Blog

  • সুন্দরবনে বন বিভাগের ‘স্মার্ট টিম’-এর গুলিতে জেলে নিহত, উত্তাল উপকূল

    সুন্দরবনে বন বিভাগের ‘স্মার্ট টিম’-এর গুলিতে জেলে নিহত, উত্তাল উপকূল

    মো: আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    ​পশ্চিম সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় কাঁকড়া আহরণের সময় বন বিভাগের স্মার্ট পেট্রোলিং টিমের ছোড়া গুলিতে আমিনুর রহমান গাজী (৪৫) নামের এক জেলে নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    আজ সোমবার (১৮ মে) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে খুলনা রেঞ্জের নলিয়ান স্টেশনের আওতাধীন শতমুখী খাল বা বাটলো অভয়ারণ্য এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    দুপুর দেড়টার দিকে নিহতের সহকর্মীরা আমিনুরের গুলিবিদ্ধ মরদেহ নিয়ে লোকালয়ে ফিরে এলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
    ​নিহত আমিনুর রহমান গাজী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরা গ্রামের মৃত আকছেদ গাজীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কার্ডধারী বৈধ সুন্দরবনজীবী (জেলে)।

    নিহত আমিনুরের সঙ্গে থাকা অন্য তিন সহকর্মী—আহাম্মাদ আলী, সেলিম ও রমজান জানান, তারা গত ১৩ মে সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে বৈধ পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে কাঁকড়া আহরণের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন।
    ​সহকর্মী জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, রোববার রাতে তারা যখন নৌকায় ঘুমিয়ে পড়েন, তখন প্রবল বাতাসের টানে তাদের নৌকাটি নদী পার হয়ে অভয়ারণ্য (নিষিদ্ধ) এলাকার দিকে চলে যায়।

    আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে তারা সেখান থেকে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের একটি স্মার্ট পেট্রোলিং টিম তাদের আটক করে।

    জেলেদের দাবি, বনকর্মীরা তাদের নৌকাটি আটকে রেখে চার জেলেকে গহীন বনের মধ্যে নেমে চলে যেতে বলে। কিন্তু জেলেরা জীবিকার একমাত্র অবলম্বন নৌকাটি না দিয়ে চলে আসার চেষ্টা করলে নলিয়ান স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে টহল দল তাদের লক্ষ্য করে পেছন থেকে গুলি ছোড়ে। এতে আমিনুর রহমান গাজী সরাসরি গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর বনকর্মীরা তাকে কোনো উদ্ধার বা চিকিৎসার ব্যবস্থা না করেই ফেলে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে লোকালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হলেও পথেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আমিনুরের মৃত্যু হয়।
    ​

    নিহত জেলের মরদেহ দুপুরের দিকে গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় এসে পৌঁছালে স্থানীয় সুন্দরবনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিকেল ৪টার দিকে বিক্ষুব্ধ কয়েকশ বনজীবী ও এলাকাবাসী সাতক্ষীরা রেঞ্জ অফিস ও বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিস ঘেরাও করে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।

    খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম মাসুদুল আলম গণমাধ্যমিকে বলেন, বৈধ পাস নিয়ে বনে যাওয়া একজন জেলের ওপর এভাবে গুলি চালানো মেনে নেওয়া যায় না। আমি বিষয়টি খুলনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও), সাতক্ষীরার সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় থানাকে তাৎক্ষণিক ভাবে অবহিত করেছি। ডিএফও সাহেব আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ​শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতের পরিবারের আইনগত পদক্ষেপ ও সুরতহাল রিপোর্টের প্রক্রিয়া চলছে।

    ঘটনার বিষয়ে সরাসরি দায় স্বীকার না করলেও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চলছে।
    ​সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, স্মার্ট পেট্রোলিং টিমের পক্ষ থেকে অফিশিয়ালি তাদের এখনও কোনো প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি। তবে জেলের মৃত্যুর অভিযোগটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রক্রিয়া চলছে এবং বনরক্ষীদের কারও সরাসরি সংশ্লিষ্টতা বা আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে বিভাগীয় ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কাপ্তাই তথ্য অফিসের নৈতিকতা উন্নয়ন বিষয়ক সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা

    কাপ্তাই তথ্য অফিসের নৈতিকতা উন্নয়ন বিষয়ক সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই তথ্য অফিসের আয়োজনে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বিষয়ক সভা ও  কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার সকাল ১১টায়  চন্দ্রঘোনা তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় নৈতিকতা উন্নয়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা জাফরুল আলম নিজামী।

    অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষক ও  শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন, নৈতিকতার অভাবে সমাজে নানা ধরনের অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে।মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হলে সামাজিক ও ধর্মীয় নীতি নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি করতে হবে।

    পরে কুইজ বিজয়ীদেরকে  শিক্ষাসামগ্রী ও ফলজ গাছ প্রদান করা হয়।

  • ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে বড় ঋণ চাপে পতন: কেন ব্যবসায়ীরা একই ফাঁদে পড়ছেন

    ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে বড় ঋণ চাপে পতন: কেন ব্যবসায়ীরা একই ফাঁদে পড়ছেন

    মো: আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) খাতে ঋণনির্ভর ব্যবসার বিস্তার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে ঋণঝুঁকি ও খেলাপির সংখ্যা। শুরুতে স্বাভাবিক ভাবে চলা অনেক ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় ঋণচাপে পড়ে যাচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা সম্পদ নিলামে ওঠার মতো পরিস্থিতিতে গড়াচ্ছে।

    ব্যাংকিং খাত ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই ধরনের পতন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্নে অনেক ব্যবসা একই পথে এগোচ্ছে।

    ব্যবসায়ীরা সাধারণত Black Plate Sheet (BP Sheet) বা অনুরূপ শিল্পপণ্য দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। এই পণ্য বাস ট্রাক বডি, শিপ ফ্যাব্রিকেশন, কন্টেইনার ও রুফিং শিল্পে ব্যবহৃত হয়। একই সঙ্গে নির্মাণ খাতে পাথর, বিটুমিনসহ বিভিন্ন আমদানি পণ্যও ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ব্যবসার মূল অংশ হিসেবে থাকে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যবসার চিত্র থাকে স্বাভাবিক। পণ্য বৈধ, গ্রাহক নিয়মিত, বাজারে চাহিদা থাকে এবং ব্যাংক লেনদেনও স্বাভাবিক থাকে।

    তবে মূল সংকট দেখা দেয় working capital ঘাটতিতে।

    সরবরাহকারীদের অগ্রিম পরিশোধ করতে হলেও অনেক ক্রেতার কাছ থেকে বাকি পাওয়ার কারণে নগদ প্রবাহে ঘাটতি তৈরি হয়।
    এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে working capital লিমিট নেওয়া হয়। শুরুতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকার সীমা থেকে তা ধীরে ধীরে কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছে যায়।

    উল্লেখ্য, ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিক ভাবে এটি স্বাভাবিক ব্যবসা সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
    লিমিট বাড়ার পর কিছু ব্যবসায়ী ব্যাংক ফাইন্যান্স ব্যবহার করে কেবল নিজের ব্যবসা নয়, বরং তৃতীয় পক্ষের বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও যুক্ত হন।

    একাধিক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, LC খুলে আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও প্রকৃত ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ থাকে অন্য পক্ষের হাতে।
    ব্যাংকিং সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকরা কমিশন বা অতিরিক্ত আয়ের আশায় নিজের লিমিট ব্যবহার করে অন্যের ব্যবসা পরিচালনায় অংশ নেন। এতে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ গ্রাহকের হাত থেকে সরে যায়।

    প্রথমদিকে লেনদেন স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তী সময়ে ঝুঁকি বাড়তে থাকে। ব্যবসার এক্সপোজার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায় ঋণের পরিমাণ বাড়ছে কিন্তু নগদ প্রবাহ সেই অনুপাতে বাড়ছে না। স্টক ও বিক্রির মধ্যে অমিল তৈরি হয় এবং পাওনা আদায় অনিয়মিত হয়ে পড়ে।

    একই সময়ে অনেক ব্যবসায়ীর জীবন যাত্রায় পরিবর্তন দেখা যায়। নতুন গাড়ি, বাড়ি নির্মাণ এবং অতিরিক্ত ব্যয় ব্যবসার নগদ প্রবাহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। ব্যবসার আয় না বাড়লেও ব্যক্তি গত ব্যয় বাড়লে ঋণনির্ভরতা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

    ব্যাংক যখন নগদ প্রবাহ, স্টক এবং লেনদেনে অসঙ্গতি শনাক্ত করে তখন সীমিতকরণ বা সতর্কতা জারি করে। তবে অনেক ব্যবসায়ী এটিকে সহযোগিতা হিসেবে না দেখে বাধা হিসেবে বিবেচনা করেন।

    এরপর অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক পরিবর্তনের প্রবণতা দেখা যায়। এক ব্যাংক ঝুঁকি সংকেত দিলে ব্যবসায়ী অন্য ব্যাংকে যান, যেখানে তুলনা মূলক ভাবে বেশি লিমিট অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মোট ঋণ এক্সপোজার আরও বেড়ে যায়।

    এক পর্যায়ে ব্যবসা বড় আকার ধারণ করলেও ভেতরে ভেতরে সংকট ঘনীভূত হতে থাকে। পাওনা আটকে যায়, চেক ডিজঅনার হয়, LC দায় পরিশোধে ব্যর্থতা তৈরি হয় এবং ব্যাংক ঋণ অনিয়মিত হয়ে পড়ে।

    ব্যাংক তখন আইনগত পদক্ষেপ নেয় এবং মর্টগেজ সম্পত্তি নিলামে তোলে। অনেক ক্ষেত্রে পুরো দায় সমন্বয় সম্ভব হয় না।
    ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, SME খাতে খেলাপি হওয়ার পেছনে কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে।
    প্রথমত, ঋণকে ব্যবসার বিকল্প হিসেবে দেখা হয়। দ্বিতীয়ত, নগদ প্রবাহ বিশ্লেষণে দুর্বলতা থাকে। তৃতীয়ত, তৃতীয় পক্ষের প্রভাব ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করে। চতুর্থত, সহজ লাভের প্রত্যাশা কাজ করে। পঞ্চমত, ব্যক্তিগত ব্যয় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ষষ্ঠত, পাওনা ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা দেখা দেয়।

    একজন সিনিয়র ব্যাংকার বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা ঋণ দেওয়া নয়, বরং সেই ঋণের ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণের অভাব।
    বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশের SME খাতে অনেক ব্যবসার পতন হঠাৎ ঘটে না। এটি একটি ধীর প্রক্রিয়া, যেখানে শুরুতে থাকে প্রবৃদ্ধি, এরপর অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ, পরে নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং শেষ পর্যন্ত নগদ প্রবাহ ভেঙে পড়া।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, টেকসই ব্যবসার মূল ভিত্তি হলো ঋণ নয়, বরং নগদ প্রবাহ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা।
    মতামত ও নীতিগত দাবি
    ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য LC সুবিধা নিয়ে বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেক উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মহল। তাঁদের মতে, বিদ্যমান কাঠামোয় তুলনা মূলক ভাবে বড় ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরা বেশি সুবিধা পেলেও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা অনেক ক্ষেত্রে একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

    বিশেষ করে নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে ব্যবহৃত পাথর, বিটুমিন সহ গুরুত্বপূর্ণ আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ ও ন্যায্য LC সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, ভোমরা ও বেনাপোল সহ সীমান্ত বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানির ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র আমদানিকারকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে LC সুবিধা দেওয়া হলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং নতুন উদ্যোক্তারা টিকে থাকার সুযোগ পাবেন।
    ব্যবসায়ীদের দাবি, বর্তমানে LC সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য থাকায় নতুন ও ছোট ব্যবসায়ীরা বাজারে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ছেন। এতে করে একটি সীমিত গোষ্ঠীর মধ্যেই আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ছে।

    অনেকেই মনে করেন, ব্যাংকিং নীতিমালায় এমন পরিবর্তন আনা প্রয়োজন যাতে সকল উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীর জন্য সমানভাবে LC সুবিধা নিশ্চিত করা যায়। একই সঙ্গে ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও সহজ প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরও সময়োপযোগী সুবিধা দেওয়া গেলে দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, নীতিগত ভাবে ব্যাংকিং খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবর্তন আনা গেলে একদিকে যেমন আমদানি নির্ভর খাতে প্রতিযোগিতা বাড়বে, অন্যদিকে ছোট ব্যবসায়ীরাও বড় বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

  • অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

    অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার  ৫নম্বর  ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড উত্তর দেবতাছড়ি  বাসিন্দা ইতিস তনচংগ্যা অর্থ সংকটে  মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    পরিবারের প্রধান  ইতিস তনচংগ্যার জানান,বাবা অনিল তনচংগ্যা(৬৫), দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত। তিনি চট্টগ্রামের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. ফাহামিদা আলমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে পরিবারটি তাদের সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে চিকিৎসার ব্যয় বহন করেছে। বর্তমানে তাদের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত করুণ হয়ে পড়েছে।

    এরই মধ্যে নতুন করে বিপদ নেমে আসে পরিবারটিতে। ইতিস তনচংগ্যার স্ত্রী সান্তনা(৪৩) তনচংগ্যা হঠাৎ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। ফলে একই পরিবারের দুইজন গুরুতর অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা, ওষুধ ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন ইতিস তনচংগ্যা।  বাংলাদেশ তনচংগ্যা কল্যান সংস্হা  কাপ্তাই অঞ্চল  সভাপতি  অজিত কুমার তনচংগ্যা অসহায় পরিবারটির খোঁজখবর নিতে তাদের বাড়িতে যান। তিনি পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, এনজিও, মানবাধিকার সংস্থা ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানান।

    ৫নম্বর  ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চিরনজীত  তনচংগ্যাও পরিবারটির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি দেশবাসী, বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনসহ সকলের প্রতি ইতিস তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

    (ইতিস তনচংগ্যা যোগাযোগ মোবাইল নাম্বার  01883416662 )

  • Analisi statistica under over pallacanestro

    Il problema della previsione

    Nel mondo delle scommesse basket, il calcolo dell’under/over è più una scienza che una fortuna. Le quote non sono solo numeri; sono il risultato di una catena di dati, trend e decisioni di coaching. E qui entra in gioco l’analisi statistica, l’arma segreta dei professionisti.

    Dati grezzi vs. insight filtrati

    Guarda: ogni partita genera centinaia di metriche. Punteggio medio, ritmo di gioco, percentuale di tiro da tre, rimbalzi offensivi. Ma se raccogli tutto e non lo filtri, ottieni solo rumore. Il trucco è isolare le variabili che realmente muovono l’under/over: ritmo (possessions per 100 poss), percentuale di tiro reale e la differenza di punti tra le due squadre negli ultimi cinque incontri.

    Modello di regressione rapido

    Un semplice modello lineare può fare miracoli. Inserisci il ritmo medio di entrambe le squadre, aggiungi il valore di tiro da tre (FT%) e il risultato medio dei loro scontri diretti. Il coefficiente di correlazione ti dice se la partita tenderà a superare o rimanere sotto la linea di punti. Se il risultato è superiore a 0.5, prendi l’over; altrimenti, l’under.

    Variabili “wildcard”

    Ecco il punto critico: gli infortuni dell’ultimo minuto, la fatica accumulata in una serie di partite fuori casa, e persino la pressione del pubblico. Questi fattori non si inseriscono in un foglio Excel, ma possono ribaltare il risultato. Per questo, tieni un registro aggiornato dei minuti giocati dei titolari e dei minuti di riposo tra una gara e l’altra.

    Stratagemmi di scommessa

    Un trucco che usano i top bettor: non puntare mai sul valore “standard”. Se la media della linea è 180 punti, la maggior parte dei giocatori sceglierà 175 o 185. Tu, invece, cerca la deviazione standard della linea negli ultimi dieci incontri per quella coppia di squadre; se la deviazione è alta, la quota può essere gonfiata e vale la pena approfittarne.

    Software e automazione

    Qui non c’è spazio per il lavoro manuale. Usa Python o R per scaricare le statistiche da fonti ufficiali, costruisci il tuo algoritmo di regressione e imposta alert quando la probabilità di over supera l’80%. Un semplice script può farti risparmiare ore di analisi e darti un vantaggio competitivo.

    Il ruolo delle quote

    Le quote dei bookmaker sono già un “previsore”. Se la tua analisi indica un over con probabilità del 70%, ma la quota è 2.20 (implicando 45% di probabilità), c’è margine di profitto. Ecco perché confrontare il tuo modello con la linea di mercato è fondamentale.

    Case study veloce

    Prendi la partita tra Milano e Roma della scorsa settimana. Il ritmo medio era 102 poss per squadra, il tiro da tre del Milan era 38% e quello della Roma 31%. Il modello ha predetto un over di 184 punti. La quota era 1.95 per l’over. Il risultato finale? 190 punti. Un guadagno netto del 5%.

    Strumento di approfondimento

    Se vuoi approfondire, leggi questa analisi statistica under over pallacanestro. Troverai esempi di calcolo e grafici dettagliati.

    Consiglio pratico

    Ecco il deal: costruisci un foglio di calcolo con ritmo, FT% e differenza media punti, inserisci le ultime cinque partite, calcola la regressione, confronta con le quote e piazza la scommessa solo se la differenza supera il 10% di margine. Aggiorna ogni giorno, e il profitto arriverà.

  • কাউখালীতে পেশাদার ডাকাত আটক

    কাউখালীতে পেশাদার ডাকাত আটক

    বিশেষ প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলায় চঞ্চল্যকর  ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি পেশাদার ডাকাত মোঃ আল আমিন ওরফে ইমরান (৪০), পিতা-জাকির আকন, সাং-জোলাগাতি, থানা-কাউখালী, জেলা-পিরোজপুরকে গত ১৭ মে  বিকাল আনুমানিক ৫.৩০ ঘটিকার সময় শিয়ালকাঠি এলাকা থেকে র‍্যাব-৮ এর সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য গত ১৭মে  রবিবার  রাত আনুমানিক ২.৪৫ ঘটিকা হতে ভোর রাত আনুমানিক ০৪.১৫ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময়ে কাউখালী থানার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা মোঃ গোলাম মোস্তফার দোতলা বিল্ডিং এর দোতলায় ভাড়াটিয়ার ফ্ল্যাটে ও বাড়ীওয়ালার নিজ বসবাসরত নিচতলার ফ্ল্যাটে সশস্ত্র ডাকাতদল সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, ২০ ভরির অধিক স্বর্নালঙ্কার, ডায়মন্ডের অলঙ্কার ও ইউএস ডলার, যার সর্বমোট আনুমানিক ৬০,৯৫,৮৫০/- টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল।

    উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে বাগেরহাটের শরণখোলা, মংলা ও ফকিরহাট এবং পিরোজপুর জেলার কাউখালী ও ভান্ডারিয়া থানায় ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সর্বমোট ০৬ টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

    উক্ত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে থানা সূত্রে  জানাযায়।

  • রক্তমাখা চিঠিতে আতঙ্ক: শাহজাদপুরে পুলিশের পাহারায় রাত কাটাল গ্রামবাসী

    রক্তমাখা চিঠিতে আতঙ্ক: শাহজাদপুরে পুলিশের পাহারায় রাত কাটাল গ্রামবাসী

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের টেকুয়াপাড়া গ্রামে ‘রঘু ডাকাত’ এর নামে রক্তমাখা হুমকিচিঠি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিক ডাকাতি ও চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগের পর অন্তত ১৫টি বাড়িতে এসব চিঠি পৌঁছায়। এরপর থেকেই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। অবশেষে পুলিশের কড়া পাহারায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে এলাকাবাসীর মাঝে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে গভীর রাতে চেতনানাশক স্প্রে করে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্বৃত্তরা নিজেদের “রঘু ডাকাত” পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে রক্তমাখা চিঠি পাঠায়। চিঠিতে লেখা ছিল, কালকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসবো। তাই দরজা খোলা রাখবেন। দরজা বন্ধ রাখলে জিন্দা খালাস…।
    – ইতি, রঘু ডাকাত।

    এমন ভয়াবহ হুমকির পর পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদ সামনে থাকায় গরুর খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। রাত জেগে পাহারা দিতে শুরু করেন গ্রামের মানুষ।

    ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। শনিবার গভীর রাতে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তার আশ্বাস দেন এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ দেন।

    পুলিশ সুপার জানান, কোনো ডাকাত বা দুর্বৃত্তকে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালাতে দেওয়া হবে না। পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাফিজুর রহমান এবং শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম।

    পুলিশি টহল ও পাহারা জোরদার হওয়ায় শনিবার রাতে কিছুটা স্বস্তিতে ঘুমাতে পারেন আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা।

  • চন্দ্রঘোনা থানা  তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত  আসামীকে চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার 

    চন্দ্রঘোনা থানা  তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত  আসামীকে চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ অভিযানে চালিয়ে তিন বছরের  সাজাপ্রাপ্তকে আলুমং মারমাকে  গ্রেপ্তার করেছে।

    শনিবার রাতে চন্দ্রঘোনা থানার এস আই মোজাম্মেল ও এস আই টিটু দাশ চট্টগ্রাম এর চাঁন্দ্রগাও থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় ।উক্ত আসামি  কাপ্তাই উপজেলার ২নম্বর  রাইখালী ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের ক্রোসে মারমার ছেলে।

    চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  এস এম সাকের(ওসি) জানান, রবিবার আসামিকে রাঙ্গামাটি আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদের আলোচনায় সাবেক ছাত্রনেতা মাজেদুল

    নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদের আলোচনায় সাবেক ছাত্রনেতা মাজেদুল

    পিরোজপুর প্রতিনিধি।

    পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদে আলোচনায় আছেন,সাবেক ছাত্রনেতা মাজেদুল কবীর রাসেল।

    দলীয় সুত্রে জানা যায়, দলের দুর্দিনে কেন্দ্র ঘোষিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের প্রতিটি কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেছে সাবেক এই ছাত্রনেতা। প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন জেলা যুবদলের এই নেতা।

    সম্প্রতি, যুবদলের নতুন ইউনিট কমিটি গঠনের আলোচনা শুরু হলেই, উপজেলা সদরসহ ৯টি ইউনিয়নের যুবদল নেতাকর্মীরা মাজেদুল কবীর রাসেলকে উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদে দেখতে চাই বলে গত কয়েকদিন দরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছেন।

    জানা যায়,এই যুবনেতা স্কুল জীবনে ছাত্রদলের রাজনীতির হাতেখডির মাধ্যমে পথচলা শুরু করেন। নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এই ত্যাগী ছাত্রনেতা। এছাড়া নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য, জেলা যুবদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সকল দায়িত্ব পালনকালে একাধিক হামলা ও মামলার স্বীকার হয়েও প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে বলিস্ট নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ত্যাগী নেতা।

    তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মীরা জানান, মাজেদুল কবীর রাসেলের সততা-নৈতিকতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাহসিকতার জন্য যুবদলের শীর্ষ পদের দাবীদার হয়ে উঠেছেন। দলের দুর্দিনে মাজেদুল কবীর রাসেল নেতাকর্মী পাশে থেকে হামলা মামলাও একাধিকবার দীর্ঘসময়
    কারাবরন করে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। নাজিরপুর উপজেলা যুবদল সুসংগঠিত করতে ত্যাগী এই নেতাকে উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদের বিকল্প নেই। তারা আরোও জানান, গত ১৫ বছরে একাধিকবার আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরতর আহত হয়ে দীর্ঘ দিন হাসপাতাল বেডে মৃত্যুর সাথে পান্জা লডেছেন। এত হামলা, মিথ্যা মামলা ও কারাবরনের পরেও মাজেদুল কবীর রাসেল দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি নেতাকর্মীদের সংগঠিত রেখে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। উপজেলা ছাত্রদলের দায়িত্ব পালন কালে দল সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

    নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদের দাবিদার মাজেদুল কবীর রাসেল জানান, “জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সততা ও দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে স্কুল জীবন থেকে ছাত্রদলের রাজনীতি মাধ্যমে বিএনপিতে পথ চলা।
    গত ১৫ বছর আওয়ামী সরকারের রক্তচুক্ষ উপেক্ষা করে হামলা মামলার স্বীকার হয়ে একাধিক বার কারাবরণ করেও প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেছি। আশা করি দল আমার ত্যাগ স্বীকারকে যথার্থ মুল্যায়ন করে উপজেলা যুবদলের দায়িত্ব দেয় তাহলে দলকে সুংগঠিত করবো।

  • কাপ্তাই কর্ণফুলী নদীতে দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে নাতির মৃত্যু 

    কাপ্তাই কর্ণফুলী নদীতে দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে নাতির মৃত্যু 

    কাপ্তই প্রতিনিধি। 

    দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে কর্ণফুলী নদীতে ডুবে নাতিনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ।

    শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে কাপ্তাই উপজেলা ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড শিলছড়ি ভেলুয়াপাড়ায়  বসবাসরত মোঃ মুছার মেয়ে মুস্কান(৬) দাদা মোঃ ইউসুফের সাথে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানি ডুবে মারা যায়।

    দাদা ইউসুফ প্রথমে ধারনা করেছে নাতনি গোসল করে বাসায় চলে গেছে।বাসায় এসে খোঁজ নিয়ে দেখে নাতিন বাসায় আসেনি। পরে দৌড়ে নদীতে গিয়ে  খোঁজ খুঁজির  এক পর্যায়ে নদীতে মৃত্যু দেহ পায়।পরে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

    কাপ্তাই ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ৯নং ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেন ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং বলেন হঠাৎ করে দাদার অজান্তেই পানিতে ডুবে শিশু মুস্কান মারা যায়।