Blog

  • কাপ্তাই বিএফআইডিসি এলপিসি শাখায় বার্ষিক ঈদ-এ মিলাদুন্নবী দোয়া ও আলোচনা সভা 

    কাপ্তাই বিএফআইডিসি এলপিসি শাখায় বার্ষিক ঈদ-এ মিলাদুন্নবী দোয়া ও আলোচনা সভা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন এলপিসি শাখার বার্ষিক পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সঃ)মাহফিল দোয়া ও আলোচনা সভা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় কাপ্তাই এলপিসি প্রধান শাখায় কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের আয়োজনে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফআইডিসি, এলপিসি, কাপ্তাই শাখার সহ-মহাব্যবস্থাপক তীর্থ জিৎ রায়।

    প্রধান অতিথি বলেন,করাতকল ও বিএফআইডিসি উন্নয়নের জন্য আমরা একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করব।এবং দেশের উন্নয়নের জন্য আমরা দোয়া করব।

    দোয়া মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই বিএফআইডিসি জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি আনোয়ার হোসেন সাইফী। তিনি এলপিসি উন্নয়ন এবং সকল নিহত সাবেক কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিকদের আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করেন।

    এসময় বিলাশ কুমার বিশ্বাস, সহ-ব্যবস্থাপক,মিনু চাকমা প্রধান সহকারী (প্রশাসন),মো.আব্দুল হান্নান সহ-মাঠ তত্ত্বাবধায়ক, রিগ্যান বড়ুয়া সহ-মাঠ তত্ত্বাবধায়ক,  এলপিসি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি আল আমিন, সম্পাদক মো.শাহীন উদ্দিন, কাপ্তাই প্রেসক্লাব সভাপতি কবির হোসেনসহ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    পরে বিএফআইডিসি রেস্ট হাউসে  পবিত্র মিলাদুন্নবী (সঃ) মাহফিলে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি, বেসরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ আপ্যায়ন করেন।

  • কাপ্তাইয়ে বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র  স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    কাপ্তাইয়ে বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র  স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    কাপ্তাই( রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান( বিকেএসপি)  আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র  কাপ্তাই উপজেলায় স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

    বুধবার ( ৫  নভেম্বর) বিকাল ৪টায় শিলছড়ি প্যারাডাইসে এ  সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

    কাপ্তাই উপজেলার ক্রীড়ামোদী সর্বস্থরের জনগণ, সাবেক এবং বর্তমান খেলোয়াড়দের ব্যানারে  এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে  লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান এবং কাপ্তাই বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক সাবেক চেয়ারম্যান মো.  দিলদার হোসেন।

    এসময় তিনি বলেন, খেলাধুলায় সমগ্র বাংলাদেশে কাপ্তাইয়ের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। আন্তর্জাতিক,   জাতীয় এবং জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কাপ্তাইয়ের সন্তানরা সুনামের সাথে খেলে আসছেন। রাঙামাটির মারী স্টেডিয়াম যার নামে করা হয়েছে তিনি কাপ্তাইয়ের সন্তান। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, একটি মহল চায়না কাপ্তাইয়ে বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হউক। সরকার যখন কাপ্তাই উপজেলায় বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করার প্রাথমিক  সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই কাপ্তাই উপজেলায় যেন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করার দাবি জানাই।

    কাপ্তাই বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব কৃতি খেলোয়াড় আনিছুর রহমানএর  উপস্থাপনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই  বিএন স্কুল এন্ড কলেজ এর উপাধ্যক্ষ মো: জাহঙ্গীর আলম, মাহাবুব হাসান, ক্রীড়া সংগঠক ও চম্পাকুড়ি খেলাঘর আসর এর সহ সভাপতি  জাকির হোসেন,সাবেক মেম্বার একরাম হোসেন, বিশিষ্ট রেফারি ও ক্রীড়া শিক্ষক  আব্দুল কাদের, শীলছড়ি দি রয়েল ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুর রহমান,  সাবেক কৃতি খেলোয়াড় ও   ক্রীড়া সংগঠক মো: জাকির হোসেন,  যুব সংগঠক মো: ইব্রাহীম,মোহাম্মদ মাসুদ,ইউসুফ প্রমূখ।

  • ফেনীর বিরিঞ্চিতে আগুনে পুড়িয়ে দুই শি’শু হত্যার রহস্য উদঘাটন

    ফেনীর বিরিঞ্চিতে আগুনে পুড়িয়ে দুই শি’শু হত্যার রহস্য উদঘাটন

    আবুল হাসনাত তুহিন, ফেনী:-

    ফেনী সদরের বিরিঞ্চিতে দুই শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার আলোচিত মামলার মূল আসামি কামাল হোসেন জনিকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    ঘটনার প্রায় দুই বছর পর, গত ৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ দুপুরে চট্টগ্রামের সদরঘাট থানাধীন মাদারবাড়ি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। জনি ‘কাসিম’ ছদ্মনামে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় পলাতক ছিলেন।

    জিজ্ঞাসাবাদে জনি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন বলে ডিবি জানিয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন, ঘটনার দিন (৫ অক্টোবর ২০২৩) রাত আনুমানিক একটার দিকে তিনিসহ মোট চারজন ভুক্তভোগীর বসতঘরে সরাসরি আগুন লাগিয়ে দেন। ডিবি আরও জানায়, সম্পত্তির বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। ঘটনার তিন থেকে চার দিন আগে একটি বাগানে বসে হত্যার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করা হয়েছিল।হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই জনি আত্মগোপনে চলে যান। তিনি প্রথমে ফেনীর ছাগলনাইয়া এবং পরবর্তীতে ‘কাসিম’ ছদ্মনাম ধারণ করে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন।গ্রেফতার এড়াতে তিনি নিজের নামে কোনো মোবাইল ফোন বা সিম কার্ড ব্যবহার করতেন না। ডিবি’র একটি দল টানা তিন দিনের অভিযানের পর তাকে মাদারবাড়ি এলাকা থেকে আটক করতে সক্ষম হয়।

    জনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার মাস্টারমাইন্ড ও ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি। তবে তদন্তের স্বার্থে আপাতত তাদের নাম গোপন রাখা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর রাতে বিরিঞ্চি এলাকায় সহিদুল ইসলামের বসতঘরে অগ্নিসংযোগে তার দুই শিশু সন্তান মাহিদুল ইসলাম শাহাদাত (১৩) ও তানজিদুল ইসলাম গোলাপ (০৬) আগুনে পুড়ে মারা যায়। এ ঘটনায় নিহত শিশুদের পিতা সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে ফেনী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে ফেনী মডেল থানার মামলা নং ১৫ (তারিখ-০৫/১০/২০২৩) রুজু হয়, যার ধারাগুলো হলো-৪৩৬/৩০২/৩২৪/৩০৭/৪২৭/৩৪ পেনাল কোড। প্রথমে ফেনী মডেল থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করলেও পরবর্তীতে এর গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়।

  • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের গুরুত্ব এবং গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা” শীর্ষক মত বিনিময় সভা  

    সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের গুরুত্ব এবং গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা” শীর্ষক মত বিনিময় সভা  

    কাপ্তাই প্রতিনিধি: 

    গণতন্ত্র ও সুশাসন একে অপরের পরিপূরক। এ দুটি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া গুজব প্রতিরোধ এবং আইন শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় “সু-শাসন প্রতিষ্ঠায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের গুরুত্ব এবং গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা”  শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ মন্তব্য করেন।

    গণমাধ্যম হলো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং সমাজের দর্পণ। সমাজের সু- বিচার ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় এবং মানুষের মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

    বুধবার (৫নভেম্বর)সকাল ১১টায় চট্রগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিস( পিআইডি) এর আয়োজনে এবং কাপ্তাই তথ্য অফিস ও কাপ্তাই  উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায়  উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষ কিন্নরীতে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসার জিএম সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. সাঈদ হাসান।

    প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই কাপ্তাই সহকারী তথ্য অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা বাপ্পী চক্রবর্তী।

    এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং।

    অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান,   হেডম্যান থোয়াই অং মারমা,  কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সভাপতি কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত, রাজস্থলী প্রেসক্লাবের সভাপতি আজগর আলী খান,দৈনিক সংগ্রাম  কাপ্তাই প্রতিনিধি মাহফুজ আলম,  বিলাইছড়ি প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক অসীম চাকমা, রাজস্থলী উপজেলা বেতার  প্রতিনিধি হাবিবুল্লাহ মেজবাহ, রাজস্থলী উপজেলা ইনকিলাব প্রতিনিধি মো: আইয়ুব চৌধুরী, রাজস্থলী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু কান্তি নাথ। এসময় কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি কর্মরত সংবাদকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা ও উপজেলার সুশীল সমাজের নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

  • দাগনভূঁঞা উপজেলায় ডা: মানিকের গণসংযোগ

    দাগনভূঁঞা উপজেলায় ডা: মানিকের গণসংযোগ

    আবুল হাসনাত তুহিন, ফেনী:-

    “আমাদের দায়ীত্ব,ক্ষমতা, কর্মতৎপরতা জনগণের জন্য নিবেদিত,ইনশাআল্লাহ”- ডা: মো: ফখরুদ্দিন মানিক।

    দাগনভূঁঞা উপজেলার সদর ইউনিয়নের লেংগারটেক বাজারে গণসংযোগ কালে ফেনী-৩ দাগনভূঁঞা-সোনাগাজী আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা ডা: মো: ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, এক যুগের অধিক সময় ধরে দাগনভূঁঞা-সোনাগাজী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের সাথে আছি।

    বিগত আওয়ামী দু:শাসনে ৮০ অধিক মামলার ফেরারী হয়ে মাঠ ছাড়িনি। সকল সংকটে,বিভিন্ন উৎসবে সাধ্য এবং সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে জনগনের পাশে ছিলাম। আমাদের দায়ীত্ব ক্ষমতা কখনো জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন করবেনা। বরং সকল সুযোগ জনগনের জন্য নিবেদিত হবে। আমরা মাটি এবং মানুষের সাথে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করবো। আমাদের তরুন এবং যুবকরা হবে স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্বারথী। যুবকদের নিয়ে আমরা সপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।
    গণসংযোগে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আলা উদ্দিন মিষ্টার,ইউনিয়ন সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, জামায়াত নেতা সালাহ উদ্দিন সোহেল সহ নেতৃবৃন্দ।

  • শরীয়তপুরে বিএনপির ৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা, দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উদ্দীপনা

    শরীয়তপুরে বিএনপির ৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা, দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উদ্দীপনা

    শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। প্রার্থী ঘোষণার পর জেলার সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

    জানা গেছে, শরীয়তপুর-১ (পালং, জাজিরা ও সদর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম

    শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-ভেদরগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন, জেলা সভাপতি শফিকুল ইসলাম কিরণ।

    শরীয়তপুর-৩ (গোসাইরহাট-ডামুড্যা) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব মিয়াঁ নুরুদ্দিন আপু।

    প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দলীয় কার্যালয়গুলোতে আনন্দ মিছিল, দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন পর নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে দলের তৃণমূল পর্যায়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

    শরীয়তপুর জেলার সভাপতি শফিকুল ইসলাম কিরণ বলেন,“আমরা জনগণের ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে চাই। শরীয়তপুরের মানুষ বিএনপির পাশে আছে, ইনশাআল্লাহ বিজয় আমাদের হবেই।”

    অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, তারা ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন। ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের সাথে যোগাযোগ এবং সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রার্থী ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত এক তরুণ নেতা বলেন,

    “আমরা অনেকদিন পর আবার নতুন আশায় বুক বেঁধেছি। শরীয়তপুরে বিএনপির জয় নিশ্চিত করতে সবাই মাঠে কাজ করব।”

    স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শরীয়তপুরের তিনটি আসনেই এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। বিএনপির সক্রিয় অংশগ্রহণে জেলায় নির্বাচনের মাঠ আরও সরব হয়ে উঠেছে।

  • ফ্রান্সভিত্তিক সাংবাদিক সংস্থা  সাংবাদিক শফিকুলকে সহায়তা দিল

    ফ্রান্সভিত্তিক সাংবাদিক সংস্থা সাংবাদিক শফিকুলকে সহায়তা দিল

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন। স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে তিনি এমন হুমকির মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

    ঘটনার পর ফ্রান্সভিত্তিক সাংবাদিক অধিকার সংস্থা ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস’ (RSF) এ বিষয়ে অবহিত করা হয়। পরে সংস্থাটি শফিকুল ইসলামকে সহায়তা হিসেবে ৭০০ ইউরো (প্রায় এক লাখ টাকা) প্রদান করেছে।

    গত ২০ জুলাই অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা অ্যাফেয়ার্স–এ “রায়পুরায় নদীতে অস্ত্রবাজি, বালু দস্যুদের তাণ্ডব” শিরোনামে ও গত ২৫ জুলাই জাতীয় দৈনিক “প্রতিদিনের সংবাদ” এ “মেঘনায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বালু উত্তোলন,আতঙ্কে এলাকাবাসী” শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী সাংবাদিক শফিকুল ইসলামকে হুমকি দিতে থাকে। এ ঘটনায় তিনি রায়পুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    বিষয়টি জাতীয় ও স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি আলোচনায় আসে।

    রায়পুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন বলেন, “মেঘনা নদীতে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বালুখেকোরা অবৈধভাবে বালু তুলছে। আমাদের সহকর্মী শফিকুল ইসলাম সাহসিকতার সঙ্গে এই অনিয়ম তুলে ধরেছেন। তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন ছিলাম, তবে আরএসএফের আর্থিক সহায়তা তাঁর জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।”

    প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও শফিকুল ইসলামের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয় এবং তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

  • কাপ্তাইয়ের চিংম্রং শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন 

    কাপ্তাইয়ের চিংম্রং শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের ঐতিহ্যবাহী  চিংম্রং শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ভোর ৫টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দানোৎসব২৫ চিংম্রং মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

    চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারের দায়ক দায়িকাবৃন্দের আয়োজনে দানোত্তম অনুষ্ঠিত হয়। কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন উপলক্ষে দূর্গম পার্বত্যঞ্চল হতে হাজার হাজার পুন্যার্থী চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে চীবর নিয়ে আসে।এবং এগুলো দান করে।এবং  যাথাযথ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

    এসময় সকলে বিশ্ব শান্তি কামনায় দোয়া, বুদ্ধবন্দনা,ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন,পূজনীয় ভিক্ষুকে পিন্ডদান সংঘসহ নানা বৌদ্ধ ধর্মীয় আয়োজন করা হয়।

    এ উপলক্ষে চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে মাঠজুরে হরেকরকমের পসড়া নিয়ে বসে ব্যবসায়ীরা। পরে দুপুর ১টায় আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব হলাথোয়াই অংমারমার সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন ভদন্ত পামোক্ষা মাহাথের,বাংলাদেশ পার্বত্য জেলা রাজ নিকায় মার্গের  মাহাসংঘ নায়ক ও অধ্যক্ষ চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির আহবায়ক মংসুইপ্রু মারমা।

    বক্তব্য রাখেন ধর্মদেশক ভদন্ত সুমেধানন্দ মাহাথেরো অধ্যক্ষ ওয়াগ্গা জনকল্যাণ বৌদ বিহার, ধর্মদেশক উঃওয়ানাসারা থের চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার। এবং বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ, রাঙামাটি জেলা মারমা ঐক্য পরিষদ সভাপতি সাইজামং মারমা,রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি সার্কেল নুরুল আমিন,রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ও হেডম্যান ক্যজমং মারমা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহাজাহান কামাল (ওসি),রাঙামাটি জেলা বিএনপির যুগ্নসম্পাদক দিলদার হোসেন, দেবজ্যোতি চাকমা, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ ইয়াছিন মামুন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া   ও ২৯৯নং আসনের মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান পক্ষ হতে কঠিন চীবর দানোৎসব প্রদান করা হয়। এবং ধর্মীয় নেতাদের নিকট বিএনপির পক্ষ হতে দোয়া চাওয়া হয়।

    এসময় হাজার হাজার দায়ক,দায়িকা, ও পূজারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এর কাপ্তাইয়ে পরিদর্শন

    চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এর কাপ্তাইয়ে পরিদর্শন

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো জিয়াউদ্দিন সোমবার ( ৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় দর্শন করেন।

    পরে বিভাগীয় কমিশনার ১০০নং ওয়াগ্গা মৌজার হেডম্যান কার্যালয় পরিদর্শন করে। এসময় হেডম্যান, কারবারি ফুল দিয়ে বিভাগীয় কমিশনারকে স্বাগত জানান।পরে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারের রাজস্ব আদায়ে হেডম্যান, কারবারিরা পাহাড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।সেই তুলনায় তাদের সম্মানি ভাতা খুবি কম।কি ভাবে হেডম্যান,কারবারিদের সম্মানি বৃদ্ধি করা যায় সরকার সে বিষয়ে বিবেচনা করছে বলে জানান। এর আগে বিভাগীয় কমিশনার শিলছড়ি ৩৫আনসার ব্যাটালিয়ন মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এর পূর্বে নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    দর্শনকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক হাবিব উল্লাহ, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ মহাপরিচালক ড: মো: সাইফুর রহমান, রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেলী রুদ্র, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই থানার ওসি মোহাম্মদ কায় কিসলু, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, কাপ্তাই ওয়াগ্গা টি লিমিটেডের পরিচালক খোরশেদুল আলম কাদেরী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর হারুনুর রশিদ সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর পূর্বে সকাল ১১টায় বিভাগীয় কমিশনারকে রোভার স্কাউটস, শিল্প কলা একাডেমির পক্ষ হতে দু’পাশে দাড়িয়ে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।এবং জাতীয় পতাকার মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা গার্ড অব অনাদের মাধ্যমে ছালাম দেয়া হয়।

  • ফেনীতে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা, প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    ফেনীতে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা, প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    আবুল হাসনাত তুহিন ,ফেনী:-

    বৈষম্য বিরোধী মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার নামে “ওসি ডিবি ফেনী” হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা।প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, ৯টি মোবাইল সেটসহ ৮১ টি মোবাইল সিম উদ্ধার।

    মর্ম সিংহ ত্রিপুরা, পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র), অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডি বি), ফেনী জেলা গত ১১/১০/২০২৫ তারিখে স্থানীয় গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারেন যে মোবাইল সিম নং- ০১৭২৭****** ব্যবহার কারী অজ্ঞাত নামা আসামি ও আসামিদের, কয়েকদিন আগে হতে ফেনী ডিবি বা ওসি ডিবি পরিচয় দিয়ে অথবা ওসি ডিবির নাম “মর্ম সিংহ ত্রিপুরা” পরিচয়ে অজ্ঞাত নামা আসামিরা বিভিন্ন জনের সাথে প্রতারণা করে আসছে। পরবর্তীতে তিনি মোবাইল স্ক্রীন শর্টের ছবি পান যে, অজ্ঞাত নামা আসামী বা আসামীরা মোবাইল সিম নং-০১৭২৭****** টির মাধ্যমে Profile Picture এ বর্তমানে ও সি ডিবি হিসাবে কর্মরত মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এর পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় চেয়ারে বসা হাফ ছবি এবং Cover Picture এ পুলিশের উর্ধতন অফিসারের সরকারী গাড়ীর ছবি আপলোড করে “ওসি ডিবি ফেনী” নামে হোয়াটস একাউন্ট খুলেছে। সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী না হয়েও অজ্ঞাত নামা আসামি বা আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে মোবাইল ডিভাইসে মোবাইল সিম দ্বারা হোয়াটস এপ একাউন্ট খুলে পুলিশের পোষাক পরিহিত ছবি ব্যবহার/ আপলোড করে এবং পুলিশের গাড়ীর ছবি ব্যবহার/ আপলোড করে পুলিশ তথা সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসাবে মিথ্যা পরিচয় দেয়। প্রাথমিক অনুসন্ধান, ঘটনার সহিত জড়িত আসামিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পর ফেনী জেলার ওসি ডিবি মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ফেনী মডেল থানার মামলা নং ৬। তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ হন ডিবির এস আই তানিম।
    ফেনী জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এর সার্বক্ষণিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র অফিসার ইন চার্জ জনাব মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এর প্রত্যক্ষ তদারকীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ ডিবি টিম অভিযানে নামে। অভিযান পরিচালনা করে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন,১। মোঃ জয়নাল (৪০), পিতা-আবু বকর, গ্রাম- ঘর দুয়ারা, থানা-রাউজান, জেলা-চট্টগ্রাম।২। মোঃ ইমরান (২৬), পিতা-মৃত ইসমাইল চৌধুরী, মাতা-রোশনারা বেগম, সাং-চৌধুরী বাড়ি, ঢেমশা দক্ষিণ ওমর পালা, ইউনিয়ন-নলুয়া, থানা-সাতকানিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম এর নিকট হতে ৪ টি মোবাইল সেট সহ ৩। আরিফুল ইসলাম আরমান (১৮), পিতা মোঃ আলাউদ্দিন, মাতা মোছেনা আক্তার লিপি, সাং- মিয়াজী বাড়ি, দক্ষিণ আবুপুর, ইউনিয়ন-শর্শদি, থানা-ফেনী সদর, জেলা-ফেনী। প্রাথমিক ভাবে উক্ত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করে। তাদের মোবাইল ফোন যাচাই করে এবং তাদের স্বীকারোক্তি মতে ৪। মাহাবুবুর রহমান (৫৬), পিতা-মৃত মোঃ হোসেন, গ্রাম- বিবিরহাট, সোহেল ম্যানশন, মুরাদপুর, থানা-পাঁচলাইশ, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নিকট হতে ০১ টি মোবাইল সেটসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের হেফাজত হতে ৮১টি সীম ও ৯টি মোবাইল পাওয়া যায়।

    মর্ম সিংহ ত্রিপুরা ওসি ডিবি ফেনী জানান,তাদের মোবাইল ফোন যাচাই করে এবং প্রাথমিক তদন্তকালে জানা যায় আসামি মাহবুবুর রহমান সহ আসামিরা প্রতারিত করার ভিকটিম এর নাম্বার সংগ্রহ করে। নিজেরা বিভিন্ন সিম ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন সরকারী অফিসারের নাম, ছবি বা লোগো আপলোড করে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে চাকুরী দেবার, মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার ইত্যাদি নাম করে ভিকটিমদের ফোন দিয়ে ও মেসেজের মাধ্যমে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়।

    জব্দ কৃত মোবাইলে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। ফেনী ওসি ডিবির নাম করে বৈষম্য বিরোধী মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার নাম করে কথোপকথনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। জব্দকৃত মোবাইলে পুলিশ অফিসারদের ডাউনলোড করা ছবি, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নামের তালিকা সহ মোবাইল নাম্বার পাওয়া যায়। এছাড়াও তারা সরকারী নিয়োগ ও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে কার্য উদ্দরের কথা বলে গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রতারণা করে থাকে বলে জানা যায়।

    আসামিদের নামে পূর্বেও এমন প্রতারণা করার মামলা আছে। আসামিরা একটা বিশাল প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছে মর্মে জানা যাচ্ছে। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। আসামীদের’কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।