Blog

  • খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তরকারি মুখে নিয়ে ফেলে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তরকারি মুখে নিয়ে ফেলে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মোঃ আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভর্তি চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য রান্না করা খাবার মানসম্মত না হওয়ায় ও অভক্তিতে মুখে দিয়ে কুলি করে ফেলে দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

    খুলনা সফররত স্বাস্থ্য মন্ত্রী জেনারেল হাসপাতালের রান্না ঘরে রোগীদের জন্য তৈরি করা কুমড়োর সবজি গালে দিয়ে ফেলে দেন। তিনি বলেন, এ ধরনের তরকারি আপনাদের বাসায় রান্না হলে কি খেতেন, জেনারেল হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্টকে ভালো মানের তরকারি সরবরাহের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী।

    আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে আকস্মিক খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম দেখে ক্ষুব্ধ হন।
    এ সময় তার সাথে ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত।

    জেনারেল হাসপাতালের বিট ভ্যাকসিন কর্নার পরিদর্শনে গেলে ভুক্তভোগীরা স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে ঘিরে ধরেন।
    হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় বাইরে থেকে কিনে দিতে হচ্ছে রোগীদের।
    রোগীদের র‍্যাবিস ভ্যাকসিন টাকা দিয়ে কেনার ঘটনা সরেজমিন দেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রী ধমকালেন জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গাজীকে।

    পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

  • কেএমপি কমিশনারের সঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    কেএমপি কমিশনারের সঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    মো: আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার কার্যালয়ে ২০ মে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে কেএমপি কমিশনার এবং ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের মধ্যে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান এর সঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার পবন কুমার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    সাক্ষাৎকালে উভয়েই পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একে অপরকে ফুলের তোড়া ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন।

    আলোচনায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, কূটনৈতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন এবং খুলনায় অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    এ সময় কেএমপি কমিশনার তার পেশাদার নেতৃত্বে খুলনার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কেএমপির অব্যাহত কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং কূটনৈতিক মিশন গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

    ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার কেএমপি’র সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

    সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে আইসিইউ রোগীর মৃত্যু, আহত ৫

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে আইসিইউ রোগীর মৃত্যু, আহত ৫

    মো: আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) বুধবার (২০ মে ২০২৬) ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাসরিন নাহার নামে এক আইসিইউ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আগুনের আতঙ্কে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সময় অক্সিজেনের ঘাটতিতে তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। নিহত রোগী খুলনার কয়রা উপজেলার নেছার আলির কন্যা।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জন্মগত ডায়াবেটিস জনিত জটিলতায় গত রবিবার তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। বুধবার ভোরে অগ্নিকাণ্ডের সময় তাড়াহুড়া করে নামানোর সময় মাস্ক খুলে গেলে অক্সিজেন সংকটে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. দিলীপ কুমার কুন্ডু গণমাধ্যমকে জানান, আইসিইউতে মোট ১৫ জন রোগী ছিল। আমরা সবাইকে নিরাপদে সরাতে সক্ষম হই। তবে ওই রোগীর স্বজনরা তাকে নিজে থেকেই দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। নামানোর পথেই তার মৃত্যু হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিট থেকে ৬টার মধ্যে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় ইমারজেন্সি অপারেশন থিয়েটার, পোস্ট অপারেটিভ কক্ষ ও স্টোর রুম এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধোঁয়ায় পুরো এলাকা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং রোগী, স্বজন ও চিকিৎসকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
    ধোঁয়ার কারণে ওটি ও পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডের ভেতরে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না বলে জানান কর্মীরা। দ্রুত মুমূর্ষু রোগীদের পেছনের দরজা দিয়ে এবং আইসিইউর রোগীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    ওয়ার্ড বয় রেজাউল গণমাধ্যমকে জানান, স্টো ররুম থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সবাই দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হন।

    অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন—
    হাসপাতালের স্টাফ সাইদুর রহমান (৫০), সিনিয়র স্টাফ নার্স নওরিন, দিপালী ও শারমিন এবং ফায়ার সার্ভিস সদস্য তৌহিদ।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, ধোঁয়ার মধ্যে থাই গ্লাসের গ্রিল কেটে আটকে পড়া নার্সদের উদ্ধার করা হয়। ফায়ার ব্রিগেডের স্টিলের সিঁড়ি ব্যবহার করে তাদের নামানোর সময় তীব্র আতঙ্কে একজন নার্স ও একজন ফায়ার সার্ভিস সদস্য ভারসাম্য হারিয়ে তিনতলা থেকে নিচে কংক্রিটের ওপর পড়ে যান। এতে তারা গুরুতর আহত হন।

    একই ঘটনায় আরও দুইজন নার্স ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাদের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।

    এছাড়া তিন তলার থাই গ্লাসের গ্রিল কেটে কর্তব্যরত নার্সদের ফায়ার সার্ভিসের স্টিলের সিঁড়ি ব্যবহার করে নিচে নামানোর সময় ফায়ার সার্ভিস সদস্য তৌহিদ নিচে পড়ে আহত হন।

    ফায়ার সার্ভিসের ১০ থেকে ১১টি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সহকারী পরিচালক জানান, চারতলা ভবনের তৃতীয় তলার স্টোর রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। শুরুতে গেট গুলো তালা বদ্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশে কিছুটা সময় লাগে। পরবর্তীতে ফায়ার ব্রিগেডের সদস্যরা তালা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে।

    পরবর্তীতে বেলকনি ও বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে ৪–৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর আর কোনো নতুন হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

    রোগী ও স্বজনরা এই প্রতিবেদককে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। স্টোর রুম থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং ওটির ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেকেই আতঙ্কে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যোগে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করে অন্য বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের নিয়ে যান।

    তারা অভিযোগ করেন, ওটিতে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চললেও এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা রহস্যজনক। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. হোসেন আলী গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট অথবা এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী আইনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণে অক্সিজেন সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় সাময়িক ভাবে সব অপারেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

    এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।

    সর্বশেষ পরিস্থিতি,

    অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এলেও হাসপাতাল জুড়ে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কাজ চলছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজ খবর নেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে রোগীদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

  • দোকানের জানালায় প্যাচানো অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত 

    দোকানের জানালায় প্যাচানো অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    দোকানের জানালায় প্যাচানো অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল ১১টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ উদ্বার হওয়া অজগর সাপটি কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করছ  বন বিভাগ।

    বন বিভাগ রাঙামাটি সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহামুদুল হক মুরাদ জানান সোমবার রাত ৯টায়  রাঙামাটি সদর হ্যাপীর মোড় খাজা এন্টারপ্রাইজ দোকানের জানালায় প্যাচানো ছিল অজগরটি। বন বিভাগকে  সংবাদ দেয়া হলে সদর বিশেষ টিম গিয়ে দোকান  হতে সাপটি উদ্বার করে। এবং বিভাগীয় কর্মকর্তার নির্দেশনায় উদ্বার হওয়া অজগর সাপটি  কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করা হয় ।

    এসময় সহকারী বন সংরক্ষক আবু বক্কর , জামাল উদ্দিন, কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমানসহ বন বিভাগের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

  • নদী রক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন আফজাল হোসেন বাবু

    নদী রক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন আফজাল হোসেন বাবু

    রিপোর্টার: শাফায়েত হোসেন।

    বাংলাদেশের নদী রক্ষা ও নদী খনন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন আফজাল হোসেন বাবু।

    তিনি জানান, প্রতি বছরই তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের অধীনে নিয়ম মেনে নদী খননের কাজ পরিচালনা করছেন।
    আফজাল হোসেন বাবু সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন,
    আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন, আমি দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম মেনে কাজ করে যাচ্ছি। কিছু হাউজিং ব্যবসায়ী ও ভূমিদস্যু সরকারি নদীর পাশে প্লট বাণিজ্য করে থাকে। তারা যেন এসব করতে না পারে, সে কারণেই আমি নদী রক্ষার কাজ করছি। কিন্তু আমার এই কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ হয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন,আমি দেশের জনগণ, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক সমাজ ও মানবাধিকারকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করা হোক। আমিও এ দেশের নাগরিক, আমিও আইনের বাইরে নই। যদি কোনো অনিয়ম করে থাকি, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
    আফজাল হোসেন বাবু জানান, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের ঘটনায় তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার ক্রাইম আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

  • কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর বারটায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক প্রতিরোধ, কিশোর গ্যাং দমন, যানজট নিরসন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবির, উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাহিদ হাসান শাওন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মতিউর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম হাওলাদার, কাউখালী থানার এসআই মাসুদ আল মামুন, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সিনিয়র সাংবাদিক হাফেজ মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে অপরাধ, মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যক্রম প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।
    সভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং জনস্বার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “কাউখালীর সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। মাদক, বাল্যবিবাহ, কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জনগণের সহযোগিতা থাকলে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
    তিনি আরও বলেন, “প্রশাসনের একার পক্ষে সবকিছু সম্ভব নয়।

  • Come leggere le quote basket in modo efficace

    Il problema che tutti ignorano

    Ti sei mai chiesto perché, nonostante le analisi, le scommesse sul basket ti scappano di mano? È perché la maggior parte dei giocatori legge le quote come se fossero semplici numeri, senza saperne nulla dei meccanismi che le generano. Qui non c’è spazio per la superficialità; si tratta di decifrare un linguaggio quasi occulto, dove ogni cifra è una pista, ogni variazione un segnale.

    Decodifica delle quote: la chiave di lettura

    Le quote non sono solo “1.85” o “2.10”. Sono il risultato di un calcolo che combina probabilità reale, margine del bookmaker e flusso di scommesse. Se la quota è alta, la probabilità implicita è bassa, ma non significa che il risultato sia improbabile; può indicare una sottovalutazione del mercato.

    Probabilità implicita in pratica

    Formula rapida: 1 diviso la quota, poi moltiplica per 100. 1/1.80 = 0.555, ovvero 55,5 % di probabilità. Semplice? Sì. Ma la vera sfida è confrontare quel valore con le tue analisi statistiche. Se il tuo modello prevede il 60 % per la squadra A, la quota è un affare. Ecco perché devi sempre avere una base numerica solida.

    Il margine del bookmaker

    Il margine è il “costo” che il bookmaker aggiunge per garantirsi il profitto. Si calcola sommando le probabilità implicite di tutti gli esiti e sottraendo 100 %. Se il totale supera il 100 %, il surplus è il margine. Un margine del 5 % è comune; se lo trovi più alto, la quota è gonfiata e il valore reale scende.

    Segnali dal mercato: dove guardare

    Le quote cambiano in tempo reale. Un improvviso spostamento verso il basso indica un afflusso di denaro su quel risultato, spesso guidato da notizie dell’ultimo minuto. Ignorare questi movimenti è come navigare senza bussola. Fai attenzione a: infortuni dell’ultimo minuto, cambi di formazione, e persino il clima della sala scommesse.

    Il ruolo delle scommesse live

    Nel gioco dal vivo, le quote reagiscono quasi istantaneamente. Se una squadra segna al primo quarto, la quota per la vittoria può crollare del 15 % in pochi minuti. Qui la velocità è tutto. Se sei lento, il valore è già evaporato.

    Strumenti pratici per la lettura

    Non devi reinventare la ruota. Usa i siti di comparazione quote, i feed API e i software di analisi statistica. Un buon punto di partenza è questo articolo su https://scommessesulbasket.com/articoli/come-leggere-le-quote-basket/. Ti fornisce esempi concreti e ti mostra come impostare il tuo foglio di calcolo per valutare rapidamente il valore reale.

    Azioni concrete

    Prendi la prossima partita, calcola la probabilità implicita, sottrai il margine e confronta con il tuo modello. Se il valore è positivo, piazza la scommessa. Se è negativo, passa. Non c’è spazio per l’indecisione. E ricorda: il basket è veloce, le quote lo sono ancora di più. Agisci subito.

  • কাপ্তাইয়ে ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন 

    কাপ্তাইয়ে ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি: 

    রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

    উপজেলা ভূমি অফিস কাপ্তাইয়ের আয়োজনে মঙ্গলবার  সকাল সাড়ে  ১১ টায় ভূমি অফিস চত্বরে প্রধান অতিথি  উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এই মেলার উদ্বোধন করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত  সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: রায়হানুল ইসলাম।

    পরে ভুমি অফিস চত্বরে  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত  সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: রায়হানুল ইসলাম বলেন, সরকার আজকে যে ভূমি মেলার আয়োজন করেছেন, তার প্রধান উদ্যোশ হলে জনগণকে সেবা প্রদান করা। পার্বত্যঞ্চলে জমির সঠিক জরিপ করা প্রয়োজন। তিনি মেলায় উপস্থিত হেডম্যান এবং কারবারিদের জনগণকে সেবা প্রদান করার অনুরোধ জানান।

    কাপ্তাই প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, রাঙামাটি জেলা বিএনপি সহ সভাপতি ডা: রহমত উল্লাহ,  জামায়াতে ইসলামীর কাপ্তাই উপজেলার  আমীর হারুনর রশীদ, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর নাহার বেগম এবং হেডম্যান অরুণ তালুকদার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো  মো:কাজল মিয়া।

    পরে ভূমি অফিস চত্বর হতে একটি র‍্যালি বের হয়ে কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করেন।

  • কাপ্তাইয়ে ৯০ জন ক্ষুদে হ স্কাউটদের দীক্ষা গ্রহণ

    কাপ্তাইয়ে ৯০ জন ক্ষুদে হ স্কাউটদের দীক্ষা গ্রহণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    বাংলাদেশ গার্ল গাইডস এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম অঞ্চলের উদ্যোগে “হলদে পাখি কার্যক্রম সম্প্রসারণ কর্মসূচি-২০২৬” উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  ৯০  জন হলদে পাখি স্কাউটদের দীক্ষা গ্রহন অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সাথে দীক্ষা গ্রহন শেষে তাদেরকে সনদপত্র ও পোশাক বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (১৮ মে) সকালে কাপ্তাই উপজেলা সদর বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে বর্ণিল এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ স্কাউটস চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার  বীনাপ্রভা চাকমা বলেন, গার্ল গাইডস কার্যক্রম শিশুদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই  উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।  দীক্ষা অনুষ্ঠানে ট্রেইনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটস চট্টগ্রাম অঞ্চলের ট্রেইনার   ইসরাত জাহান শিল্পী এবং জুনিয়র ট্রেইনার  শায়লা শাবরিন ঊষা।

    কাপ্তাই উপজেলা গার্লস গাইডের সভাপতি উমা সিং মারমার সঞ্চালনায় বর্ণিল এই আয়োজনে কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক এবং  গার্ল গাইডস এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় অনন্য উদ্যোগ জাজিরার ফৌজউদ্দিন মাদবর কান্দি সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে ঔষধি ভেষজ বাগান

    শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় অনন্য উদ্যোগ জাজিরার ফৌজউদ্দিন মাদবর কান্দি সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে ঔষধি ভেষজ বাগান

    শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর:প্রতিনিধিঃ

    শিক্ষার্থীদের ভেষজ উদ্ভিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসার গুণাগুণ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পালেরচর এলাকায় অবস্থিত ফৌজউদ্দিন মাদবর কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি ব্যতিক্রমী ও দৃষ্টিনন্দন ‘ঔষধি ভেষজ বাগান’ গড়ে তোলা হয়েছে।

    বর্তমান আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও প্রাকৃতিক নিরাময় সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান দানের লক্ষ্যে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন মাসুদ -এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও নিজস্ব অর্থায়নে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই ঔষধি বাগানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
    ​বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাঠের এক কোণে নান্দনিকভাবে সাজানো এই বাগানে রোপণ করা হয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রজাতির দুর্লভ ও প্রয়োজনীয় ঔষধি গাছ।

    যার মধ্যে রয়েছে এলোভেরা (ঘৃতকুমারী), তুলসী, থানকুনি, পুদিনা, পাথরকুচি, বাসক, অর্জুন, নিম, কালমেঘ, শিউলি, নিশিন্দা, শতমূলী ও অশ্বগন্ধাসহ নানা জাতের ভেষজ উদ্ভিদ। বইয়ের পড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যেন সরাসরি ঔষধি গাছ চিনতে পারে এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্য প্রতিটি গাছের সামনে পরিচিতি ফলক বা প্ল্যাকার্ড দেওয়া হয়েছে। সাধারণ রোগব্যাধিতে রাসায়নিক ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ভেষজ উদ্ভিদের মাধ্যমে কীভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা দিয়ে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে।
    ​

    প্রধান শিক্ষক জানান, বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েরা প্রতিনিয়ত কৃত্রিম ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, অথচ আমাদের চারপাশেই ছড়িয়ে আছে নানাগুণে গুণান্বিত ভেষজ উদ্ভিদ। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এই ভেষজ বাগান শিক্ষার্থীদের যেমন সৃজনশীল হতে সাহায্য করছে, তেমনি তাদের সুস্থ ও সবলভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে একটি চমৎকার সহায়ক পরিবেশ তৈরি করছে। তিনি নিজের অবসরের সময় এবং নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় করে গাছগুলো সংগ্রহ ও পরিচর্যা করে আসছেন।
    ​সরেজমিনে দেখা যায়, এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ফলে শুধু কোমলমতি শিক্ষার্থীরাই নয়, বরং বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকদের মাঝেও ভেষজ চিকিৎসার গুরুত্ব ও সচেতনতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকার মানসিকতা তৈরিতে এই বাগান অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এটি এখন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি জীবন্ত বিজ্ঞান গবেষণাগার ও পরিবেশ শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
    ​এলাকার স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ফৌজউদ্দিন মাদবর কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই অনন্য উদ্যোগটি অত্যন্ত অনুকরণীয়। দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি এমন ভেষজ বাগান গড়ে তোলা যায়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নিজস্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।