Blog

  • রমজানে সাংবাদিক পরিবারের কান্না: মানবিক দৃষ্টিতে মুক্তির সিদ্ধান্ত হোক

    রমজানে সাংবাদিক পরিবারের কান্না: মানবিক দৃষ্টিতে মুক্তির সিদ্ধান্ত হোক

    স্টাফ রিপোর্টার।

    পবিত্র মাহে রমজান সংযম, সহমর্মিতা, আত্মশুদ্ধি ও ক্ষমার মাস। এ মাসে সমাজের বিত্তবান ও সক্ষম মানুষ অসহায়দের পাশে দাঁড়ান, রাষ্ট্রও নেয় বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ। অথচ বেদনাদায়ক হলেও সত্য এই পবিত্র মাসেই দেশের বিভিন্ন স্থানে কারাবন্দী ও পলাতক সাংবাদিকদের পরিবার চরম দুর্দশার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। অনেক পরিবারে সেহরি ও ইফতারের ন্যূনতম সামগ্রীও জুটছে না। শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিতে না পেরে মায়েদের কান্না, বৃদ্ধ পিতামাতার দীর্ঘশ্বাস এসবই আমাদের সামাজিক বাস্তবতার এক কঠিন প্রতিচ্ছবি।

    এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে কারাবন্দী সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি এবং পলাতক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে শাস্তি বা হয়রানির মুখোমুখি হতে হলে তার প্রভাব পড়ে পুরো পরিবারের ওপর। আয়-উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে গেলে পরিবারগুলো মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।

    সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়; এটি গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। একজন সাংবাদিক যখন সত্য তুলে ধরেন, অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করেন, তখন তিনি মূলত জনগণের পক্ষেই কথা বলেন। কিন্তু যদি সেই দায়িত্ব পালনের ফল হয় কারাবাস, মামলা-হামলা কিংবা আত্মগোপন, তবে তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য অশনিসংকেত। অবাধ তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত হলে গণতান্ত্রিক কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে।

    রমজান আমাদের শেখায় সংযমের পাশাপাশি ক্ষমা ও মানবিকতার অনুশীলন। এই সময়ে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি ইতিবাচক ও মানবিক সিদ্ধান্ত যেমন কারাবন্দী সাংবাদিকদের জামিন বা মুক্তির উদ্যোগ, কিংবা পেশাগত কারণে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর পুনর্বিবেচনা সমাজে আস্থার সঞ্চার করতে পারে। এতে শুধু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কষ্ট লাঘব হবে না, গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যেও নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার অনুভূতি জোরদার হবে।

    একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিক পরিবারের জন্য বিশেষ সহায়তা তহবিল গঠন, আইনি সহায়তা প্রদান এবং সাংবাদিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবাদিকরা শত্রু নন; তারা রাষ্ট্র ও সমাজের অংশীদার। মতভেদ থাকতে পারে, সমালোচনা থাকতে পারে কিন্তু তা যেন কখনো দমন বা প্রতিহিংসার রূপ না নেয়।

    রমজানের পবিত্র মাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় ক্ষমা মহত্ত্বের পরিচায়ক, সহমর্মিতা শক্তির বহিঃপ্রকাশ। তাই এই সময়ে কারাবন্দী ও পলাতক সাংবাদিকদের পরিবারের কান্না থামাতে সংশ্লিষ্ট মহলের মানবিক ও দূরদর্শী পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবিকতার ভিত্তিতেই গড়ে উঠুক একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল গণতন্ত্র।

    আহমেদ আবু জাফর
    সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
    ও
    চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড
    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম
    ০১৭১২৩০৬৫০১
    ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।

  • দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে কাপ্তাই ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা 

    দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে কাপ্তাই ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা বিষয়ে কাপ্তাই নতুন বাজার ব্যবসায়ীদের নিয়ে আলোচনা ও সমন্বয় সভা করেছে উপজেলা প্রশাসন ।

    বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক কল্যান সমবায় সমিতি লিঃ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    কাপ্তাই  উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিপনন কমিটির  আয়োজনে নতুন বাজার ব্যবসায়ী ও কমিটির নেতৃবৃন্দ সাথে আলোচনা  সভায় সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন।

    উপজেলা প্রশাসন সকল ব্যবসায়ীদের বলেন পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন। এবং দ্রব্যমূল্য তালিকা,পাকা রশিদ,জিলাপি, বেগুনিতে রঙ না মিশানো,পোড়া,বাসি তেল ব্যবহার নিষেধসহ দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা উপর গুরত্বরোপ করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা তথ্য অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ লোকমান আহমেদ, কাপ্তাই কৃষি বিপনন কর্মকর্তা অভিজিৎ বড়ুয়া,কাপ্তাই নতুন বাজার সমিতির সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, সম্পাদক এম করিমসহ নতুন বাজার ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • অধ্যক্ষ নুর আফরোজ বেগম জ্যোতিকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান বগুড়া বাসী

    অধ্যক্ষ নুর আফরোজ বেগম জ্যোতিকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান বগুড়া বাসী

    স্টাফ রিপোর্টার:
    বগুড়া জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে সাবেক এক সংসদকে ঘিরে। বগুড়া জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি অধ্যক্ষ নুর আফরোজ বেগম জ্যোতি-কে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে আবারও দেখতে চান তারা।

    স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে অধ্যক্ষ নুর আফরোজ বেগম জ্যোতি এ আসনের জন্য যোগ্য প্রার্থী হতে পারেন।

    রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সক্রিয় উপস্থিতি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং শিক্ষকতা হিসেবে পেশাগত অভিজ্ঞতা তাকে একটি গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে মনে করছেন সমর্থকরা। স্থানীয় পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত রাখা, নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়গুলোও তার পক্ষে ইতিবাচক দিক হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

    এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে অধ্যক্ষ নুর আফরোজ বেগম জ্যোতির সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।
    তিনি ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক হিসেবেও সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আর তারেক রহমানের বগুড়া-৬ আসনেও তিনি দলের পক্ষে ব্যাপক কাজ করেছেন।

    অন্যদিকে, তিনি সমবায় ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও বগুড়া জেলা মহিলা দলের ৩বারের সভাপতি ছিলেন ও বর্তমানে উপদেষ্টা। আর বগুড়া জেলা মহিলা সংস্থার সাবেক চেয়ারম্যান তিনি।
    এছাড়া তিনি দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে অনেকবার জেল খেটেছেন। এমনকি চাকুরীচ্যুতও হয়েছেন।

    এদিকে, বগুড়া জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী জানান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের ক্ষেত্রে দল সাধারণত এমন প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেয়, যিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় আদর্শে বিশ্বাসী, পরীক্ষিত এবং সাংগঠনিকভাবে সক্রিয়। তাদের ভাষ্য, অধ্যক্ষ নুর আফরোজ বেগম জ্যোতি সেই যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করেন। এছাড়াও সাবেক এমপি হিসেবে রাজনৈতিক সহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতাও তার জানা আছে। আর পারিবারিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

    স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও মনে করেন, একজন শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ নারী রাজনীতিক হিসেবে তিনি জাতীয় সংসদে বগুড়ার নারীদের বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন চাহিদা এবং সামাজিক ইস্যুগুলো আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং আইনি সহায়তা বিষয়ক উদ্যোগে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

    তবে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়ন সম্পূর্ণভাবে দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। দলীয় হাইকমান্ড প্রার্থীর সাংগঠনিক অবদান, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সার্বিক কৌশল বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। ফলে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও, বগুড়ায় এ দাবিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও প্রত্যাশা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

  • কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তির  দাবি বিএমএসএফের

    কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তির  দাবি বিএমএসএফের

    স্টাফ রিপোর্টার।
    পবিত্র মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ক্ষমার মহিমাকে সামনে রেখে কারাবন্দী সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, রমজান মাস মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও সহমর্মিতার বার্তা বহন করে। এ মাসে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে উদারতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার চর্চা আরও জোরদার হওয়া উচিত।
    বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিএমএসএফের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকরা নানা হয়রানি, মামলা ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন অবস্থায় কারাবন্দী থেকে তাদের পরিবার মানবিক সংকটে পড়েছে। সংগঠনটির মতে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি।
    সংগঠনের মনিটরিং তথ্যানুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে অগণন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় কারাবন্দী রয়েছেন। বিগত অন্তবর্তী সরকার আমলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিক একই ধরনের হয়রানি, মামলা ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন বলে সংগঠনের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।
    সাংবাদিকদের প্রতি অযৌক্তিক হয়রানি ও গ্রেপ্তার স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করে।
    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মাহে রমজান আমাদের ধৈর্য, সহনশীলতা ও ক্ষমার শিক্ষা দেয়। এই পবিত্র মাসে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় নিয়ে কারাবন্দী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো দ্রুত পর্যালোচনা করে ন্যায়সংগত সমাধান নিশ্চিত করা উচিত। যেসব সাংবাদিক শুধুমাত্র পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে কারাবন্দী রয়েছেন, তাদের মুক্তি প্রদান সময়ের দাবি।
    বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেন যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “সাংবাদিকরা রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ। তাদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা না গেলে গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হয়ে পড়ে। পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা ও মানবিক আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের জোর দাবি কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি দিয়ে তাদের পরিবারের মাঝে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
    নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, ন্যায় ও মানবিকতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহল সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে।
  • কাপ্তাইয়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৭ হাজার  টাকা জরিমানা 

    কাপ্তাইয়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৭ হাজার  টাকা জরিমানা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করেছে কাপ্তাই নতুন বাজার এলাকায়।

    অভিযানে দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায়, ফ্রিজে মুরগীর মাংস রাখা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখায় তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভোক্তা অধিকার রাঙামাটি সহকারী পরিচালক রানা দেব নাথ।  শনিবার কাপ্তাই নতুন বাজার এ অভিযান পরিচালনা করেন,ভোক্তা অধিকার সহকারী পরিচালক।

    এসময় কাপ্তাই মার্কেটিং অফিসার অভিজিৎ বড়ুয়া  প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন এবং কাপ্তাই থানার পুলিশ সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।

  • আখাউড়া পৌরসভার মসজিদ পাড়া গ্রামের শ্রাবণ আমাদের মাঝে আর নেয়

    আখাউড়া পৌরসভার মসজিদ পাড়া গ্রামের শ্রাবণ আমাদের মাঝে আর নেয়

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়,গতকাল ১৬/২/২০২৬ ইং তারিখে রাত সাড়ে নয় ঘটিকার সময়, আখাউড়া চেকপোষ্ট এলাকা থেকে খেলাধুলা শেষ করে, বন্ধু কে নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে, গাজী বাজার চেকপোষ্ট এলাকায়, অটো রিস্কার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে, মোটরসাইকেল চালক শ্রাবণসহ আরো তিনজন গুরুতর আহত হয় ।

    তৎকালীন ঐ এলাকার জনগণ তাদেরকে দ্রুত আখাউড়া হসপিটালে নিয়ে গেলে, ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে, আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হসপিটালে রেফার করেন, সেখানে চিকিৎসা চলা কালিন ১৭/২/২০২৬ ইং তারিখ রাত ২ ঘটিকার সময় শ্রাবণ মারা যান। শ্রাবণ হল মসজিদ পাড়া গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে।

    উল্লেখ্য ঘটনার আগে, ২৩ ঘণ্টা আগে আখাউড়া মসজিদ পাড়ার এক মৃত ব্যক্তির কবর কুড়ে, কবরে শুয়ে ছবি তুলে ছবি পোস্ট করেন, শ্রাবণ তার ফেসবুক থেকে।  আজ সেই কবরে শ্রাবণ নিজেই শুয়বেন যা খুব দুঃখজনক।

    মসজিদপাড়া এলাকার মাফুজ মিয়া জানান, শ্রাবণ অত্যন্ত একজন ভালো ছেলে ছিলেন।তার অকাল মৃত্যুতে আমি খুবই মর্মাহত ।শ্রাবণ মৃত্যুর ২৩ ঘণ্টা আগে, আমাদের মসজিদ পাড়া মহল্লার এক ব্যক্তির কবর কুড়ছেন, কবরস্থানে। আমাদের মসজিদপাড়া মহল্লায় যদি কেউ মারা যায়, বেশিরভাগ কবর শ্রাবণ কুড়েন। শ্রাবণ মৃত্যুর ২৩ ঘন্টা আগের দিন, কবর করে, কবরে শুয়ে, ছবি তুলে তার ফেসবুকে ছাড়েন, আজ নিজেই কবরে, যাতে আমি খুব কষ্ট পেলাম।

  • নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আজিবুর সভাপতি রাজু সম্পাদক

    নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আজিবুর সভাপতি রাজু সম্পাদক

    নড়াইল প্রতিনিধি।

    নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে আজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ইস্রাফিল খবির রাজু নির্বাচিত হয়েছেন।
    জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনের তৃতীয় তলায় সোমবার সকাল ১০টায় থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
    জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সিনিয়র আইনজীবী শেখ নূর মোহাম্মদ বলেন, শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহণ সস্পন্ন হয়েছে। ১৬১ জন ভোটারের মধ্যে ১৪৯জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ১১টি পদের মধ্য ৪টি পদে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।
    সভাপতি পদে আজিবুর রহমান ৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তারিকুজ্জামান লিটু পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
    সহ-সভাপতি পদে শরিফুল ইসলাম টিটু ৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী বদরুল আলম পেয়েছেন ৭০ভোট।
    সাধারণ সম্পাদক পদে ইসরাফিল খবির রাজু ৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটত প্রতিদ্বন্দ্বী নেওয়াজ মাহমুদ তুহিন পেয়েছেন ৪৮ভোট।
    সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ওয়াহিদুজ্জামান জুলু ৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
    মিশকাতুর রহমান সজিব ৬৮ ভোট।
    ৭টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন, গণগ্রন্থাগার সম্পাদক পদে ইমরুল হাসান সনেট এবং আইন ও সমাজ বিষয়ক সম্পাদক পদে লাভলী আক্তার।এছাড়া ৫টি সদস্য পদে কাজী জিয়াউর রহমান, এস এম ইকবাল হোসেন, শিমুল ফকির, শাহাজিয়া শারমিন মুন্নী ও মিলিমা খানম(মিলি সিদ্দিকী)।

  • কাপ্তাইয়ে লোকালয়ে হাতি,বানর ও হলুমানের তান্ডব 

    কাপ্তাইয়ে লোকালয়ে হাতি,বানর ও হলুমানের তান্ডব 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি ।

    ‘বন্যরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃকোড়ে’।রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বনের পশুরা এখন বন থেকে লোকালয়ে এসে তান্ডব চালাচ্ছে।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ রাঙ্গামাটি বনাঞ্চলের বন্যপ্রাণী কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার লোকালয়ে এসে তান্ডব চালাচ্ছে। শিলছড়ি, রামপাহাড়,ওয়াগ্গাছড়া চা বাগান,চিৎমরম মুসলিম পাড়া, কলা বুনিয়া,ব্রীকফিল্ড,বিউবো  বাক্স হাউজ,নৌবাহিনী সড়ক, সুইডিশ আবাসিক, ফরেস্ট কলোনি,   শিল্পএলাকা, শিল্প এলাকা সর্বত্র লোকালয়ে হাতি এসে তান্ডব চালায়।

    চলতি বছরসহ গত দশ বছরে হাতির আক্রমণে প্রায় ১২/১৩ জনের মত মৃত্যুসহ ৩০জনের মত আহত হয়েছে। এবং পাশাপাশি ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি নষ্ট করা হয়েছে। হাতির পাশাপাশি উপরোক্ত এলাকাসমুহ বন্যপ্রাণী হলুমানও বানর তান্ডব চালাচ্ছে।

    প্রতিনিয়ত বানর ও হলুমান এসে সৃজিত বাগানের বড়ই, কলাগাছ, নারিকেল গাছ,আতাফল,সিম,পেয়ারাসহ সব সাবার করে দিচ্ছে। এবং কি ঘর ও দোকানে প্রবেশ করে সব সাবার করে দিচ্ছে। এলাকার মহিলা ও দোকান ব্যবসায়ীরা হাতে লাঠি নিয়ে বানর ও হলুমান থেকে রক্ষা পেতে পাহাড়া দিতে দেখা যায়। শিল্প এলাকার মনোয়ারা বেগম,দোকান ব্যবসায়ী মো.শাহিন,সিফাত ও জাহাঙ্গীর বানর ও হলুমানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দোকানের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান। হালিমা, কোহিনূর এদের অত্যাচারের থেকে কিভাবে রক্ষা পাবে এর প্রতিকার চায় স্থানীয় বন বিভাগের নিকট। পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ রাঙ্গামাটি কাপ্তাই রেঞ্জ অফিসার ওমর ফারুক স্বাধীন জানান, বন্যপ্রাণী লোকালয় আসছে এটা ঠিক আছে। কিন্তু বনের ভিতর পশু খাদ্য এক শ্রেণির অসাধু লোক কয়েক বছর পূর্বে সাবার  করার ফলে পশুরা বনে খাবার না পেয়ে লোকালয়ে আসছে। আমরা বন বিভাগের পক্ষ হতে যতটুকু সম্ভব লোকজনকে নিরাপত্তার জন্য সচেতন করছি।৮কিঃমিঃ পযন্ত সোলার ফেন্সি স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ হতে নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ক্ষতি পূরণ দেয়া হচ্ছে। এবং বানর ও হলুমান এরা ছোট প্রাণী এদের তো আটকিয়ে রাখা যায় না। তবে টিন,ও বাজনা বাজিয়ে হাতি ও বানর হতে রক্ষা পাওয়ার কথা জানান।

  • কাপ্তাই নতুন বাজার দোতলা ছাদ থেকে পরে  শিশু আহত

    কাপ্তাই নতুন বাজার দোতলা ছাদ থেকে পরে  শিশু আহত

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    দোতলার ওপর সাইকেল চালাতে গিয়ে  ছাদ থেকে পরে শিশু গুরুত্ব আহত হয়েছে।

    শনিবার সকাল সাড়ে নয়টায়  রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড নতুন বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

    তিন চাকার সাইকেল চালাতে  নতুনবাজারস্থ মোল্লা ট্রেডার্স হার্ডওয়ার দোকানের দোতলার ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে শিশু  সিনান(৪) গুরুতর আহত হয়। ছাদে রেলিং নাথাকায় হঠাৎ করে ছাদ থেকে  আকস্মিক নিচে পরে গিয়ে ঘটনাটি ঘটে।

    আহত শিশুটিকে প্রথমে  কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল নেয়া হয়।  শিশুটি কাপ্তাই নতুন বাজার  সোনিয়া ক্লথ স্টোরের মালিক মোঃ

    খোরশেদ আলমের নাতি বলে জানাযায়।

  • পিরোজপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সোহেল মনজুর সুমন নির্বাচিত

    পিরোজপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সোহেল মনজুর সুমন নির্বাচিত

    মোঃ মেহেদী হাসান,স্টাফ রিপোর্টার।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরে নানা উৎসাহ, উদ্দীপনা ও উৎকন্ঠা বিরাজমান ছিল সাধারণ জনগণ সহ বিভিন্ন নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। সবার কৌতুহুল ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠন করবে।
    অবশেষে ১২ই ফেব্রুয়ারী(বৃহস্পতিবার) সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সমাপ্তি হল জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোট কেন্দ্র গুলোতে দেখা গিয়েছে ভোটারদের সরব উপস্থিতি। দীর্ঘদিন পরে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করায়, ভোটারদের অনেককে অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানাতেও দেখা গিয়েছে।

    পিরোজপুর-২(ভান্ডারিয়া-কাউখালী-নেছারাবাদ) আসনে সর্বমোট ভোটার ছিলো ৪ লাখ ৯ হাজার ২৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪ হাজার ৩১২ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ৪ হাজার ৯৭২ জন এবং ৪ জন ভোটার হিজরা সম্প্রদায়ের।
    প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আহাম্মদ সোহেল মনজুর সুমন ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
    তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী, শামীম সাঈদী পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৯৭ ভোট।
    এ সময় নির্বাচিত সংসদ সদস্য সোহেল মনজুর বলেন,আমি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী পিরোজপুর-২ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছিলাম। আপনারা আমাকে আপনাদের একজন করে গ্রহণ করে যে ভালোবাসা ও আস্থা দিয়েছেন, তার ফলেই আজ এই বিজয় সম্ভব হয়েছে। আমার এই বিজয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখা সকল নেতাকর্মী, সমর্থক এবং প্রিয় পিরোজপুর-২ বাসীকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা।
    তিনি আরও বলেন, দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কোনো বিজয় মিছিল করিব না। আমরা বিশ্বাস করি, সংযম, শালীনতা ও দায়িত্বশীল আচরণেই প্রকৃত বিজয়ের আনন্দ পাওয়া যায়।