ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছি।”

    তিনি জানান, ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। এখনও কোনো মামলা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    এদিকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন ও তাইজুল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্র মতে, তারা সংঘর্ষের পর আত্মগোপনে চলে গেছেন।

    এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

  • আশুগঞ্জ পুলিশের অভিযানে ১৪৬ কেজি গাঁজা, পিকআপ ও মোটর সাইকেল সহ ৪ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    আশুগঞ্জ পুলিশের অভিযানে ১৪৬ কেজি গাঁজা, পিকআপ ও মোটর সাইকেল সহ ৪ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ষোঘ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে থানা পুলিশের দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ ৪ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ।

    এ সময় তাদের হেফাজত থেকে মোট ১৪৬ কেজি গাঁজা, একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়।

    পুলিশ জানায়,  ১ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে থানার একটি বিশেষ টিম প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করে। সকাল ০৭:১০ ঘটিকায় আলমনগর এলাকা থেকে ১৩০ কেজি গাঁজাসহ ২জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—১। মোঃ আব্দুল আলীম প্রকাশ মওসুম (৩১), পিতা- ঝাড়ু মিয়া, মাতা- লাকী বেগম, সাং- কমলপুর আমলাপাড়া, থানা- ভৈরব, জেলা- কিশোরগঞ্জ। ২। সাকিব (২২), পিতা- চান মিয়া, মাতা- ফাতেমা বেগম, সাং- রতনপুর, থানা- রায়পুরা, জেলা- নরসিংদী। তাদের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানসহ গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

    পরবর্তীতে সকাল ০৮:৩০ ঘটিকার সময় আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অপর একটি টিম সোনারামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন—১। সাগর আহম্মেদ (২৮), পিতা- নুর হোসেন, মাতা- খাদিজা আক্তার, সাং- খড়কী নোয়াপাড়া, থানা- মাধবপুর, জেলা- হবিগঞ্জ।২। রফিকুল হাসান সাব্বির (২০), পিতা- ফোরকান হোসাইন, মাতা- রোকসানা আক্তার, সাং- পিপড়াখালী সিকদার বাড়ী, থানা- মির্জাগঞ্জ, জেলা- পটুয়াখালী। তাদের কাছ থেকে একটি কালো রঙের Suzuki Gixxer মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত সকল মাদকদ্রব্য ও যানবাহন উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।

    আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, মাদক নির্মূলে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ কর্তৃক ৪ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ কর্তৃক ৪ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০/১০/২০২৫ ইং ১১.২০ ঘটিকার সময় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানাধীন সুলতানপুর ইউনিয়নের টাংগার পার এলাকা হইতে ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে।

    এ সময় তাদের হেফাজতে থাকা (চার) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় । উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের নাম ও ঠিকানা:

    ১। মোঃ আল আমিন প্রকাশ সাজ্জাদ (২৬)
    পিতা- নাজির হোসেন
    মাতা- আসমা বেগম
    সাং- মসজিদ পাড়া ৪নং ওয়ার্ড
    থানা – আখাউড়া
    জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
    বর্তমান ঠিকানা, উথারিয়া পাড়া, সিঙ্গার বিল
    থানা- বিজয়নগর
    ২। সুমাইয়া আক্তার (২১)
    পিতা খোকন মিয়া
    সাং বাগানবাড়ি, কাশিনগর
    থানা- বিজয়নগর
    জেলা- ব্রাহ্মণবাড়ীয়া

    এ সংক্রান্তে আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • কাউখালীতে গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    কাউখালীতে গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার শিয়ালকাঠী চৌরাস্তা নামক স্থানে বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় এক মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সুরাইয়া বেগম, শিরিন আক্তার, আঃ রাজ্জাক, মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন মিয়া, চৌরাস্তা জামে মসজিদের ইমাম আবু হানিফ, ব্যবসায়ী মিজান সহ আরও অনেকে। এ সময় বক্তারা বলেন, গত ১৯ অক্টোবর রাতে শিয়ালকাঠী গ্রামের আব্দুল হাকিম হাওলাদার এর ছেলে মোঃ আলী হোসেন ওরফে হৃদয় শিয়ালকাঠীতে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে জনগণের হাতে ধৃত হয়ে গণপিটুনিতে গুরুত্বর আহত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

    এ ব্যাপারে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কাউখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ সময় বক্তারা আরও বলেন, আলী হোসেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক সম্রাট, ধর্ষক, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অকর্মের সহিত জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে কাউখালী থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন এ মামলায় শিক্ষক,পল্লী চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, দিনমজুরসহ নিরীহ মানুষকে আসামী করে হয়রানী করার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    অনেকে পুলিশের ভয়ে এলাকা ছাড়া। তারা প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানান অহেতুক যেন কাউকে হয়রানী না করা হয়।

    মানব বন্ধনে এলাকার নারী পুরুষসহ ভিবিন্ন শ্রেনী পেশার শত শত লোক অংশ গ্রহণ করে।

    এ ব্যাপারে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোলায়মান জানান, পুলিশ কোন নিরাপরাধ মানুষকে গ্রেফতার কিংবা হয়রানী করবে না। ভিডিও ফুটেজ দেখে ও তদন্ত সাপেক্ষে মূল আসামীদেরকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে।

    উল্লেখ্য এ মামলায় এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

  • দন্ডপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান যখন পরিষদের দায়িত্বে!

    দন্ডপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান যখন পরিষদের দায়িত্বে!

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও পুনর্বহালের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করার ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় প্রশাসন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করলেও তিনি পুনর্বহালের জন্য দাফতরিক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতসহ নানা ধরনের দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ, যা এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছেন।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, আব্দুল জলিল মাদবর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একাংশের সমর্থনে ‘চশমা’ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এবং সাবেক এমপি বি এম মোজাম্মেল হকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

    চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে যেসব গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম। গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দ সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ আদায়। ডিপ টিউবওয়েল বিতরণে দুর্নীতিসহ কৃষকদের সেচ সুবিধার জন্য বরাদ্দ সরকারি ডিপ টিউবওয়েল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম এবং ঘুষ গ্রহণ।

    ইউনিয়নবাসীর কাছ থেকে আদায়কৃত ঘর-বাড়ি ও দোকানের ট্যাক্সের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ। দরিদ্র কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত ভর্তুকি মূল্যের সরকারি সার কালোবাজারে বিক্রি করে ব্যক্তি স্বার্থে অর্থ উপার্জন। এই সব অভিযোগ মিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

    সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো একটি চেক জালিয়াতি মামলায় তিনি আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন। এরপর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও তিনি পুনরায় পূর্ণবহালের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে দরখাস্ত করেছেন, যা আইনের শাসনের প্রতি গুরুতর অবজ্ঞা হিসেবে দেখছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয় সুশীল সমাজের অনেকেই বলছেন, স্বৈরাচারের দোসর হয়ে দিব্যি আলোয় দুঃসাহসিক গল্প তৈরি করছেন এই চেয়ারম্যান।” তারা প্রশ্ন তুলেছেন, আইনের শাসন কোথায়? সাজাপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি কীভাবে আবার পুনর্বহালের আবেদন করতে পারেন?

    স্থানীয় আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্বের কারণে চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ধীরগতির অভিযোগও উঠেছে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী অংশের প্রতিনিধিত্ব করলেও তার প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত ইকবাল হোসেন অপুর অনুসারীরাও সক্রিয়। এই দ্বন্দ্বই তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলো আড়াল করার সুযোগ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করছেন সচেতন মহল।

    জলিল মাদবর বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট একটি মহলের ষড়যন্ত্র মাত্র। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব। ইউনিয়ন পরিষদের কোন বিষয় না।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাজিরা উপজেলার ইউএনও কাবেরী রায় গণমাধ্যমকে জানান, “ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন “দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত কেউ কীভাবে আবার দায়িত্বে ফিরলেন? এটা আমাদের বোধগম্য নয়। এমন অনিয়মে আমরা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছি। আইনকে তোয়াক্কা না করলে সমাজে শৃঙ্খলা থাকবে কীভাবে?”

    এলাকাবাসীর দাবি, এই দুর্নীতির অভিযোগে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

  • ফেনীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ

    ফেনীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ

    আবুল হাসনাত তুহিন ,ফেনী:-

    ফেনী সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে প্রাইভেট কারসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল ও গাঁজা জব্দ করেছে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)
    বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে একটি সাদা প্রাইভেট কারসহ অসংখ্য ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়।
    অন্য অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ এবং ৬২ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করে টহল দল।উদ্ধারকৃত এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা (৳৩০,২৪,০০০) বলে জানিয়েছে বিজিবি।
    পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত অভিযানে জব্দকৃত পণ্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং মাদকদ্রব্য পুলিশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
    ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।একই সঙ্গে তারা স্থানীয় জনগণকে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

  • আখাউড়ায় স্বামী আর স্ত্রীর ঝগড়ায় শাশুরির মৃত্যু, লাশ থানায়!

    আখাউড়ায় স্বামী আর স্ত্রীর ঝগড়ায় শাশুরির মৃত্যু, লাশ থানায়!

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মেয়ে জামাইয়ের সঙ্গে মেয়ের ঝগড়ার সময় শাশুরির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ২৮/১০/২০২৫ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৩০ ঘটিকার সময় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত নারী রওশনারা বেগম (৬৫) আখাউড়া পৌরশহরের ট্রাফিক রানিং রুমের সামনে রেলওয়ে কলোনীর একটি বাসায় থাকতেন। তিনি রুহুল আমীনের স্ত্রী।

    রওশনারা বেগমের এক মেয়ে শিল্পী বেগম জানান, ‘সাইফুল নামে আমার এক বোন জামাই রাগান্বিত হয়ে বাসায় প্রবেশ করে। এ সময় আমার দিকে তেড়ে আসে। তখন আমার আম্মা এগিয়ে এলে তিনি অসুস্থ হয়ে যান। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আম্মা এর আগেও একাধিকবার স্ট্রোক করেন।’ বোন জামাই ওনার মাকে ঘুষি দিয়েছেন- ছড়িয়ে পড়া এমন কথা তিনি অস্বীকার করেন।

    আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত মেডিকেল অফিসার জান্নাতুল মাওয়া জানান, ওই নারীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তার পর আমরা মৃত কিনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে অফিসিয়ালি ভাবে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া ওই নারীর ঠোঁটে একটা দাগ আছে। কিভাবে কি ঘটেছে সেটা ময়না তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। তবে যারা লাশ নিয়ে এসেছে হাসপাতালে তাদের মধ্যেই বলাবলি করছেন পারিবারিক ভাবে ঝগড়াঝাটি হয়েছে তাদের বাড়িতে।

    পুলিশ এসে তদন্ত করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা শহরে পাঠানো হবে বলে জানান।

    আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, ওই নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। এছাড়া পুলিশ বিষয়টির তদন্ত করছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।