Blog

  • শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার

    শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, শরীয়তপুর:

    শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভা এলাকার কবিরাজ কান্দি গ্রামে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

    শনিবার (২০ জুন)-বিকেল ৩ ঘটিকার সময় ককটেল বোম বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে, খবর পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেমায়েত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত ও অভিযান পরিচালনা করেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণস্থল থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে স্থানীয় শাজাহান বেপারীর পারিবারিক কবরস্থান থেকে এক বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে, তারা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকৃত ককটেল ভর্তি বালতি জাজিরা থানায় নিয়ে যান।
    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেখানে বিস্ফোরণের আলামত ও পোড়া গন্ধ এখনও রয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি নালা ও পুকুর রয়েছে। আশপাশে কিছু বসতবাড়ি থাকলেও স্থানটি তুলনামূলক নির্জন। কবরস্থানের পাশেই একটি ঘর নির্মিত থাকলেও সেখানে কেউ বসবাস করে না। চারপাশে রয়েছে ফসলি জমি।
    ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে জানতে চাইলে নিকটবর্তী বাড়ির বাসিন্দা সুরুজ বেপারীর স্ত্রী বলেন, “আমরা নতুন বাড়ি নির্মাণ করেছি। অল্প কিছুদিন হলো এখানে আসা-যাওয়া করছি। সবসময় এখানে থাকি না। আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে, তাদের বয়স ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে। আমার স্বামী প্রবাসী । এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়েছে, চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে উদ্ধার অভিযান চালায়।”
    স্থানীয় বাসিন্দা লতিফ বেপারীর স্ত্রী বলেন, “আমার তিন ছেলে বাইরে থাকে, স্বামী কৃষিকাজ করেন। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানি না। তবে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি এবং চারদিকে ধোঁয়া দেখতে পেয়েছি। পরে শুনেছি কবরস্থান থেকে পুলিশ একটি বালতি উদ্ধার করেছে।”
    আরেক এলাকাবাসী নূর মোহাম্মদ শেখ, পিতা আব্দুল শেখ, জানান, “বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কারা করেছে বা কেন করেছে সে বিষয়ে কিছুই জানি না।”
    এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। তবে এ বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেয়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    জাজিরা থানার ওসি সালেহ আহমেদ বলেন, জাজিরা কবিরাজ কান্দি ককটেল বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, এক বালতি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। তদন্ত করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে কে বা কারা এ ঘটনার সাথে জড়িত। সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা জাজিরা থানা পুলিশ জাজিরা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে ককটেল বোমা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এ অভিযান চলমান আছে আইনশৃঙ্খলা  স্বাভাবিক রয়েছে।

  • মাদারীপুর শকুনি লেকপাড়ের ফুড কার্ট ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকুতি

    মাদারীপুর শকুনি লেকপাড়ের ফুড কার্ট ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকুতি

    ভ্রাম্যমান রিপোর্টার। 

    মাদারীপুরের ঐতিহ্যবাহী শকুনি লেকপাড় শুধু একটি বিনোদন কেন্দ্র নয়, এটি শত শত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পরিবারের জীবিকারও উৎস। প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীর সমাগমে এখানে গড়ে উঠেছিল প্রায় শতাধিক ফুড কার্ট, যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে কয়েকশো পরিবার।
    সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযানের ফলে ফুড কার্টগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী আজ চরম সংকটে পড়েছেন। কিস্তির টাকা, ঋণের চাপ, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ এবং সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। অনেক পরিবার আজ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
    ২১ জুন ফুড কার্ট ব্যবসায়ীরা মাদারীপুর পৌর প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানুর কাছে কাছে গিয়ে করজোড়ে আবেদন জানিয়েছেন “স্যার, আমাদের বাঁচার একটি সুযোগ দিন। আমরা নিয়ম মেনে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রেখে নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা করতে চাই। আমাদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা করে দিন।”
    ব্যবসায়ীদের দাবি, শকুনি লেকপাড়ের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সেখানে একটি নির্দিষ্ট ফুড কার্ট জোন বরাদ্দ দেওয়া হোক। এতে একদিকে যেমন শত শত পরিবারের জীবিকা রক্ষা পাবে, অন্যদিকে দর্শনার্থীরাও স্বল্প খরচে মানসম্মত খাবারের সুবিধা পাবেন।
    মানবিক কারণে বিষয়টি বিবেচনা করে শকুনি লেকপাড়ে ফুড কার্ট ব্যবসার জন্য একটি পরিকল্পিত স্থান নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

  • মাদারীপুরে ৭১ টিভির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    মাদারীপুরে ৭১ টিভির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    মাদারীপুর প্রতিনিধি:

    দেশের জনপ্রিয় সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ৭১ টিভির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (২১ জুন) মাদারীপুর প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    মাদারীপুরে ৭১ টিভির জেলা প্রতিনিধি আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাদারীপুর পৌরসভার পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জেসমিন আক্তার বানু।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহমেদ ফিরোজ ইলিয়াস।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন যুবদল নেতা এডভোকেট মাসুদ পারভেজ, মাদারীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেলাল রিজভী, সাংবাদিক রিপন চন্দ্র মল্লিক ও সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম আজম ইরাদ।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সফিক স্বপন, অভিজিৎ কর্মকার, আরাফাত হোসেন, সাব্বির হুসাইন আজিজ নাজমুল হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সাগর হোসেন তামিম।
    বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরে ৭১ টিভি দেশের গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। তারা চ্যানেলটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং ভবিষ্যতেও নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
    প্রধান অতিথি জেসমিন আক্তার বানু বলেন, সমাজ পরিবর্তনে নৈতিক অবক্ষয় রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের আন্তরিক আচরণে মুগ্ধ সাংবাদিক মহল

    মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের আন্তরিক আচরণে মুগ্ধ সাংবাদিক মহল

    রিপোর্টার,শাফায়েত হোসেন।

    গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের আন্তরিক আচরণ ও পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গিতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত সাংবাদিকরা।
    সম্প্রতি ঢাকা থেকে একটি অনুসন্ধানী টিম তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানায় গেলে সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন।
    আলোচনাকালে তিনি বলেন, সাংবাদিক ও পুলিশ—উভয়েই দেশের মানুষের জন্য কাজ করে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সত্য তুলে ধরেন, আর পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে। আমরা সবাই সব মানুষের কাছে ভালো হতে না পারলেও মানুষের সেবার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।
    তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা ও পুলিশিং—দুই পেশাই দায়িত্ব ও ঝুঁকিপূর্ণ। দেশের স্বার্থে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা চাই সমাজে সবাই মিলেমিশে থাকুক এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।
    অনুসন্ধান রিপোর্টার শাফায়েত হোসেন জানান, সাংবাদিক ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও পেশাগত মূল্যবোধ সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
    স্থানীয় সাংবাদিক মহল মনে করেন, জনগণের স্বার্থে কাজ করা বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে এমন আন্তরিক সম্পর্ক ও সমন্বয় সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।

  • পালেরচর–কাথুরিয়া মোহন ফকির কান্দি সড়কের উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন

    পালেরচর–কাথুরিয়া মোহন ফকির কান্দি সড়কের উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন

    জাজিরা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পালেরচর হাট–কাথুরিয়া মোহন ফকির কান্দি সড়কের চেইনেজ ১২৫০.০০ মিটার থেকে ২৩১০.০০ মিটার পর্যন্ত পূর্ণবাসন (উন্নয়ন) কাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২০ জুন) সকাল ১২ ঘটিকায় সময় পালেচর বাজার সংলগ্ন মাঠ প্রাঙ্গনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন, শরীয়তপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সাঈদ আহমেদ আসলাম।

    এ উপলক্ষে ২.৫ ফুট × ২ ফুট আকারের মার্বেল পাথরের ফলক উন্মোচন করা হয়।

    এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পালেচরহাট–কাথুরিয়া মোহন ফকির কান্দি সড়কের ১২৫০ মিঃঅংশের মধ্যে ২৩১০ মিঃ পূর্ণবাসন কাজের শুভ উদ্বোধন করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

    একটি এলাকার উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হলো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই সড়কের উন্নয়নের ফলে এলাকার মানুষের চলাচল আরও সহজ, সুন্দর হবে।
    আমি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানাই, যেন কাজটি নির্ধারিত সময়ে ও সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করা হয়।

    তিনি দলের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলবল নির্বিশেষে আমরা সবাই মানুষ একে অপরের সহযোগী এবং সহযোগী হয়েই সবাই দেশের উন্নয়নে কাজ করব। কেউ কোন মারামারি এবং বিশৃঙ্খলা করবেন না আর দেশের উন্নয়নে কাজ করতে যদি কোন সমস্যা হয় ভয় পাবেন না আমি আপনাদের পাশে আছি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পালেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল মালেক কিনুই শেখ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, পালেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স্বপন হাওলাদার। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মহসিন হাওলাদার।

    উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলার( এলজিইডি)
    এর নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রাফিউল ইসলাম এবং উপজেলা প্রকৌশলী ইমন মোল্লা।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ফরাজী, জাজিরা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টিটু আকন, পৌর বিএনপির সভাপতি নজরুল কাজী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন খান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুবেল সর্দার, বড়কান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সৈয়াল, জাসাস উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মৃধা এবং জাজিরা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহিন শিকদার, বিলাশপুর ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি আনোয়ার । উপজেলা মহিলাদলের সভাপতি রুমা হামিদ এবং জাজিরা ইউনিয়ন মহিলা দলের সভাপতি শাহাজাদী সুলতানা।
    এ সময় স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
    বক্তারা বলেন, সড়কটির উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে। তারা উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
    অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠান শেষে মাননীয় সংসদ সদস্য শরীয়তপুর -১ সাঈদ আহমেদ আসলাম ভাঙ্গন কবলিত এলাকা টলারে করে পরিদর্শন করেন।

  • শাহজাদপুরে আ.লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ জালাল গ্রেফতার

    শাহজাদপুরে আ.লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ জালাল গ্রেফতার

    স্টাফ রিপোর্টার, সবুজ হোসেন রাজা। 

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ জালাল মিয়াকে পাবনা থেকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশের একটি দল।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তাকে গ্রেফতার করে রাতেই শাহজাদপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।

    শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে শাহজাদপুর আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় শাহ জালাল মিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া শাহজাদপুর থানায় তার বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলাতেও তিনি আসামি। ওই মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহ জালাল মিয়া সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের মুখে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন উপাধ্যক্ষ শাহাদত হোসেন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তার কাছে আর্থিক হিসাব চাইলে তিনি অসদাচরণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য মো. লুৎফুর রহমান লাল মিয়ার হাতের একটি আঙুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

    এদিকে, গ্রেফতারকৃত আওয়ামী লীগ নেতার ভাগিনা জামিল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শাহ জালাল মিয়া তার নানা-নানীর সম্পত্তি জোরপূর্বক নিজের নামে লিখে নেন এবং তাদেরকে বাসায় আটকে রেখে নির্যাতন করতেন। তিনি দাবি করেন, তার মা ও খালাদের নানা-নানীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হতো না। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করে মৃত্যুবরণ করেন।

    জামিল হোসেন আরও অভিযোগ করেন, শাহ জালাল মিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক হলেও অতীতে দলের রাজনীতির সঙ্গে তার তেমন সম্পৃক্ততা ছিল না। অর্থের বিনিময়ে পদ লাভ করে তিনি সেই প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িয়ে পড়েন। সরকারি দলের প্রভাব ব্যবহার করে তাদের পরিবারের ওপর বিভিন্ন সময় নির্যাতন চালানো হয় এবং বাড়িছাড়া করারও চেষ্টা করা হয়। এছাড়া ভূমিহীনদের সরকারি জমি লিজ দেওয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

    শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনা জেলার শালগারিয়া এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে শাহ জালাল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেম উদ্দিন তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

  • শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরমে কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রধান ফটকের সামনে সড়কটির বেহাল অবস্থা 

    শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরমে কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রধান ফটকের সামনে সড়কটির বেহাল অবস্থা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রধান ফটকের সামনে সড়কটির বেহাল অবস্থা। তিন পার্বত্য জেলা তথা  রাঙামাটি জেলার  কাপ্তাই উপজেলায়  সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনের সড়কটির বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

    দীর্ঘ বছর যাবত এ সড়কের কোন উন্নয়ন কাজ করা হয়নি। ফলে এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অত্র ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী ক্লাস করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছে। সড়ক দিয়ে চলাচল করার সময়  ময়লা ও কাদামাটি শিক্ষার্থীর শরীরে পরে শেষ মেষ ক্লাস করতে পাড়ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে।

    কম্পিউটার বিভাগের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান সৌরভ জানান, ইন্সটিটিউটের প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থায় আমরা বিভিন্ন সমস্যা পড়েছি। চলাচলের সময় ময়লা,কাদামাটি ছিটকে  আমাদের শরীরে পড়ছে।যার ফলে ময়লা ও কাদামাটি নিয়ে ক্লাস করা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

    সড়কটি নিয়ে দিন দিন অসন্তোষ বাড়ছে। এসড়ক দিয়ে বাংলাদেশ  নৌবাহিনী শহীদ মোয়াজ্জম ঘাঁটি, কাপ্তাই বন বিভাগ, বাংলাদেশ বন শিল্প কারখানা,পুলিশ সার্কেল অফিস সহ বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের যাতায়াত করে।এবং প্রতিদিন হাজার হাজার লোকসহ রাঙামাটি পর্যটক এ সড়কটি দিয়ে চলাচল করছে।

    সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রধান ফটকের সামনে ছোট,ছোট গর্ত হওয়ার ফলে জনসাধারণের বড় সমস্যা সৃষ্টি হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগ সেকশন-১ এর দায়িত্ব থাকা এ সড়কের কোন নজরদারি নেই বললেই চলে।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রূপক কান্তি  বিশ্বাস জানান, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনের সড়কটির বেহাল অবস্থা। শিক্ষার্থী চলাচল করতে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। সড়ক দিয়ে চলতে বা ক্লাস করতে এসে শিক্ষার্থী ময়লার কবলে পড়ছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার জন্য প্রশাসনিক ভাবে অবগত করার পরও কোন সুরাহ হয়নি।

    রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগ সেকশন-১ এর নিকট একাধিক বার ফোন করে  জানতে চাওয়া হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত উক্ত সড়কটি সংস্কার করার দাবি জানান।

  • কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    বিশেষ প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।

    জানা যায়, বৃহস্পতিবার(১৮ জুন)পরিচালিত অভিযানে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আনোয়ার হোসেনের নির্দেশনায় এসআই মো: মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন শিয়ালকাঠি এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো: শফিকুল ইসলাম (২৩), পিতা খলিলুর রহমান এবং মো: ইমরান হাওলাদার (৩০), পিতা দুলাল হাওলাদার।

    আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতের প্রেরণ করা হয়েছে।

  • পরিবেশ সংরক্ষণে কাপ্তাই সেনাজোনের  উদ্যোগ: প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ অভিযান 

    পরিবেশ সংরক্ষণে কাপ্তাই সেনাজোনের  উদ্যোগ: প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ অভিযান 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙ্গামাটির কাপ্তাই সেনাজোনের উদ্যেগে  প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে  প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার(১৮জুন)  কাপ্তাই জোনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অভিযানের আওতায় কাপ্তাই আর্মি ক্যাম্প এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ এবং আশপাশের জনসমাগমস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল ও অন্যান্য পরিবেশ দূষণকারী বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়।

    অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা পরিবেশ সংরক্ষণে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করেন এবং পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ ধরনের কার্যক্রম পরিবেশ দূষণ হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

    কাপ্তাই জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী সপ্তাহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে কাপ্তাই নতুন বাজার এলাকা, পিডিবি এলাকা এবং বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এলাকায় অনুরূপ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

  • Implied Probability Tennis

    Was steckt wirklich hinter der impliziten Wahrscheinlichkeit?

    Hier ist die Sache: Wenn du den Buchmacher-Quoten in die Augen fasst, bekommst du sofort das Bild einer versteckten Prozentzahl, die das wahre Ergebnis voraussagt. Diese implizite Wahrscheinlichkeit ist kein bloßer Schätzwert, sie ist das Ergebnis einer mathematischen Umkehrung der Quote – und das schnell erklärt, kann sie deine Wettstrategie revolutionieren.

    Der schnelle Rechenweg

    Take it easy: Quote 2,00? Das heißt, du teilst 1 durch 2,00 und bekommst 0,5 – also 50 % implizite Wahrscheinlichkeit. Quote 1,50? 1 ÷ 1,50 = 0,666… – 66,7 % Chance. Und das Ganze funktioniert bei Dezimal- und amerikanischen Quoten gleichermaßen, solange du den richtigen Divisor wählst.

    Warum die Zahlen oft trügen

    Schau, die Buchmacher bauen ihre Marge ein – das ist der schmutzige Gewinn, den sie aus deiner Hoffnung schöpfen. Das Ergebnis: Die Summe aller impliziten Wahrscheinlichkeiten übersteigt 100 %. Das nennt man Overround. Wenn du das nicht erkennst, spielst du mit einem versteckten Handicap.

    Wie du den Overround ausklammerst

    Hier ist der Deal: Nimm alle impliziten Wahrscheinlichkeiten deiner Favoriten, addiere sie und zieh das Ergebnis von 100 % ab. Der Rest ist die Buchmacher-Marge. Beispiel: Drei Spieler mit Quoten 1,80, 2,20 und 3,00 ergeben Wahrscheinlichkeiten von 55,6 %, 45,5 % und 33,3 %. Summe = 134,4 %. Overround = 34,4 % – das ist dein Verlustpuffer.

    Den echten Wert finden

    Um die reale Chance zu bestimmen, musst du die Marge proportional auf jede Wahrscheinlichkeit zurückrechnen. Das machst du, indem du jede implizite Wahrscheinlichkeit durch die Gesamtsumme (inkl. Overround) teilst und mit 100 % multiplizierst. So bekommst du die bereinigte Prozentzahl, die du wirklich für deine Entscheidung nutzen solltest.

    Praktischer Einsatz im Live-Wetten

    Wenn du während eines Matches auf den nächsten Break oder das Spielende wettest, ändern sich die Quoten ruckartig. Das bedeutet: Die implizite Wahrscheinlichkeit schwankt ebenso. Ein kurzer Blick auf die aktuelle Quote, sofort umgerechnet, liefert dir ein Echtzeit-Signal, ob das Spiel gerade in deine bevorzugte Richtung kippt.

    Ein Beispiel aus der Praxis

    Stell dir vor, du beobachtest ein Wimbledon-Match. Der Server hat gerade 1,40 im Spiel. Das ist 71,4 % implizite Wahrscheinlichkeit. Der Overround liegt bei 12 %. Nach Bereinigung kommt die reale Chance auf etwa 63 %. Das ist die Zahl, die du mit deiner eigenen Analyse (z. B. Aufschlagstatistik) vergleichst.

    Der entscheidende Trick

    Vertrau nicht blind auf die Quote. Nutze die Formel, korrigiere den Overround, und du bekommst die wahre Chance. Dann setzt du nur noch, wenn deine eigene Einschätzung die bereinigte Wahrscheinlichkeit übertrifft. Das ist das Geheimnis, das die Profis kennen und die Anfänger ignorieren.

    Ein letzter Hinweis

    Willst du tiefer einsteigen? Dann schau dir den ausführlichen Guide zu Implied Probability Tennis an. Und vergiss nicht: Die beste Wette ist die, die du nie machst, weil du die Zahlen richtig gelesen hast. Jetzt geh und rechnere.