Blog

  • ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে

    ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে

    বিনোদন প্রতিবেদক:

    ‎প্রাচীন গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিসের অমর সৃষ্টি ‘ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে- দৃশ্যকাব্য থিয়েটারের নতুন প্রযোজনায়। মানব নিয়তি, ভাগ্য ও আত্ম-চেতনার গভীর অনুসন্ধান নিয়ে রচিত এই শাশ্বত ট্র্যাজেডি এবার সমকালীন দর্শন থেকে নতুন ব্যাখ্যায় মঞ্চে উঠতে যাচ্ছে।

    ‎নাটকটির নির্দেশনায় রয়েছেন হাবিব মাসুদ। তিনি জানান, বোধকরি, সময় আমাদের চালিত করে। ইডিপাসকে মঞ্চে আনবার ক্ষেত্রেও বর্তমান সময়টি আমাকে ভাবিয়েছে। আজকের বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক বিরাট শূন্যতা অনুভব করি। মনে হয়েছে, অনন্ত রাত্রির ঘোর অন্ধকারে আমরা নিমজ্জিত-আমাদের কি কোনো নেতৃত্ব নেই? এই নিয়তি কি অনতিক্রম্য? প্রাচীন গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিস রচিত ইডিপাস আমার কাছে মনে হয়েছে নেতৃত্বহীনতায় নিমজ্জিত এক জনপদের গল্প। নিয়তিকে অতিক্রমের আর্তনাদ ইডিপাসকে মহান করে তোলে, কিন্তু সে নিয়তিকে জয় করতে পারে না। ক্লাসিকের শক্তি সর্বকালের-সর্বমানবের-তাই মূল পাঠে পরিবর্তন না করেও চরিত্র ও কোরাসের ব্যবহারে আমরা কিছু পরীক্ষণের প্রয়াস নিয়েছি। আশা করি, দৃশ্যকাব্য এর এই প্রযোজনা দর্শককে প্রাচীন থিবি নগরীর রাজপ্রাসাদে কিছুক্ষণের জন্য হলেও নিয়ে যাবে।


    ‎নাটকটির বাংলা অনুবাদ করেছেন সৈয়দ আলী আহসান।

    ‎ইডিপাস চরিত্রে অভিনয় করছেন এইচ এম মোতালেব। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকছেন ঝুমু মজুমদার, আহাদ বিন মুর্তজা, নাইমুল ইসলাম সিয়াম, মো. মুন্না মোল্লা, আশিকুল ইসলাম, রিমন সাহা, উৎপল চন্দ্র বর্মন, কান্তা কামরুন, ওমর ফারুক খান ফাহিম, পায়েল আহমেদ, আফরোজা বিথী, মো. রিয়াজুল করিম রিয়াজ, রিয়া হোসেন ও হীরালাল দাস। মিডিয়া সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন।

    ‎আলো, সংগীত ও মঞ্চসজ্জায় থাকছে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, যা দর্শকদের নিয়ে যাবে প্রাচীন থিবি নগরীর রহস্যময় আবহে।

    ‎দৃশ্যকাব্য এর প্রধান সম্পাদক এইচ এম মোতালেব জানান, সংস্কৃতিহীন জাতির কোনো পরিচয় নেই। নাটক শুধু বিনোদন নয়- এটি মানুষের চেতনাকে জাগিয়ে তোলে। দৃশ্যকাব্য শুরু থেকেই পেশাদার নাট্যচর্চার পথে এগিয়ে চলেছে, যদিও পথটি সহজ নয়। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীদের সমন্বয়ে ও সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় পেশাদার নাট্যচর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আমাদের স্লোগান- ‘আধাঁর কাটুক দৃশ্য ও উচ্চারণে’। নাটক দীর্ঘজীবী হোক।


    ‎নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী হবে ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়, এরপর ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৭টায়, রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে। পরবর্তী সময়ে নাটকটি দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রদর্শিত হবে।

    ‎মানব মনের গভীরতম দ্বন্দ্ব, সত্য অনুসন্ধানের যন্ত্রণা ও নিয়তির অনিবার্য পরিণতি- সব মিলিয়ে ‘ইডিপাস’ এবারও দর্শকদের ভাবাবে, কাঁপাবে এবং প্রশ্ন তুলবে-আমরা আসলে কতটা নিজের নিয়তির নিয়ন্ত্রক?

  • বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী মনজুর সুমনের কাউখালী মহিলা দলের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 

    বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী মনজুর সুমনের কাউখালী মহিলা দলের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 

    কাউখালী প্রতিনিধি। 
    পিরোজপুরের কাউখালীতে রবিবার  (২ নভেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কাউখালী উপজেলা কার্যালয়ে পিরোজপুর ২ আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি সমাজসেবক আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন কাউখালী উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।
    কাউখালী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবিরের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিঞা, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নুরুন্নাহার মনু, সাধারণ সম্পাদক শামীমা আক্তার, বিএনপি নেত্রী সুলতানা নীলা, জাকিয়া বেগম রানু, শামীম আরা নুপুর প্রমুখ।
    এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মঞ্জুর সুমন বলেন, রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মা-বোনদের বুঝাতে হবে। দল থেকে যাকে মনোনয়ন দেবে আমরা সবাই মিলে তার সাথে থেকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে প্রার্থীকে বিজয় করব ইনশাআল্লাহ।
  • আখাউড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ইমরান, ছেলেকে বাঁচাতে বাবার আর্থনাদ

    আখাউড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ইমরান, ছেলেকে বাঁচাতে বাবার আর্থনাদ

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় একমাত্র ছেলে ইমরান মিয়া (১১) ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পথযাত্রী প্রায়, চোখের সামনে সন্তানের কষ্ট দেখে অর্থের অভাবে কিছুই করতে পারছেন না পিতা ইয়াকুব মিয়া। যা কিছু অর্থ ছিল তা দিয়ে ছেলে চিকিৎসা করিয়েছেন। চিকিৎসাকরা জানিয়েছে ইমরানের চিকিৎসার জন্য আরও প্রায় ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন।

    কিন্তু সেলুনকর্মী ইয়াকুব মিয়ার পক্ষে এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা অসম্ভব। সুস্থ ছেলেটি দিন দিন নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। এমন দৃশ্য দেখে চোখের পানি ফেলা ছাড়া আর কিছইু করতে পারছেন না তিনি। নিরুপায় হয়ে ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের কাছে সাহায্যের আকুতি জানিয়েছেন দরিদ্র পিতা। ইয়াকুব মিয়ার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া। ইমরান মিয়া ৫ম শ্রেণীর ছাত্র।

    ইয়াকুব মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, অসুস্থ ইমরান বিছানায় শুয়ে আছে। শরীরে জামা নেই শরীরটা অনেকটা শুকিয়ে গেছে। বুকের হাড়গুলো যেন বেরিয়ে আসছে। চোখ দুটো মেলে উপরের দিকে তাকিয়ে আছে।

    ইয়াকুব মিয়া বলেন, দেড় মাস আগে একদিন বিকেলে খেলার মাঠ থেকে ফিরে এসে ইমরান বলে তার পেট ব্যথা করছে। কিছুক্ষণ পরেই বমি করে। তারপর প্রথমে আখাউড়ায় সরকারি হাসপাতালে এবং পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে ডাক্তাররা দেখে ঢাকায় নেওয়ার পর পরামর্শ দেয়। ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর পেটে টিউমার ধরা পড়ে।

    চিকিৎসকদের পরামর্শে আহসানিয়া ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ক্যান্সার ধরা পড়ে, খাদ্যনালীতে, এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসা সম্পূর্ণ করতে আরও প্রায় ১০ লাখ টাকার প্রয়োজন।

    তিনি আরও বলেন, যা ছিল তা দিয়ে চিকিৎসা করেছি। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ। আমার ছেলেকে বাঁচাতে সবার কাছে সাহায্য চাই। আমার একটা ছেলে একটা মেয়ে। যারা বিত্তবান আছেন আমাকে একটু সাহায্য করবেন। সকলের সহযোগিতায় আমার ছেলেটাকে আল্লাহ তায়ালা সুস্থ দিতে পারেন।

    প্রতিবেশি আলফাজ উদ্দিন বলেন, ইমরানকে দেখতাম স্কুলে যেতো। ছেলেদের সাথে খেলাধুলা করতো। হঠাৎ তার ক্যান্সার হয়েছে শুনে খুব খারাপ লাগছে। তার বাবা যতুটকু পেরেছে চিকিৎসা করেছে। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, সবাই একটু সহযোগিতা করুন।

    দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য মুছা মিয়া বলেন, ইয়াকুব মিয়া আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে একটা সেলুনে কাজ করে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল। সবার একটু সহযোগিতায় হয়তো তার ছেলেটি সুস্থ্য জীবন ফিরে পেতে পারে। সবার কাছে অনুরোধ করছি ইমরানের চিকিৎসায় সহযোগিতা করার জন্য।

    আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হিমেল খান বলেন, খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হলে খাবার গ্রহণে অসুবিধা হয়। বমি হয়। ধীরে ধীরে ওজন কমে যায়। এটা ব্যয়বহুল চিকিৎসা। যথাযথ চিকিৎসা পেলে আরোগ্যের সম্ভাবনা থাকে।

  • বিলাসপুরে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে আতঙ্ক, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

    বিলাসপুরে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে আতঙ্ক, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

    রবিবার (২ নভেম্বর) ভোরে ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারিকান্দি এলাকায় টানা বিস্ফোরণে পুরো অঞ্চল কেঁপে ওঠে, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি ককটেলের বিস্ফোরণ শোনা গেছে।

    সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায় এবং সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিলাসপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য নিয়ে কুদ্দুস বেপারী ও আবদুল জলিল মাদবর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। চলতি বছরের ৫ এপ্রিলও এলাকায় একই ধরনের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার পর বিস্ফোরক আইনে মামলা হলে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন কারাগারে যান। সম্প্রতি কুদ্দুস জামিনে বের হলেও জলিল এখনও কারাগারে রয়েছেন।

    সম্প্রতি আবারও উত্তেজনা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন বেপারী (কুদ্দুস সমর্থক) ও তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল (জলিল সমর্থক) দুই পক্ষের সমর্থকদের মাঝে শনিবার সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতবোমার বিস্ফোরণ হয়। তারই ধারাবাহিকতায় রবিবারের সংঘর্ষ শুরু হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আট সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন তরুণ হাতে লাল বালতি নিয়ে দৌড়ে ককটেল ছুড়ছে। মুহূর্তেই চারদিক কেঁপে ওঠে, ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালায় ও বাড়িঘর ভাঙচুর করে। আহতদের মধ্যে যুবদল কর্মী সালাউদ্দিন ও কামালের নাম পাওয়া গেছে। অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

    জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন,“দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আবারও নাশকতা ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছি।”

    তিনি জানান, ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। এখনও কোনো মামলা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    এদিকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন ও তাইজুল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্র মতে, তারা সংঘর্ষের পর আত্মগোপনে চলে গেছেন।

    এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

  • শাহজাদপুরে মোটরসাইকেল রেসে গাছের সাথে সংঘর্ষে তরুণ নিহত, আহত এক

    শাহজাদপুরে মোটরসাইকেল রেসে গাছের সাথে সংঘর্ষে তরুণ নিহত, আহত এক

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,স্টাফ রিপোর্টার।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বন্ধুরা মিলে মোটরসাইকেল রেস করার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

    রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কের টেটিয়ার কান্দা এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও একজন তরুণ গুরুতর আহত হয়েছেন।

    নিহত তরুণের নাম রুহান (১৭)। তিনি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসদরের বাসিন্দা। আহত বাদশা উল্লাপাড়ার গয়হাটা গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনটি মোটরসাইকেলে কয়েকজন তরুণ উল্লাপাড়া থেকে পাবনার দিকে অতিরিক্ত গতিতে রেস করছিলেন। প্রচণ্ড গতির একপর্যায়ে শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের টেটিয়ার কান্দা এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলগুলো পরস্পরের সাথে ধাক্কা খেয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এর মধ্যে একটি মোটরসাইকেল সোজা গিয়ে সড়কের পাশের একটি মেহগনি গাছে আঘাত হানে।

    ধাক্কার তীব্রতায় দুই আরোহী ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই রুহান মারা যান এবং গুরুতর আহত বাদশাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শাহজাদপুরের পিপিডি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে পাঠান।

    এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার এসআই এমদাদ হোসেন বলেন, বন্ধুদের সাথে মোটরসাইকেল রেস করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লাগায় ঘটনাস্থলেই এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। আহত আরেকজনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

  • বাঙ্গালহালিয়া বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর  শান্তিপূর্ণেভাবে  দানোৎসব উদযাপন 

    বাঙ্গালহালিয়া বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর  শান্তিপূর্ণেভাবে  দানোৎসব উদযাপন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব–২০২৫ ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়।

    শনিবার (১নভেম্বর)দিনব্যাপী বাঙ্গালহালিয়া হেডম্যান পাড়া  দায়ক-দায়িকার উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ভান্তেদের কঠিন চীবর দান, অন্ন দান, বুদ্ধ পূজা, ধর্ম আলোচনা ও বিভিন্ন ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩০০-৪০০ জন পুণ্যার্থী ধর্মীয় অনুশীলন ও প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল ছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে বাঙ্গালহালিয়া আর্মি ক্যাম্প থেকে একটি টহল দল এলাকায় টহল পরিচালনা করে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

    কাপ্তাই জোনের পক্ষ থেকে মেজর মোঃ তানভীর হাসান সিফাত , ক্যাম্প কমান্ডার বাঙ্গলহালিয়া আর্মি ক্যাম্প অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন এবং আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় ধর্মপ্রাণ জনগণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    ৬৩তম দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব–২০২৫ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

  • আশুগঞ্জ পুলিশের অভিযানে ১৪৬ কেজি গাঁজা, পিকআপ ও মোটর সাইকেল সহ ৪ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    আশুগঞ্জ পুলিশের অভিযানে ১৪৬ কেজি গাঁজা, পিকআপ ও মোটর সাইকেল সহ ৪ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ষোঘ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে থানা পুলিশের দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ ৪ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ।

    এ সময় তাদের হেফাজত থেকে মোট ১৪৬ কেজি গাঁজা, একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়।

    পুলিশ জানায়,  ১ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে থানার একটি বিশেষ টিম প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করে। সকাল ০৭:১০ ঘটিকায় আলমনগর এলাকা থেকে ১৩০ কেজি গাঁজাসহ ২জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—১। মোঃ আব্দুল আলীম প্রকাশ মওসুম (৩১), পিতা- ঝাড়ু মিয়া, মাতা- লাকী বেগম, সাং- কমলপুর আমলাপাড়া, থানা- ভৈরব, জেলা- কিশোরগঞ্জ। ২। সাকিব (২২), পিতা- চান মিয়া, মাতা- ফাতেমা বেগম, সাং- রতনপুর, থানা- রায়পুরা, জেলা- নরসিংদী। তাদের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানসহ গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

    পরবর্তীতে সকাল ০৮:৩০ ঘটিকার সময় আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অপর একটি টিম সোনারামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন—১। সাগর আহম্মেদ (২৮), পিতা- নুর হোসেন, মাতা- খাদিজা আক্তার, সাং- খড়কী নোয়াপাড়া, থানা- মাধবপুর, জেলা- হবিগঞ্জ।২। রফিকুল হাসান সাব্বির (২০), পিতা- ফোরকান হোসাইন, মাতা- রোকসানা আক্তার, সাং- পিপড়াখালী সিকদার বাড়ী, থানা- মির্জাগঞ্জ, জেলা- পটুয়াখালী। তাদের কাছ থেকে একটি কালো রঙের Suzuki Gixxer মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত সকল মাদকদ্রব্য ও যানবাহন উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।

    আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, মাদক নির্মূলে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাবাসীর নতুন বিনোদন স্পট বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্ক

    বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাবাসীর নতুন বিনোদন স্পট বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্ক

    ফারজানা শারমিন।

    আজকাল ইট বালু কংক্রিটের হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের চার দেওয়ালের ঘরে বন্দী হয়ে রয়েছে লক্ষ-লক্ষ বাংলাদেশের নগরবাসীদের জীবন ।

    শিশু থেকে যুবক-যুবতী , বৃদ্ধ বয়সী সবাই পড়াশুনা , চাকরী বা ব্যবসায়িক কাজে বাইরে বের হলেও নিদিষ্ট সময়ের পরে বাসায় ফিরে বেশিরভাগ সময়ে চার দেওয়ালের ঘরে বন্দ্বী হয়ে থাকতে হয়।

    এর ফলে বেশিরভাগ সময়ে শিশুরা, তরুন বয়সী, বৃদ্ধ সবাই ওবেসিটি , হাই কোলষ্টোরল , ফ্যাটি লিভার, হার্টের সমস্যার মত বহু রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।

    শিশুরাও অবসর সময়ে খেলাধুলার সুযোগ , না পেয়ে অসামাজিক হয়ে পড়ছে, অনেক শিশুর মানসিক বিকাশ , শারিরীক বিকাশ এই কারনে ঘটছেনা । অন্যান্য জায়গার মত রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার শিশু কিশোর কিশোরী,বৃদ্ধ বয়সীরাও এই সমস্যাগুলোর ভুক্ত ভোগী। এসব বিষয় মাথায় রেখে রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের সবুজ গাছ গাছালি ঘেরা মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মন্ডিত পরিবেশে শারিরীক
    চর্চা , জগিং এবং অবসর সময়ে বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার জন্য চলতি বছরে ২০২৫ সালের ১৬ ই অক্টোবর উদ্বোধন করা হয়েছে বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্ক ।

    বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এন ব্লকে, ফকিহুল মিল্লাত মুফতি আবদুর রহমান (রহ.) জামে মসজিদের পাশে বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্কটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ।

    বসুন্ধরা গ্রুপ অব ইন্ড্রাষ্ট্রিজ কর্তৃপক্ষ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের সুবিধার্থে এই পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেছেন । প্রায় ৬ একর অথবা প্রায় ০.৯৬ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্ক ।

    এই পার্কের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্কের মাঝখানে অবস্থিত মনোরম পরিষ্কার পানি যুক্ত একটি নজর কাড়া লেক, যে লেকটি পার্কের শুরু থেকে শেষ সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত । লেকের কল কল স্বচ্ছ পানির
    ধ্বনি শুনে শিহরিত হন পার্কে আসা মানুষজন ।

    বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্কের গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকে বামদিকে তাকালেই প্রথমে চোথে পড়বে পার্কে আসা বিনোদনপ্রিয় মানুষের জন্য নির্মান করা হচ্ছে
    অত্যাধুনিক ক্যাফেটেরিয়া । পার্কে আসা মানুষজন এই ক্যায়েটেরিয়ায় এসে স্ন্যাকস , চা কফি সহ মুখরোচক বিভিন্ন খাবারের স্বাদ গ্রহন করতে পারবেন।এই পার্কের মাঝখানে অবস্থিত লেকের দুপাশে রয়েছে মানুষজনের , সাইক্লিং , হাটার এবং জগিং করার খোলা জায়গা । ক্লান্ত হয়ে পড়লে রয়েছে পার্কের ভেতরে জায়গায় জায়গায় বসে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য
    ইটবালু কংক্রিটের বেঞ্চ। বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্কে পুশ আপ সহ ব্যয়ামের জন্য রয়েছে বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী এবং আধুনিক যন্ত্র নিয়ে গঠিত শারিরীক কসরতের
    ব্যায়াম জোন ।সকাল, বিকেল অথবা রাত্রে এসে অনেক স্বাস্থ্য সচেতন নারী পুরুষ হাটাহাটি, সাইক্লিং এবং বিভিন্ন ধরনের শারিরীক ব্যায়াম করে থাকেন ।
    এছাড়া শিশু কিশোরদের বিভিন্ন শিশুকিশোরদের জন্য রয়েছে মজার রাইডার স্লিপার , দোলনা সহ আরো আকর্ষনীয় সব রাইডার এবং খেলার সামগ্রী । এসব নিয়ে
    গেমিং জোন গঠিত। স্কুল মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশু কিশোররা এসব রাইডে চড়ে খুব খুশি ।

    এ প্রসঙ্গে পার্কে ঘুরতে আসা কিশোর মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী ওমর বলেন – ‘আমি এবং আমার ফ্রেন্ডরা পার্কটিতে অবসর সময়ে এসে এক্সারসাইজ করি
    গেমিং রাইডারগুলোতে চড়ি । খুব ভাল লাগে এখানে এসে অবসর সময়টা কাটাতে।’

    স্নিগ্ধ সবুজ তরুলতা, বিভিন্ন গাছগাছালি , পাখির কলকাকলিযুক্ত কিচির মিচির শব্দ , সুঘ্রানযুক্ত বিভিন্ন ফুলের সুবাসযুক্ত মায়াময় , নিরিবিলি পরিবেশ বসুন্ধরা
    কমিউনিটি পার্কের সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে তুলেছে। এসব দেখে পার্কে আসা মানুষজন খুব খুশি । ইকো ফ্রেন্ডলি পরিবেশ, বিনোদনপ্রিয় মানুষকে সহজেই
    মুগ্ধ করে, আকৃষ্ট করে।।

    এ প্রসঙ্গে পার্কে ঘুরতে আসা গৃহিনী নাজমা বেগম জানান – ‘আমি চেষ্টা করি প্রতিদিন বিকেলে আমার ছেলে মেযেদের নিয়ে বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্কে এসে কিছু সময় কাটাতে । শহরে খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। শহরে থাকা শিশু কিশোরেরা তাই খেলাধুলার সুযোগ হতে বঞ্চিত হচ্ছে। কিন্তু একটি বাচ্চার শারিরীক এবং মানসিক বিকাশে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ঢাকার মত মেগাসিটিতে এরকম আরো পার্ক তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা আছে।
    বিশেষ করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার শিশু কিশোরসহ সব বয়সীদের বিনোদনের জন্য , খেলাধুলা , ব্যায়াম করার জন্য আরো বেশি জায়গা নিয়ে বিনোদন পার্ক
    করার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি।’

    বর্তমানে বসুন্ধরা কমিউনিটি পার্কটি প্রতিদিন সকাল ৬টা হতে রাত ১০ টা পর্যন্ত, শুধুমাত্র বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসবাসরত বাড়ির মালিক, ফ্ল্যাটের মালিক
    এবং ভাড়াটিয়াদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

    সপ্তাহে প্রতিদিন এ পার্কটি জনসাধারনের ভ্রমন করার জন্য উন্মুক্ত ।ভবিষ্যতে শুধু বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অধিবাসীরাই শুধু নয়, বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য পার্কটি উন্মুক্ত রাখা হবে বলে প্রত্যাশা করছে সাধারণ দেশবাসী।

  • শাহজাদপুরে ‘৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

    শাহজাদপুরে ‘৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

    আবু সুফিয়ান নোমান ,শাহজাদপুর(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে উপজেলা সমবায় অফিসের আয়োজনে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ উপলক্ষে শাহজাদপুরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    কর্মসূচি’র মধ্যে ছিল জাতীয় ও সমবায়িক পতাকা উত্তোলন,বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা।

    উক্ত আলোচনা সভায় শাহজাদপুর উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ রবিউল রানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান, উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি’র সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ,বাঘাবাড়ী ট্রাক ট্যাংকলরী শ্রমিক সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি কে এম শামীম হোসেন,শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল-আমিন হোসেন,বাঘাবাড়ি বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নওশের আলী প্রমুখ।

    এ সময় শাহজাদপুর উপজেলা সমবায় অফিসার রবিউল রানা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বপ্রথম সমবায় নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন শাহজাদপুর উপজেলার মানুষ,এই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের অনেক পরিবর্তন আসে সমবায়ের মাধ্যম, শাহজাদপুরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সারা জাগে এবং দেশ ও দেশের বাহিরে এর সুনাম ছড়িয়ে পরে, এখানে সমবায় সমিতির মাধ্যমে মিল্কভিটা পরিচালিত হয়,যা এখন দেশের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। দেশের উন্নয়নে সমবায় প্রতিষ্ঠান ব্যাপক ভুমিকা রাখছে।
    এ সময় তিনি আরো বলেন, এই উপজেলায় দায়িত্ব পালন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।আগামীতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মহিলা সমবায় সমিতির উদ্যোগের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, দেশের বৃহৎ সমবায় প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটাকে আরো গতিশীল করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি, সবাই একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করলে, দেশের উন্নয়নে সমবায় প্রতিষ্ঠান আরো ভুমিকা রাখবে।

  • কাউখালীতে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    কাউখালীতে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    “সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরের কাউখালীতে ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
    দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে উপজেলা সমবায় বিভাগের আয়োজনে, ১লা নভেম্বর(শনিবার) সকাল ১০ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন সহ এক বর্নাঢ্য র‍্যালী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।
    পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সমবায় অফিসার মোঃ অহিদুজ্জামান খান এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, অনুষ্ঠানটির প্রধান অতিথি কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বজল মোল্লা, বিশেষ অতিথি কাউখালী সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, কাউখালী উপজেলা শাখার আমির মাওলানা মোঃ নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোঃ মনিরুল ইসলাম শাহিন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সমবায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    এ সময় অনুষ্ঠানটির প্রধান অতিথি স্বজল মোল্লা বলেন, সমবায় সংগঠনগুলো একটি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি।আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়তে,দারিদ্র্য দূরীকরণে, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, সমবায় সংগঠনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।
    অনুষ্ঠানটির সভাপতি মোঃ অহিদুজ্জামান খান বলেন, কাউখালীতে ১০০(একশত) নিবন্ধনকৃত সমবায় সংগঠনের মধ্যে ৫০ টি সংগঠন সন্তোষজনক এবং ১০ টি সংগঠন পরিপূর্ণ সক্রিয়ভাবে তাদের সমবায় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তিনি আরও বলেন, সমবায় সংগঠনের মাধ্যমেই আর্থ সামাজিক উন্নয়ন করা সম্ভব।
    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমতির সদস্য, সদস্যা ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।