Blog

  • চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতির বদলী প্রত্যাহারের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন 

    চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতির বদলী প্রত্যাহারের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    জাতীয়তাবাদী বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতির বদলী ও মামলা প্রত্যাহার দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন করেছে বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৮টা হতে ৯টা পর্যন্ত  কাপ্তাই বিদ্যুৎশ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-১৮৮৬)শাখার আয়োজনে  কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র শাখা ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

    মানববন্ধনে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য বলেন, পতীত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনার শ্রমিক লীগের দালালদের অপসারণ চায়।এবং আ’লীগের দোসর বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ কর্তৃক (জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অন্তর্ভুক্ত সংগঠন) চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-১৮৮৬)এর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমানসহ চার নেতৃবৃন্দের বদলি, হামলা ও মামলা প্রতিবাদ জানান।

    কাপ্তাই বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন জানান, আ’লীগ বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ বিদ্যুৎ সেক্টরে বসে ষড়যন্ত্র করছে। তাই জাতীয়তাবাদী বিদ্যুৎ প্রকৌশলীদের জানান,এসকল ষড়যন্ত্রকে পিছনে ফেলে একসাথে বসে সমাধান করার আহবান জানান। এবং বদলী প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেওয়া হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন( বি-১৮৮৬) শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুরশেদ আলম,কবিরুল ইসলাম কবির, আবুল মোয়াছেন,সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, যুগ্নসম্পাদক কাজী হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোরশেদ আলম, যুববিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

  • প্রধানমন্ত্রী আদাবর থানার ওসি জাহিদের খোঁজ নিলেন , হাসপাতালে পাঠানো হলো উপহার

    প্রধানমন্ত্রী আদাবর থানার ওসি জাহিদের খোঁজ নিলেন , হাসপাতালে পাঠানো হলো উপহার

    রিপোর্টার: শাফায়েত হোসেন।

    রাজধানীর আদাবর এলাকায় ছিনতাইকারীর হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ ইসলাম।

    জানাযায়, ১৬ জুন ২০২৬ ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী তার খোঁজখবর নেন এবং হাসপাতালের উদ্দেশে একটি উপহার পাঠান। এই উপহার পাঠিয়েছেন কামরুজ্জামান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদ এর মাধ্যমে।

    উপহার পেয়ে ওসি অনেক আনন্দ প্রকাশ করেন। এ সময় ওসি জাহিদ বলেন, এটি আমার জীবনের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। একজন প্রধানমন্ত্রী আমার জন্য উপহার পাঠিয়েছেন—এটি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছে।”

    তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সহকর্মীরা বিষয়টি জেনে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।

    ওসি জাহিদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যরা সবসময় জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাং দমনে নিজের দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো উপহারটি পৌঁছে দেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান জুয়েল।

    উল্লেখ্য, উপহার পাঠানোর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

  • Skrill vs Trustly betting – Vem tar hem vinsten?

    Direkt på problemet: Hastighet eller säkerhet?

    Du har precis öppnat en bettingkonto, klickar på insättningsknappen och väntar på den där magiska bekräftelsen. Här står två namn i rampljuset: Skrill och Trustly. En är en digital plånbok som lovar snabba överföringar, den andra en bank-linkad tjänst som skryter med skydd. Välj fel och du sitter fast med en tom plånbok. Så här ser skillnaden faktiskt ut.

    Transaktionshastighet – en raksträcka eller en slingrande väg?

    Skrill levererar i turbo-läge. Insättningar kan vara på kontot inom sekunder, uttag klaras av på 24-48 timmar. Det är som att trycka på en startknapp och se raketen lyfta. Trustly, å andra sidan, är lite mer som en pendeltågsresa – du hoppar på ditt bankkonto, väntar på bekräftelse, och när den är klar är pengarna där. I praktiken betyder det att du kan missa den där sista matchen om du inte räknar med några minuter extra.

    Avgiftsstrukturen – dolda kostnader eller transparenta?

    Här blir det knepigt. Skrill tar ofta en liten procentuell avgift på insättningar, särskilt om du använder en kredit- eller betalkort. Trustly är i regel avgiftsfri på insättningssidan, men kan ha en liten avgift på uttag beroende på din bank. Så om du är en högvolymspelare kan den lilla procentsatsen snabbt bli en betydande summa.

    Kontosäkerhet – lås eller frihet?

    Trustly har ingen egen plånbok att hacka; den fungerar som en bro mellan ditt bankkonto och bettingplattformen. Detta betyder färre ytor för hackare att attackera. Skrill har en egen wallet, vilket ger dig mer kontroll men också ett extra mål. Två-faktor-autentisering finns för båda, men om du redan har ett starkt bank-lösenord kan Trustly kännas säkrare.

    Användarupplevelse – enkelhet eller funktionalitet?

    Om du är en spelare som föredrar att bara fylla i ett belopp och gå vidare, är Skrill’s rena gränssnitt som en rakslaget espresso – snabbt, starkt, ingen krångel. Trustly kräver att du loggar in på din bank, vilket kan kännas som att ta en omväg men ger dig en extra bekräftelse på att du är den som gör transaktionen. Det är en fråga om vad du värderar mer: hastighet eller extra kontroll.

    Geografisk räckvidd – var kan du spela?

    Skrill finns i över 200 länder, så du kan slänga in en insättning från nästan var som helst. Trustly är begränsat till länder med stöd för deras bank-integration, främst EU-medborgare. Om du bor i Sverige är du i god form med båda, men om du reser eller har ett internationellt konto kan Skrill vara den säkrare kortet i handen.

    Slutgiltig jämförelse – vad säger siffrorna?

    Snabbhet: Skrill > TrustlyAvgifter: Trustly (insättning) ≈ Skrill (avgiftsfri på vissa kort) Säkerhet: Trustly (bank-link) > Skrill (egen wallet)Räckvidd: Skrill > Trustly

    Här är dealen: Vilken bör du välja?

    Om du jagar den där snabba insättningen för en live-match och är villig att betala en liten procentandel, kör Skrill. Om du föredrar att hålla dina pengar nära bankkontot, minimera avgifter och inte har bråttom med uttag, välj Trustly. Båda har sina fördelar, men för den ultimata bettingupplevelsen är kombinationen av snabbhet och bank-säkerhet nyckeln.

    Praktisk tip – testa båda innan du bestämmer dig

    Skapa ett testkonto, sätt in 100 kr med Skrill, gör samma med Trustly och mät hur snabbt de dyker upp på ditt bettingkonto. Känn efter hur processen känns. Den faktiska skillnaden kan vara mer subtil än vad du tror, men du kommer att veta exakt vad som passar din spelstil.

    Action: Gör ditt första insättningsval nu

    Gå till Skrill vs Trustly betting och välj den metod som matchar ditt tempo. Ingen tid att vänta – satsa smart idag.

  • কাপ্তাইয়ে মসজিদ ভিত্তিক শিশুগণ  শিক্ষকদের ২দিন ব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন 

    কাপ্তাইয়ে মসজিদ ভিত্তিক শিশুগণ  শিক্ষকদের ২দিন ব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন 

    নিজস্ব সংবাদদাতা,কাপ্তাই। 

    রাঙামাটি কাপ্তাইয়ে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তি শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়) কেন্দ্র শিক্ষকদের ২দিন ব্যাপী বুনিয়াদি সম্পন্ন হয়েছে।

    বুধবার  (১৭ জুন ২৬) সকাল সাড়ে আটায় মডেল মসজিদ ইসলামিক ফাউন্ডেশন কাপ্তাই, রাঙামাটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

    ইফা মডেল কেয়ারটেকার মুফতি মোঃ আনোয়ার হোসেন সাইফীর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই ইফা ফিল্ড সুপার ভাইজার  মোঃ নাছির উদ্দিন।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন উপ-পরিচালক মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী।

    প্রধান অতিথি বলেন,একজন শিক্ষক জ্ঞান অর্জন ও চর্চার মাধ্যমে সমাজ,পরিবার এবং কেন্দ্রের  মান উন্নয়ন করতে পারে। দুইদিনের প্রশিক্ষণে  বিভিন্ন বিষয়ের উপর কেন্দ্র শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া  দেয়া হয়েছে। সেই প্রশিক্ষণ পালনে সকল আগত শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।

    সমাপনীতে  প্রশিক্ষণ প্রদান করেন কাপ্তাই মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এর ইমাম মোঃ সোলাইমান, কাপ্তাই উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার ইন্সট্রাক্টর জিন্নাতুল নাহার,নুরুনী তালিমুল কুরআন বোর্ডের প্রশিক্ষক ও পরিদর্শক সলিম উল্লাহ খান ও রাঙামাটি ইসলামিক ফিল্ড অফিসার শামছুল ইসলাম।

    প্রশিক্ষণে  কাপ্তাই ও রাজস্থলী দুটি উপজেলার ৮০জন মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম এর কেন্দ্র শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

  • আদাবরে পুলিশের অভিযানে উত্তেজনা, আহত ওসি জাহিদ ও এসআই তরুণ; গ্রেফতার ৪

    আদাবরে পুলিশের অভিযানে উত্তেজনা, আহত ওসি জাহিদ ও এসআই তরুণ; গ্রেফতার ৪

    রিপোর্টার: শাফায়েত হোসেন।

    রাজধানীর আদাবর এলাকায় একটি বিকাশের দোকানে হামলার ঘটনার পর পুলিশের অভিযানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় আদাবর থানার ওসি জাহিদ ও সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) তরুণ আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
    স্থানীয় সূত্রের দাবি, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত বিকাশের দোকানে হামলা চালায়। ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা যায়।
    এরপর অভিযানে নামে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, তুরাগ হাউজিং এলাকার সাঈদ ব্যাপারীর পেট্রোল পাম্পের পেছনের সড়কে সন্দেহভাজনদের আটক করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এতে ওসি জাহিদ ও এসআই তরুণ আহত হন।
    এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। কয়েকজন বাসিন্দা নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এলাকায় ছিনতাই ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
    স্থানীয় রাজনৈতিক যুবদলের ৩০ নং ওয়ার্ড নেতা ইব্রাহিম হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, এলাকায় ছিনতাই ও মাদকসংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
    স্থানীয়দের একটি অংশ জানান, তারা এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা চান।

  • কাউখালীতে কিস্তিতে ক্রয়কৃত ওয়ালটন পন্যের পাওনা টাকা পরিশোধ ছাড়াই উল্টো গ্রাহকের পরিবার পেল সুরক্ষা সহায়তা

    কাউখালীতে কিস্তিতে ক্রয়কৃত ওয়ালটন পন্যের পাওনা টাকা পরিশোধ ছাড়াই উল্টো গ্রাহকের পরিবার পেল সুরক্ষা সহায়তা

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে ব্যতিক্রমী এ মানবিক কাজের আয়োজন করেন কাউখালী ওয়ালটন প্লাজা।

    ১৭ই জুলাই(বুধবার) বিকাল ৪ ঘটিকার সময় কাউখালী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ওয়ালটন প্লাজার অফিস কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    জানা যায়, উপজেলা সদর ইউনিয়নের বাশুরী গ্রামের মোঃ নুরুজ্জামান তালুকদার, ২৯ হাজার টাকা মূল্যে কিস্তিতে একটি ওয়ালটন মোবাইল ফোন ক্রয় করে, ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করে আকষ্মিক মৃত্যু বরন করেন। কিন্তু মৃত গ্রাহকের পরিবারের কাছে ওয়ালটনের “কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা” কার্ড থাকায় ক্রয়কৃত পন্যের বাকী ৪ হাজার টাকা না নিয়ে উল্টো গ্রাহকের পরিবারের হাতে নগদ ৪৬ হাজার টাকা আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রদান করেন, ওয়ালটন কতৃপক্ষ।
    উল্লেখ্য ২০২২ সাল থেকে দেশের একমাত্র ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি ওয়ালটন,তাদের গ্রাহকদের এ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। ওয়ালটনের পন্যে ক্রয়কারী গ্রাহকের মৃত্যুতে সর্বনিম্ম ২৫ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত,তাদের ক্রয়কৃত পন্যের মূল্যের উপর আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে মৃত গ্রাহকের দাফন বা সৎকারের জন্য সহায়তাসহ পরিবারের একজন সদস্যের চাকরির ব্যবস্থাও করা হয়।
    এছাড়াও ওয়ালটনের এই বিশেষ সুবিধার আওতায় নগদ ও কিস্তিতে পণ্য ক্রয়ে বিভিন্ন অফারের পাশাপাশি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,রিসোর্ট ও সুপার শপে বিশেষ ডিসকাউন্ট,প্লাজাভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবাও প্রদান করা বলে জানা গেছে।
    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন,  ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসের কাস্টমার রিলেশন বিভাগের ইনচার্জ নাহিদ ইসলাম,বরিশাল ডিভিশনের ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মোঃ আবু রায়হান এবং ওয়ালটন প্লাজা কাউখালী শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ ইয়ামিন আহম্মেদ।
    এ অনুষ্ঠানে অতিথি কাউখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা   মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন,এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজ এবং এই কোম্পানির প্রচার ও প্রসারের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। একজন গ্রাহকের মৃত্যুর পর তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
    ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মোঃ আবু রায়হান বলেন,ওয়ালটন শুধু পণ্য বিক্রিই করে না,গ্রাহক ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়েও গুরুত্ব দেয়।
    ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং গ্রাহকবান্ধব সেবা আরও সম্প্রসারিত করা হবে।

  • মামলা-হামলা ও হয়রানি করে সাংবাদিকদের দমিয়ে রাখা যাবে না

    মামলা-হামলা ও হয়রানি করে সাংবাদিকদের দমিয়ে রাখা যাবে না

    স্টাফ রিপোর্টার। 

    মামলা-হামলা ও হয়রানি করে সাংবাদিকদের দমিয়ে রাখা যাবে না। দুর্নীতি, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দেশের সাংবাদিকরা অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সোচ্চার ভূমিকা পালন করবেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

    তিনি ১৭ জুন  বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বগুড়ায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের লোকজনের দায়ের করা চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কথিত হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, মানবাধিকারকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

    আহমেদ আবু জাফর বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সত্য ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হলে তা শুধু সাংবাদিকদের নয়, জনগণের জানার অধিকারের ওপরও হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। তিনি বলেন, দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও সেই দায়িত্ব অব্যাহত থাকবে।

    তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনস্বার্থে যেসব অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য উঠে আসে, সেগুলো দমন করার জন্য মামলা বা হয়রানির পথ বেছে নেওয়া গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত। সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের যেকোনো অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    সমাবেশে বিডি মেসেজের সম্পাদক সাইফুল শিকদারসহ বিভিন্ন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, তথ্যভিত্তিক ও অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা উদ্বেগজনক এবং এটি স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চাপ সৃষ্টির শামিল।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদকে কেন্দ্র করে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকীসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তারা অবিলম্বে এসব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

    সমাবেশ থেকে বক্তারা সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং হয়রানিমূলক মামলা-হামলার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    শেষে অংশগ্রহণকারীরা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার ঘোষণা দেন।

  • Total Frames Snooker einschätzen

    Die Kernfrage

    Wie kann man die Anzahl der Frames in einem Snooker-Match präzise vorhersagen? Kurz gesagt: Mit einem Mix aus Statistik, Spieler-Profil und dem Bauchgefühl eines alten Profis.

    Statistische Basis

    Erstmal die harten Fakten. Werfen Sie einen Blick auf die durchschnittlichen Frame-Zahlen der letzten Saison – 6,2 für Top-8-Spieler, 4,7 für die unteren Ränge. Diese Zahlen sind Ihr Fundament, nicht Ihr Deckel.

    Spieler-Stil und Tempo

    Ein schneller Break-Builder wie Mark Selby produziert mehr Frames pro Stunde als ein defensiver Stratege. Und hier liegt das eigentliche Spielfeld: Kombinieren Sie die Tempo-Rate mit der Trefferquote. Wer 80 % seiner Versuche verwandelt, braucht weniger Frames, um zu gewinnen.

    Psychologie und Momentum

    Jetzt wird’s tricky. Ein Spieler im Flow kann ein 3-Frame-Defizit in einem Atemzug ausgleichen. Das ist keine Magie, das ist Momentum. Beobachten Sie die letzten fünf Matches, notieren Sie, ob ein Spieler häufig nach einem 0-1-Start zurückschlägt. Das ist ein klarer Hinweis.

    Der Einfluss der Tageszeit

    Am Nachmittag sind die Konzentrationsspannen kürzer, das führt zu mehr Fehlern – also mehr Frames. Nachts, wenn das Licht gedimmt ist, läuft das Spiel ruhiger. Ein einfacher Trick: Passen Sie Ihre Vorhersage um ±0,3 Frames an, je nach Spielzeit.

    Wetten und Risikomanagement

    Hier kommt das Geld ins Spiel. Setzen Sie nicht blind auf die reine Durchschnittszahl. Stattdessen bauen Sie ein Bandbreiten-Modell: Minimum, Erwartungswert, Maximum. Das reduziert das Risiko drastisch.

    Und hier ist der Deal: Nutzen Sie die Seite Total Frames Snooker einschätzen, um aktuelle Markt-Odds zu prüfen. Die Buchmacher haben ihre eigenen Modelle, die Ihnen wertvolle Daten liefern.

    Praktische Anwendung

    Schritt eins: Sammeln Sie die letzten zehn Spiele des jeweiligen Paares. Schritt zwei: Berechnen Sie den gewichteten Mittelwert – 70 % aktuelle Form, 30 % historische Daten. Schritt drei: Justieren Sie um das Momentum-Faktor-Delta.

    Und hier ist, warum das funktioniert: Sie kombinieren harte Zahlen mit weichen Faktoren. Das Ergebnis ist ein robustes Prediction-Tool, das selbst erfahrene Trader beeindruckt.

    Letzter Tipp

    Vertrauen Sie nicht ausschließlich auf Algorithmen. Setzen Sie immer einen kleinen Puffer von einem Frame ein, um unerwartete Überraschungen zu absorbieren. Das ist das Geheimnis, das die Profis nie verraten.

  • নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে    কাপ্তাইও রাজস্থলী উপজেলার কেন্দ্র  শিক্ষকদের ২দিন ব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ উদ্বোধন 

    নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে    কাপ্তাইও রাজস্থলী উপজেলার কেন্দ্র  শিক্ষকদের ২দিন ব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ উদ্বোধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাইয়ে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তি শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়) কেন্দ্র শিক্ষকদের ২দিন ব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়

    মঙ্গলবার (১৬ জুন২৬) সকাল সাড়ে আটটায় মডেল মসজিদ ইসলামিক ফাউন্ডেশন কাপ্তাই, রাঙামাটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

    ইফা মডেল কেয়ারটেকার মুফতি মোঃ আনোয়ার হোসেন সাইফীর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই ইফা ফিল্ড সুপার ভাইজার মোঃ নাছির উদ্দিন।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাঘাইছড়ি ফিল্ড সুপার ভাইজার মোঃ আলী আহসান ভূইয়া।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রায়হানুল ইসলাম। প্রধান অতিথি বলেন,একজন শিক্ষকের জ্ঞান অর্জন ও চর্চা করতে হবে।শিক্ষক বা একজন ইমাম এমন কোন বক্তব্য রাখবেন না  যেন সমাজে ফেতনা বা  বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে।আদর্শ শিক্ষক হিসাবে সমাজে সেবা বা নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার আহবান জানান।

    দুইদিন ব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে একজন আদর্শ শিক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য, পাঠদান পদ্বতি ও শ্রেণি ব্যবস্থাপনা,স্বাস্থ্য সচেতনতা ও রোগ প্রতিরোধ, নারী ও শিশু পাচার রোধ,নারী ও বাল্য বিবাহ, মাদকাশক্তি ও কিশোর গ্যাং ও পাঠ মূল্যায়নসহ বিবিধ বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

    প্রশিক্ষণ প্রদান করেণ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রুইহলা অং মারমা ও সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও সহকারী  শিক্ষক মোঃ শফিকুল আলম।

    কাপ্তাই ও রাজস্থলী দুটি উপজেলার ৮০ জন মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম এর কেন্দ্র শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

  • ডায়াবেটিস রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে গ্লুকোমিটার বিতরণ

    ডায়াবেটিস রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে গ্লুকোমিটার বিতরণ

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ডায়াবেটিস রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে গ্লুকোমিটার বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় জাজিরা ইউনিয়ন পরিষদ সভাকক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সামাজিক ও মানবিক সংগঠন উত্তোরণ যুব সোসাইটি, বুড়িরহাট, শরীয়তপুর সদর-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জাজিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান হাওলাদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা রিপন সাধু।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাজিরা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল ইমরান। তিনি বলেন, “ডায়াবেটিস একটি নীরব ঘাতক রোগ। নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা এবং সচেতনতার মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।” তিনি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করায় উত্তোরণ যুব সোসাইটিকে ধন্যবাদ জানান।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি যুব সমাজকে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান এবং এ ধরনের উদ্যোগকে সমাজের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রীন টিভির সাংবাদিক শাহাজাদী সুলতানা। তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
    প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উত্তোরণ যুব সোসাইটির উপদেষ্টা আমিনুল হক শাহ দুলাল। তিনি বলেন, সমাজের অসহায় ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    অনুষ্ঠানে ডায়াবেটিস রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে গ্লুকোমিটার বিতরণ করা হয় এবং তাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়। উপস্থিত রোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক ও স্বাস্থ্যসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
    প্রকাশযোগ্য সংবাদ হিসেবে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।