Category: অপরাধ

  • কাপ্তাইয়ে গুলির শব্দ শুনে গাছ চুরির সরঞ্জাম রেখে পলায়ন

    কাপ্তাইয়ে গুলির শব্দ শুনে গাছ চুরির সরঞ্জাম রেখে পলায়ন

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    কাপ্তাই বনে গাছ চুরি  করতে এসে বন বিভাগের গুলির শব্দ শুনে গাছ চুরির সরঞ্জাম ও নৌকা রেখে চোর পলায়ন।

    শনিবার বেলা ১২টায় একদল গাছ চোর দক্ষিণ বন বিভাগ কাপ্তাই রেঞ্জের শুকনাছড়ি বন বিটের পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় গাছ চুরি করতে আসে।

    এসময় কাপ্তাই রেঞ্জের বন বিভাগের লোকজন গাছ চোরের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। দূর হতে বন বিভাগ এক রাউন্ড গুলি করলে সঙ্ঘবদ্ধ চোর গাছ,নৌকা,গাছ কাটার করাতসহ সরঞ্জাম রেখে পালিয়ে যায়।

    কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা ওমর ফারুক স্বাধীন জানান, আমরা কাপ্তাই পুলিশ ক্যাম্প এর  মাধ্যমে গোপনে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই, যেয়ে দেখি চারজন গাছচোর দূরে রির্জাভ বনের গাছ কর্তন করছে। এসময় আমি এক রাউন্ড ফায়ার করি।

    ফায়ার করার পর চোরদ্বয় গাছকাটার সরঞ্জাম রেখে পালিয়ে যায়। আমরা কর্তনকৃত গাছ,নৌকাসহ উদ্বার করে অফিসে নিয়ে আসি।

    এ বিষয়ে বন মামলা করা হবে বলে জানান।

  • মিডিয়ার ওপর হামলা এবং সাংবাদিক মিলন হত্যার ঘটনায় বিএমএসএফের উদ্বেগ

    মিডিয়ার ওপর হামলা এবং সাংবাদিক মিলন হত্যার ঘটনায় বিএমএসএফের উদ্বেগ

    স্টাফ রিপোর্টার।
    রাজধানীসহ দেশজুড়ে প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবিরের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা এবং খুলনার ডুমুরিয়ার সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে।

    একটি স্বাধীন দেশে গণমাধ্যমের উপর রাজনৈতিক দল কিংবা কোনো গোষ্ঠীর নামে দমনপীড়ন এবং হত্যাযজ্ঞ চরম নিন্দনীয়।

    শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর বলেছেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভখ্যাত গণমাধ্যমকে পুরোপুরি নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে।

    তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় নানা ইস্যুতে গণমাধ্যমের ওপর হামলা, দমন-পীড়ন যেনো রুটিনে পরিণত হয়ে গেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সমালোচনা সহ্য করতে না পারেন তবে সেটা তাদের অদক্ষতা কিংবা গোড়ামী বলে আমরা মনে করি।

    উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যুবরণ করার পরপরই ছাত্র ও তৌহিদী জনতার নামে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ভবনসহ তাদের অধিকাংশ বিভাগীয় ব্যুরো অফিসে হামলা এবং ভাঙচুর চালায়। যা গোটা দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তবে এ ঘটনা গুলোর পুনরাবৃত্তি থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্তি দিতে দ্রুত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা উচিত।

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে তরুণ প্রজন্মের কিংবদন্তি সাহসী যোদ্ধা, বাংলাদেশপন্থী অগ্রনায়ক শরীফ ওসমান হাদী এবং খুলনার ডুমুরিয়ার নির্ভীক সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে তার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি করা হয়েছে।

  • আখাউড়ায় ১৫০ পিস ইয়াবা সহ একরামুল ও শাওন গ্রেফতার

    আখাউড়ায় ১৫০ পিস ইয়াবা সহ একরামুল ও শাওন গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া থানা পুলিশের বিশেষ
    অভিযানকালে এস.আই(নিরস্ত্র) মোহাম্মদ আলী সঙ্গীয় ফোর্স সহ ধরখার পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার ডিউটি করাকালীন সময়ে ইং-১৭/১২/২০২৫ তারিখ, রাত ৯টা:৪৫ ঘটিকার সময় আখাউড়া থানাধীন ২নং ধরখার ইউপিস্থ বনগজ পূর্বপাড়া কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ এর প্রবেশ মুখে পাকা রাস্তার উপর হইতে ১৫০(একশত পঞ্চাশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১। মোঃ একরামুল ইসলাম(৩৫), পিতা-মৃত আঃ জলিল, মাতা-মৃত ফুলবানু, স্থায়ী সাং-মনিয়ন্দ(চেয়ারম্যান বাড়ীর পাশে), বর্তমানে মসজিদপাড়া (করিম মিয়ার বাড়ী) থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২। শাওন মিয়া(২২), পিতা-বাচ্চু মিয়া, মাতা-খোসনা বেগম, সাং-বনগজ (পূর্বপাড়া), থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়াদ্বয়কে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। উপরোক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট পাম্প হাউসে চুরি 

    কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট পাম্প হাউসে চুরি 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পাম্প হাউসে চুরি।

    সোমবার মুরগির টিলা নামক এলাকায় বিএসপিআই পাম্প হাউসে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে চোর তাড়াতে গিয়ে মহিলাসহ দুইজন আহত হয়েছে।

    স্থানীয়  নুনতী  নামক এক মহিলা জানান, নদী পথে গভীর রাতে দু’ইজন চোর নৌকা যোগে এসে পাম্প হাউসের বৈদ্যুতিক তার কেটে ফেলে।আমরা সংবাদ পেয়ে চোরদের তারা করি। মুহুর্তে দুই’জনচোর তারা খেয়ে নদী পথে পালিয়ে যায়। এবং চোরদের চিহ্নিত করা গেছে বলে জানান। এসময় চোর তারাতে গিয়ে দুইজন আহত হয়েছে বলে জানান।

    বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট,কাপ্তাই  অধ্যক্ষ রূপক কান্তি বিশ্বাস জানান,তাদের পলিটেকনিক পাম্প হাউসটি মুরগীর টিলা নামক কাপ্তাই হ্রদে সংযুক্ত হওয়ার দরুণ বার,বার  পাম্প হাউসে চুরির ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান ২৩ জুন ২৫ইং তারিখ উক্ত পাম্প হাউসে চোরদ্বয় বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে যায়। যার বাজার মূল্য একলাখ চুয়াল্লিশ হাজার টাকা।

    থানায় মামলা করেও কোন চোর সনাক্ত বা আটক করা হয়নি বলে জানান। এবং  সোমবার একই ঘটনা হওয়ার দরুণ বিষয়টি কাপ্তাই থানা,উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনকে অবগত করেছে বলে জানান।

  • মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামালসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দায়ের বিভিন্ন দপ্তরে

    মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামালসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দায়ের বিভিন্ন দপ্তরে

     

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    মিথ্যা মামলা, ঘুষ–দুর্নীতি ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার ফারুক মোল্লা”—ছোট ছোট ছয়টি সন্তান নিয়ে দুই স্ত্রীর আর্তনাদে তদন্তের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছে।

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামালসহ একাধিক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, মিথ্যা মামলা সৃষ্টি, ক্ষমতার অপব্যবহার, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী ফারুক মোল্লার দুই স্ত্রী— রেখা বেগম ও রিতু আক্তার। গত ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তাঁরা গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ–স্মারকলিপি জমা দেন।

    অভিযোগে বলা হয়েছে—ফারুক মোল্লার বিরুদ্ধে একের পর এক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে তাকে জেলহাজতে রেখে অর্থ আদায়ের ভয়াবহ চক্র গড়ে তুলেছে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য। এবার পরিবার বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে এসেছে এবং ন্যায়বিচারের জন্য জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।
    দায়েরকৃত এজহারের বরাতে,মামলা জি/আর–৩৬৮/২৪, মামলা নং ২৪, তারিখ ১৭/০৯/২০২৪—গোপালগঞ্জ সদর থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় ফারুক মোল্লার নাম থাকলেও পরিবারের দাবি—”ফারুক মোল্লাকে একদম অন্যায়ভাবে গভীর রাতে বাসা থেকে তুলে এনে মুকসুদপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মারধর করা হয়।”

    পরিবারের অভিযোগ—মামলা গোপালগঞ্জ সদর থানার হলেও, মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল ও ১০–১২ জন পুলিশ সদস্য হঠাৎ বাসায় গিয়ে তাকে আটক করেন। আটক করার পর পুলিশ সদস্যদের মুখে শোনা যায়—“ইউনুস সরকার জানে… কো্ট নিলে জামিন হয়ে যাবে।”

    এরপর শুরু হয় ভয়াবহ ঘুষ–বাণিজ্য।১০ লাখ টাকার ঘুষ দাবির অভিযোগ।অভিযোগ অনুযায়ী—ওসি মোস্তফা কামাল জামিন করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ফারুক মোল্লার পরিবার থেকে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।

    ওসির কক্ষে খোদ এসআই শামীম ও ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম উপস্থিত অবস্থায় চার লাখ টাকা নেওয়ার অডিও–ভিডিও প্রমাণ পরিবার গণমাধ্যমের কাছে দিয়েছে। পরিবার জানায়—”৪ লাখের মধ্যে ১ হাজার টাকা কম থাকায় ওসি আমাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেন। পরে ইউপি সদস্য সাইফুল নিজের পকেট থেকে ১ হাজার টাকা ওসিকে দেন।”
    পরবর্তীতে থানার ভেতরে তদন্ত ওসির রুমে ওসি শীতল রায়, এসআই সুকান্ত বাউল ও আরও এক কনস্টেবলের সামনে আরও চার লাখ টাকা নেওয়া হয়।
    পরিবারের দাবি—সিসিটিভিতেও সেই দৃশ্য থাকার কথা, কিন্তু ওসি ফুটেজ প্রকাশে এড়িয়ে যাচ্ছেন। বাকি ২ লাখসহ মোট ১০ লাখ টাকা প্রদানের পরও জামিন হয়নি,পরিবারের বক্তব্য—
    “১০ লাখ দেওয়ার পরও জামিন হয়নি। বরং নতুন নতুন মামলা দেখানো হয়েছে।”

    পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনের বলেছে—ফারুক মোল্লার বিরুদ্ধে দায়ের করা বেশ কিছু মামলায় অসামঞ্জস্যতা, প্রমাণের ঘাটতি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চার্জশিট রয়েছে।
    বিশেষ করে মুকসুদপুর থানার জি.আর-১৫৫/২৪ মামলার চার্জশিট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
    অভিযোগ—চার্জশিটের প্রস্তুতির সময়সীমা সন্দেহজনকভাবে অস্বাভাবিক রকম দেখা গেছে।
    ১৫১ ধারায় সাক্ষী–জবানবন্দি দেখানো হলেও—সেটি বাস্তবে দেখা যায়।অর্থ লেনদেনের প্রমাণ, স্থান, সাক্ষীর উপস্থিতি—মধ্যে অসমঞ্জস্যতা দেখা গেছে।

    এক মামলায় জামিন নিলে সঙ্গে সঙ্গে অন্য থানা বা পুরনো পেন্ডিং মামলা দিয়ে আবার আটক দেখানো হয়েছে,কিছু ক্ষেত্রে Show arrest(শোন এ্যারেস্ট)ব্যবহার করে জামিন বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে

    পরিবারের মানবিক বিপর্যয়—“আমরা ছোট ছোট সন্তানগুলো নিয়ে অনাহারে–অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছি”দুই স্ত্রীর লিখিত অভিযোগে উঠে এসেছে তাদের করুণ অবস্থা—”স্বামী বহু বছর ধরে ফল বিক্রি করে সংসার চালাতেন। প্রতারণা বা কোনো অপকর্মের সাথে তিনি কখনো জড়িত ছিলেন না।”

    এ- বিষয় মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) বলেন,”ফারুকের নামে অনেক মামলা–অভিযোগ আছে।”সে আমাদের থানায় লিস্টেড প্রতারক হিসেবে তালিকাভুক্ত।

    দুই স্ত্রীর অভিযোগ পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা–ঢাকা থেকে একটি বিশেষ টিম সরেজমিন তদন্ত করে।
    তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে—ফারুক মোল্লার পরিবার মানবিক সংকটে থানায় ঘুষ–বাণিজ্যের অভিযোগে অসঙ্গতি ফারুকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলোতে অস্বাভাবিকতা এগুলো উল্লেখ করা হয়েছে বলে পরিবার জানায়।

    এ বিষয় গোপালগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার বলেন, ফারুক মোল্লা গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে আছে। তার মামলা বর্তমানে বিজ্ঞ আদালত এ বিচারাধীন অবস্থায় আছে, তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, আমারা তদন্তের মাধ্যমে কেউ দোষী হলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • কাপ্তাই লেকে ইলেকট্রনিক  শর্ট দিয়ে মাছ  শিকারের অপরাধে  ডিভাইস সহ সরঞ্জাম উদ্ধার

    কাপ্তাই লেকে ইলেকট্রনিক  শর্ট দিয়ে মাছ  শিকারের অপরাধে  ডিভাইস সহ সরঞ্জাম উদ্ধার

    কাপ্তাই প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন কাপ্তাই উপ-কেন্দ্র  লেকে অভিযান চালিয়ে শর্ট দিয়ে মাছ শিকারের অপরাধে বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্বার করা হয়েছে।

    বুধবার (৩ ডিসেম্বর) একশ্রেণির অবৈধ  মৎস্য শিকারী  নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক শর্ট ব্যবহার করে মাছ ধরার সময়  ব্যাটারি, মেশিন, চার্জার, টেটা, একটি কাঠের নৌকা এবং একটি ইঞ্জিন চালিত নৌক আটক করেছে কাপ্তাই মৎস্য উপকেন্দ্র।

    কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন উপকেন্দ্র  ব্যবস্থাপক  জসিম উদ্দিন জানান,লেকে নিষিদ্ধ  ইলেকট্রনিক শর্ট দিয়ে মাছ শিকার করার অপরাধে ইঞ্জিন চালিত নৌকাসহ মাছ শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি অভিযান করে  উদ্বার করা হয়। এসময় কাপ্তাই লেকের  শুকনাছড়ি,  হরিনছড়া ও ভাইবোনছড়া এবং  বিলাইছড়ির উপজেলাধীন কেংড়াছড়ি, হিজাছড়ি ও হাজরাছড়ি এলাকার  এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    এসময় উপ-কেন্দ্রের কর্মচারীরা এই অভিযানে সহায়তা করেন।

  • কাউখালীতে সরকার পতনের পর ৩ ইউপি সদস্য নিরুদ্দেশ

    কাউখালীতে সরকার পতনের পর ৩ ইউপি সদস্য নিরুদ্দেশ

    কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে ১ বছরের অধিক ৩ ইউপি সদস্য অনুপস্থিত থাকায় ভোগান্তিতে ও সেবা বঞ্চিত সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ। সরকার পতনের পর থেকে উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বেতকা গ্রামের সোহেল হোসেন ও ৭নং ওয়ার্ড রঘুনাথপুর গ্রামের নির্বাচিত ইউপি সদস্য আশীষ মজুমদার ও কাউখালী সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বাশুরী গ্রামের আশরাফুল ইসলাম নিরুদ্দেশ রয়েছেন।

    এ বিষয়ে সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ জানান, সরকার পরিবর্তনের পর আমার ইউনিয়নের ২ জন ইউপি সদস্য পরিষদের কাজে অনুপস্থিত রয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে তাদেরকে কাজে যোগদান করতে বললেও তারা যোগদান না করায় বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে।

    এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা বলেন, উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ৩জন ইউপি সদস্য এক বছরের অধিক সময় নিরুদ্দেশ থাকায় মেম্বারদের কাজে যোগদানের জন্য সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান ও সচিবদের মাধ্যমে বললেও তারা কাজে যোগ না দেওয়ায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সম্মানী ভাতা বন্ধ রয়েছে। এদিকে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যরা না থাকায় এলাকার ভিজিডি, ভিজিএফ, মৎস্যকার্ড, জন্মসনদ, মৃত্যুসনদ, ভোটার সংশোধন, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে। এরমধ্যে ওয়ারিশ, জন্ম, মৃত্যু ও ভোটার পরিবর্তনে ইউপি সদস্যদের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক থাকার শর্ত রয়েছে।

  • বাঞ্ছারামপুর পুলিশের অভিযানে ৭৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ ইয়াবা কারবারী গ্রেফতার

    বাঞ্ছারামপুর পুলিশের অভিযানে ৭৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ ইয়াবা কারবারী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৫/১১/২০২৫ ইং তারিখে রাত ৯টা:৫০ ঘটিকার সময় বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করাকালিম,

    ১/মোঃ রবিউল আলম সিদ্দিকী(২৬)পিতা- মোহাম্মদ সিদ্দিক মাতা- মৃত আম্বিয়া খাতুন সাং- পশ্চিম সাত ঘরিয়া পাড়া। ২। মোঃ জুনাইদ(২৫) পিতা- শাহ আলম মাতা- মনোয়ারা বেগম সাং- পূর্বপানখালী হোয়াকিয়া পাড়া
    উভয় থানা- টেকনাফ জেলা- কক্সবাজার।

    এদেরকে আখাউড়া পৌরসভাস্থ দূর্গারামপুর এলাকা হতে, হাতে নাতে মাদক সহ গ্রেফতার করেন পুলিশ । এ সময় তাদের হেফাজত হতে ৭৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    আসামিদেরকে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ২নং আসামী জুনাইদ এর বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা অজু করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার

    বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার

    স্টাফ রিপোর্টার ‌।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২০/১১/২০২৫ ইং তারিখ. রাত ০২.৪০ ঘটিকার সময় বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকা হতে ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ০২ জন আসামী কৌশলে পালিয়ে যায়।

    উদ্ধারকৃত মালামাল উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    এ সংক্রান্তে বিজয়নগর থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ২, হাসপাতালে ভর্তি

    কাউখালীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ২, হাসপাতালে ভর্তি

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    এলাকাবাসী, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম জানান, কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রঘুনাথপুর গ্রামের মুদি মনোহরি ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের দোকান থেকে অত্র এলাকার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের সাদেক শিকদারের ছেলে সাগর শিকদার (৩২) প্রায় সময় শহিদুলের দোকান থেকে মালামাল বাকিতে ক্রয় করত। ঘটনার দিন রবিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল দশটার দিকে সাগর সিকদার ব্যবসায়ী শহিদুলের কাছে আবারো মালামাল বাকি চাইতে গেলে দোকানদার সাগরকে বলে আগের পাওনা ১৭ হাজার টাকা পরিশোধ করো তারপর বাকিতে মালামাল নাও।

    এ নিয়ে একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি হলে সাগর শিকদার তার দলবল ৮/১০ জন মিলে ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ও তার ভাই মনিরুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আহত করে ক্যাশে থাকা টাকা লুট করে নিয়ে যায় এবং দোকানের মালামাল লাঠির আঘাতে তছনত করে দেয়।

    গুরুতর আহত রঘুনাথপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ও তার ভাই মনিরুল ইসলাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

    সাগর শিকদারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সাগরের কাছে ওই ব্যবসায়ী কোন টাকা পাবে না।
    এ ব্যাপারে শহিদুল ইসলাম কাউখালী থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

    কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোলায়মান জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।