Blog

  • শরীয়তপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার পথসভা ও গণসংযোগ

    শরীয়তপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার পথসভা ও গণসংযোগ

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব ও শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ আংশিক) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন অপুর নেতৃত্বে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দিনব্যাপী তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় পথসভা ও গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় এলাকাবাসী ও দলের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।সুদীর্ঘ সাত বছর পর দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা যায় । ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে নাওডোবা, শরীয়তপুর সদর, বুড়িরহাট,ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা,গোসারহাট এ সকল জায়গাতে পথসভা এবং গণসংযোগ করেন। দিনব্যাপী শরীয়তপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও বাজারে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পথসভা ও গণসংযোগ করেন মিয়া নুরুদ্দিন অপু। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

    পথসভায় মিয়া নুরুদ্দিন অপু বলেন, “দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটের অধিকার ফেরাতে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে মাঠে থাকতে হবে। বর্তমান সরকারের দমননীতি ও জনগণের কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে।

    মিয়া নুরুদ্দিন অপু আরো বলেন, “জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে শরীয়তপুরবাসী ঐক্যবদ্ধ। বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন চালিয়ে যাবে।”

    পথসভায় জেলা ও উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দলীয় ঐক্য ও জনসম্পৃক্ততাই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল শক্তি।

    স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়, যা আসন্ন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় শরীয়তপুরে বিএনপির তৃণমূলের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত বহন করে

    স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন পর কোনো কেন্দ্রীয় নেতার এমন সরাসরি গণসংযোগে কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

  • কাউখালীতে গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    কাউখালীতে গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার শিয়ালকাঠী চৌরাস্তা নামক স্থানে বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় এক মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সুরাইয়া বেগম, শিরিন আক্তার, আঃ রাজ্জাক, মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন মিয়া, চৌরাস্তা জামে মসজিদের ইমাম আবু হানিফ, ব্যবসায়ী মিজান সহ আরও অনেকে। এ সময় বক্তারা বলেন, গত ১৯ অক্টোবর রাতে শিয়ালকাঠী গ্রামের আব্দুল হাকিম হাওলাদার এর ছেলে মোঃ আলী হোসেন ওরফে হৃদয় শিয়ালকাঠীতে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে জনগণের হাতে ধৃত হয়ে গণপিটুনিতে গুরুত্বর আহত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

    এ ব্যাপারে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কাউখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ সময় বক্তারা আরও বলেন, আলী হোসেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক সম্রাট, ধর্ষক, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অকর্মের সহিত জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে কাউখালী থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন এ মামলায় শিক্ষক,পল্লী চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, দিনমজুরসহ নিরীহ মানুষকে আসামী করে হয়রানী করার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    অনেকে পুলিশের ভয়ে এলাকা ছাড়া। তারা প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানান অহেতুক যেন কাউকে হয়রানী না করা হয়।

    মানব বন্ধনে এলাকার নারী পুরুষসহ ভিবিন্ন শ্রেনী পেশার শত শত লোক অংশ গ্রহণ করে।

    এ ব্যাপারে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোলায়মান জানান, পুলিশ কোন নিরাপরাধ মানুষকে গ্রেফতার কিংবা হয়রানী করবে না। ভিডিও ফুটেজ দেখে ও তদন্ত সাপেক্ষে মূল আসামীদেরকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে।

    উল্লেখ্য এ মামলায় এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

  • দন্ডপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান যখন পরিষদের দায়িত্বে!

    দন্ডপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান যখন পরিষদের দায়িত্বে!

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও পুনর্বহালের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করার ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় প্রশাসন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করলেও তিনি পুনর্বহালের জন্য দাফতরিক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতসহ নানা ধরনের দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ, যা এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছেন।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, আব্দুল জলিল মাদবর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একাংশের সমর্থনে ‘চশমা’ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এবং সাবেক এমপি বি এম মোজাম্মেল হকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

    চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে যেসব গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম। গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দ সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ আদায়। ডিপ টিউবওয়েল বিতরণে দুর্নীতিসহ কৃষকদের সেচ সুবিধার জন্য বরাদ্দ সরকারি ডিপ টিউবওয়েল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম এবং ঘুষ গ্রহণ।

    ইউনিয়নবাসীর কাছ থেকে আদায়কৃত ঘর-বাড়ি ও দোকানের ট্যাক্সের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ। দরিদ্র কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত ভর্তুকি মূল্যের সরকারি সার কালোবাজারে বিক্রি করে ব্যক্তি স্বার্থে অর্থ উপার্জন। এই সব অভিযোগ মিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

    সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো একটি চেক জালিয়াতি মামলায় তিনি আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন। এরপর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও তিনি পুনরায় পূর্ণবহালের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে দরখাস্ত করেছেন, যা আইনের শাসনের প্রতি গুরুতর অবজ্ঞা হিসেবে দেখছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয় সুশীল সমাজের অনেকেই বলছেন, স্বৈরাচারের দোসর হয়ে দিব্যি আলোয় দুঃসাহসিক গল্প তৈরি করছেন এই চেয়ারম্যান।” তারা প্রশ্ন তুলেছেন, আইনের শাসন কোথায়? সাজাপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি কীভাবে আবার পুনর্বহালের আবেদন করতে পারেন?

    স্থানীয় আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্বের কারণে চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ধীরগতির অভিযোগও উঠেছে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী অংশের প্রতিনিধিত্ব করলেও তার প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত ইকবাল হোসেন অপুর অনুসারীরাও সক্রিয়। এই দ্বন্দ্বই তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলো আড়াল করার সুযোগ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করছেন সচেতন মহল।

    জলিল মাদবর বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট একটি মহলের ষড়যন্ত্র মাত্র। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব। ইউনিয়ন পরিষদের কোন বিষয় না।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাজিরা উপজেলার ইউএনও কাবেরী রায় গণমাধ্যমকে জানান, “ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন “দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত কেউ কীভাবে আবার দায়িত্বে ফিরলেন? এটা আমাদের বোধগম্য নয়। এমন অনিয়মে আমরা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছি। আইনকে তোয়াক্কা না করলে সমাজে শৃঙ্খলা থাকবে কীভাবে?”

    এলাকাবাসীর দাবি, এই দুর্নীতির অভিযোগে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

  • ফেনীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ

    ফেনীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ

    আবুল হাসনাত তুহিন ,ফেনী:-

    ফেনী সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে প্রাইভেট কারসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল ও গাঁজা জব্দ করেছে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)
    বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে একটি সাদা প্রাইভেট কারসহ অসংখ্য ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়।
    অন্য অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ এবং ৬২ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করে টহল দল।উদ্ধারকৃত এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা (৳৩০,২৪,০০০) বলে জানিয়েছে বিজিবি।
    পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত অভিযানে জব্দকৃত পণ্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং মাদকদ্রব্য পুলিশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
    ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।একই সঙ্গে তারা স্থানীয় জনগণকে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

  • কাপ্তাইয়ে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    কাপ্তাইয়ে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় শহীদ তিতুমীর একাডেমি হলরুমে এই  সভা করা হয়।

    কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নূর জামালের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই  উপজেলা জামায়াতের আমির হারুনুর রশিদ।

    এসময়  বক্তব্য রাখেন জীবতলী ইউনিট দায়িত্বশীল সালেহ নুর,চৌধুরী ছড়া ইউনিটের দায়িত্বশীল আবুল কালাম আজাদ, ফুলবাগান এলাকার দায়িত্বশীল মইনুদ্দিন, প্রকৌশলী ইউনিটির দায়িত্বশীল আশেক-এ-এলাহী সাব্বির, বিএসপিআই ইউনিটের সভাপতি বেলাল হোসেন,আদর্শ শিক্ষক পরিষদ কাপ্তাই উপজেলা শাখার সভাপতি সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ প্রমূখ।

    বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ন্যাক্কারজনক অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে এই ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

  • কাপ্তাইয়ে যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন 

    কাপ্তাইয়ে যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন 

    কাপ্তাই ( রাঙামাটি)  প্রতিনিধি: 

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী  উপলক্ষে  কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ, র‍্যালী এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপলক্ষে বুধবার ( ২৯ অক্টোবর)  সকাল ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা সদরে  একটি র‍্যালি করা হয়।  পরে বড়ইছড়িস্থ কাপ্তাই -চট্টগ্রাম সড়কে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহিম হাবিব মিলুর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন যুবদল আহবায়ক সৈয়দ জাহেদুল ইসলাম।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক  সুমন মারমা।

    এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম শাকিল।

    প্রধান বক্তা ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাৎ মো. সায়েম।

    এসময় বিশেষ রাঙামাটি জেলা বিএনপির যুগ্নসম্পাদক সম্পাদক দিলদার হোসেন,  কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ  সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জাফর আহমেদ স্বপন, সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক উথোয়াই মং মারমা , রাঙামাটি জেলা যুব দলের সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আব্দুল মামুন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো: নাজিম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন ও সিরাজুল মোস্তফা এবং জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: ইউসুফ চৌধুরী।

    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের  উপজেলা, ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে সেনা ক্যাম্প স্থাপনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল

    খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে সেনা ক্যাম্প স্থাপনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

    খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে সেনা ক্যাম্প স্থাপনে বাধা প্রদান ও উপজাতীয় উগ্রপন্থী কর্তৃক সরকারি খাস জমি দখলের প্রতিবাদে আজ ২৮ অক্টোবর (২০২৫) মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন করেছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর স্টুডেন্টস ইউনিটের নেতা-কর্মীরা ।মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শতাধিক ছাত্র- জনতা ।

    লেঃ কর্নেল ফরিদুল আকবর অবঃ এর সভাপতিত্বে ও জালাল আহমদ এর সঞ্চালনায় এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সালাম মামুন।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ আরিফ বিল্লাহ,লেঃ কর্নেল ফেরদৌস আজিজ অবঃ,লেঃ কর্নেল (অব:)হাসিনুর রহমান,
    মেজর (অব:)মিজানুর রহমান,অবঃ,মেজর (অব:)রেজাউল হান্নান শাহীন, চাকরি সংস্কার আন্দোলনের আহবায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জালাল আহমদ,পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ,মঞ্চ চব্বিশের আহ্বায়ক ডিউক হুদা, মুভমেন্ট ফর প‍্যালেস্টাইন অব বাংলাদেশ এর আহবায়ক হারুনুর রশিদ খান,গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ডক্টর মো ইমরান হোসেন,ন‍্যাশনাল লেবার পার্টির মুখপাত্র শরীফুল ইসলাম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

    মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, “খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়িতে রাষ্ট্রীয় উগ্রপন্থী সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনে বাধা দিচ্ছে। কারণ এলাকাটি ইউপিডিএফ এর ঘাঁটি। এখান থেকেই উগ্রপন্থীরা অত্র-অঞ্চলের সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এলাকাটিতে রয়েছে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের গোডাউন এবং ট্রেনিং ক্যাম্প।এখান থেকে প্রকাশ্যে দেওয়া হয় অস্ত্রের প্রশিক্ষণ এবং সশস্ত্র মহড়া। এলাকাটি দূর্গম হওয়ায় সন্ত্রাসীরা নিরাপদে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সুযোগ পেয়ে থাকে। ‎আমরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়ে আসছি”।

    বক্তারা আরো বলেন, “এলাকাটিতে সেনাক্যাম্প স্থাপিত হলে সন্ত্রাসীরা দেশবিরোধী কার্যক্রম চালাতে পারবে না। তাই ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। এই জায়গায় সেনাক্যাম্প স্থাপন ঠেকাতে তারা নিরীহ পাহাড়ি, নিজেদের ঘরের মহিলা ও শিশুদের লেলিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে। ‎ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা উক্ত এলাকায় সেনাক্যাম্প স্থাপন না করার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।স্মারকলিপিতে সেনাক্যাম্পের বিরুদ্ধে যে কারণগুলো দেখানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং হাস্যকর। সেখানে বলা হয়েছে, সেনাক্যাম্প স্থাপন হলে বিহারে ভিক্ষুদের চলাচলে নিরাপত্তাহীনতা এবং ভয়ভীতি তৈরি হবে।তাদের উক্ত দাবি নিতান্তই বাস্তবতা বিবর্জিত। কেননা সন্ত্রাসী অধ্যুষিত ও দূর্গম এলাকায় সেনাক্যাম্প স্থাপন হলে নিরাপত্তা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বন্ধ হয়ে যাবে। বৌদ্ধ ভিক্ষুরা নির্বিঘ্নে এবং নির্ভয়ে বিহারে যাতায়াত করতে পারবে”।

    এ সময় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মোস্তফা আল ইহযায বলেন, “১৮৮৪ সালে ব্রিটিশ সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ও রাজস্ব সংগ্রহের দোহাই দিয়ে ৩টি সার্কেল সৃষ্টি করে। ১৮৯২ সালে এই আইনের আংশিক সংশোধন করে ফরেষ্ট সার্কেল নামে নতুন ১টি সার্কেলসহ মোট ৪টি সার্কেল সৃষ্টি করে। তৎকালীন সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে রিজার্ভ ফরেষ্ট সার্কেল সৃষ্টি করা হয়েছিলো। রির্জাভ ফরেষ্ট সার্কেল ব্রিটিশ সরকারের বনবিভাগের নিয়ন্ত্রণে ছিলো। শুধু তাই নয়, ১৯০০ সালের শাসনবিধিতে অপরাধ দমন, শান্তি রক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ, ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিচার ব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয় ব্রিটিশ শাসকের এখতিয়ারে ছিলো। একজন ডেপুটি কমিশনারের তত্বাবধানে শুধুমাত্র ৩টি সার্কেলের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়ে ছিলো সার্কেল চিফ কে। রাজস্ব আদায়ের জন্য নিয়োগকৃত ব্যক্তি কখনোই জমির মালিক কিংবা হস্তান্তরের পূর্ণ এখতিয়ার পেতে পারে না। এটি ১৮৮৪ সালের বিধিতেও কোনোভাবে স্বীকৃত বলে প্রমাণিত হয়না। ১৮৮৪ সালে বৃটিশ কতৃক প্রদত্ত ক্ষমতাকে অবৈধভাবে কাজে লাগিয়ে সার্কেল চিফগণ পার্বত্য ভূমি থেকে বাঙালি জনগোষ্ঠীকে বিতাড়িত করে হাজার হাজার একর জমি উপজাতিদের নামে বন্দোবস্ত করে নেয়। আমরা ১৮৮৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বন্দোবস্তোকৃত সকল জমির বন্দোবস্ত সমূহ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি”।

    ‎দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, “১৯২৯ সালে ভারত পার্বত্য চট্টগ্রামকে সম্পূর্ণ শাসন বর্হিভূত অঞ্চল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিলো। এতে উপজাতিরা তাদের জাতিসত্ত্বার অস্তিত্ব রক্ষা ও পরিচয়ের সংকট পড়েছিলো। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ উপজাতিদের স্বীকৃতি প্রদান করে ।ফিরিয়ে দিয়েছে তাদের আত্মপরিচয়।তারপরও পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা ভারতের প্ররোচনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে “সেনা হঠাও, বাঙালি হঠাও” শ্লোগান তোলা হচ্ছে। ৬ টি সশস্ত্র সংগঠন মিলে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও দেশের সুনাম নষ্ট করছে। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো শ্লোগান শুনতে চাইনা। পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকা সমূহে সীমান্ত সড়ক তৈরির মাধ্যমে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করে ড্রোনের সাহায্যে ২৪ ঘন্টা নজরদারি অব্যাহত রেখে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হোক। দেশের অখন্ডতা রক্ষা ও রাষ্ট্রদ্রোহী সশস্ত্র উগ্রপন্থী নিধনের জন্য অনতিবিলম্বে জেলা সমূহের প্রতিটি মৌজায় সর্বনিম্ন একটি করে সেনা ক্যাম্প স্থাপন করতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও নেপালের মতোই পার্বত্য অঞ্চলের সুরক্ষায় সেনাবাহিনীর স্পেশালাইজ একটি ‘মাউন্টেইন ডিভিশন’ গঠন করতে হবে”।

    মোস্তফা আল ইহযায আরো বলেন,”আগামী ৭ দিনের মধ্যে বারমাছড়ি এলাকায় সন্ত্রাস দমন করে শুকনাছড়ি গ্রামে সেনা ক্যাম্প স্থাপনের কাজ শুরু করার আহবান জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে রাষ্ট্রীয় খাস জমি ও সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে “উচ্ছেদ অভিযান” পরিচালনা করে রাষ্ট্রীয় সকল জমি উদ্ধার করার জোর দাবি জানাচ্ছি । অন্যথায় দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীকে নিয়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

    মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল টি রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু করে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় কয়েক শত ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন ।

  • আখাউড়ায় স্বামী আর স্ত্রীর ঝগড়ায় শাশুরির মৃত্যু, লাশ থানায়!

    আখাউড়ায় স্বামী আর স্ত্রীর ঝগড়ায় শাশুরির মৃত্যু, লাশ থানায়!

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মেয়ে জামাইয়ের সঙ্গে মেয়ের ঝগড়ার সময় শাশুরির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ২৮/১০/২০২৫ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৩০ ঘটিকার সময় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত নারী রওশনারা বেগম (৬৫) আখাউড়া পৌরশহরের ট্রাফিক রানিং রুমের সামনে রেলওয়ে কলোনীর একটি বাসায় থাকতেন। তিনি রুহুল আমীনের স্ত্রী।

    রওশনারা বেগমের এক মেয়ে শিল্পী বেগম জানান, ‘সাইফুল নামে আমার এক বোন জামাই রাগান্বিত হয়ে বাসায় প্রবেশ করে। এ সময় আমার দিকে তেড়ে আসে। তখন আমার আম্মা এগিয়ে এলে তিনি অসুস্থ হয়ে যান। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আম্মা এর আগেও একাধিকবার স্ট্রোক করেন।’ বোন জামাই ওনার মাকে ঘুষি দিয়েছেন- ছড়িয়ে পড়া এমন কথা তিনি অস্বীকার করেন।

    আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত মেডিকেল অফিসার জান্নাতুল মাওয়া জানান, ওই নারীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তার পর আমরা মৃত কিনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে অফিসিয়ালি ভাবে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া ওই নারীর ঠোঁটে একটা দাগ আছে। কিভাবে কি ঘটেছে সেটা ময়না তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। তবে যারা লাশ নিয়ে এসেছে হাসপাতালে তাদের মধ্যেই বলাবলি করছেন পারিবারিক ভাবে ঝগড়াঝাটি হয়েছে তাদের বাড়িতে।

    পুলিশ এসে তদন্ত করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা শহরে পাঠানো হবে বলে জানান।

    আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, ওই নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। এছাড়া পুলিশ বিষয়টির তদন্ত করছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

  • ফের চালু হচ্ছে জার্নালিস্ট সেল্টার হোম

    ফের চালু হচ্ছে জার্নালিস্ট সেল্টার হোম

    স্টাফ রিপোর্টার।

    পেশাগত কাজে ঢাকায় আসা এবং হামলা মামলার শিকার সাংবাদিকদের জন্য নয়াপল্টনে ফের চালু হচ্ছে জার্নালিস্ট সেল্টার হোম। এখানে সাংবাদিকরা স্বল্প খরচে থাকা-খাওয়া সহ ওয়াইফাই এবং সংবাদ পাঠানোর জন্য কম্পিউটার সুবিধা পাবেন। এতে দৈনিক তাদের তিন বেলা খাবার সহ পরিশোধ করতে হবে ৫০০/(পাঁচশত )টাকা।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় আগামী পহেলা নভেম্বর থেকে পুনরায় এ সেবা চালু করা হবে। নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র নয়াপল্টন হাউজিংয়ের মধ্যে ১০/কে ভবনের ৬তলায় জার্নালিস্ট সেল্টার হোম চালু করা হবে।

    ইতিপূর্বে ২০২২ সালে রাজধানীর চিটাগাং রোডে মাতুয়াইল মেডিকেলের সামনে আমান সিটির একটি ভবনে এটি চালু করা হয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এটি পুনরায় চালু করা হবে। ওই সময় ৩০০ টাকায় থাকা এবং তিন বেলা খাবারের সুব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। বছর দুয়েক এটি চালু ছিল।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর জানান, ঢাকার বাইরের সাংবাদিকদের জন্য সংগঠনটি স্বল্প খরচে এই উদ্যোগটি গ্রহণ করে। না না কারণে প্রকল্পটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে। পুনরায় এটি চালু হচ্ছে, আপনারা আমাদের এ সেবাটি গ্রহণ করবেন।

    সেল্টার হোম এর উপ-তত্ত্বাবধায়ক এস এস রুশদি জানিয়েছেন, ২৪ ঘন্টা এর সেবা অব্যাহত থাকবে আমরা সাংবাদিকদের কল্যাণে বদ্ধপরিকর।

  • কাপ্তাই বিএসপিআই এ বিনামূল্যে ব্লাডগ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন 

    কাপ্তাই বিএসপিআই এ বিনামূল্যে ব্লাডগ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কাপ্তাইয়ে  ব্লাডগ্রুপিং ক্যাম্পেইন সভা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর)সকাল ১১টায় বিএসপিআই যুব রেড ক্রিসেন্ট দল এর আয়োজনে এবং যুব রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ব্লাড ব্যাংক কাপ্তাই  এর সহযোগিতায় ইনস্টিটিউট উড সপ্ এ অনুষ্ঠিত হয়।

    সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ  রূপক কান্তি বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার মো দেলোয়ার হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংক সভাপতি সুগত তনচংগ্যা, ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠতা বীর কুমার তনচংগ্যা, বিএসপিআই ইঞ্জিনিয়ার ও বিভাগীয় প্রধান ইঞ্জিনিয়ার রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই প্রেসক্লাব সভাপতি কবির হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সভাপতি আসিফুল ইসলাম  ও শিক্ষার্থী বেলাল হোসেন।

    বক্তরা বলেন,মানবতার সেবায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। রক্তদিয়ে একটি জীবনকে বাঁচাতে হবে। তাই প্রতিটি মানুষের প্রয়োজন তাঁর নিজ রক্ত গ্রুপ জানা। কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংক বিনামূল্যে আর্তমানবতার সেবায় যে উদ্যোগ নিয়েছি তা প্রশংসনীয় বলে মত প্রকাশ করা হয়। এসময় বিএসপিআই এর সকল বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সকল শিক্ষার্থী বিনামূল্যে রক্ত গ্রুপ নির্ণয় করা হয়।