Category: বিনোদন

  • বাবুল কান্তি দে ও কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সম্মাননা

    বাবুল কান্তি দে ও কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সম্মাননা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    চট্টগ্রামের নন্দিত সাংস্কৃতিক সংগঠন  লয়কারী সঙ্গীত বিদ্যালয়ের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার  সন্ধ্যায়  চট্টগ্রাম থিয়েটার ইন্সটিটিউট এ অনুষ্ঠিত হলো পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গুণীজন সম্মাননা।

    মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন বিশিষ্ট গীটার শিল্পী বেতার ও টিভি শিল্পী বাবুল কান্তি দে ও টিভি ও বেতার শিল্পী কাপ্তাই প্রেসক্লাব ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি কাপ্তাইয়ের  সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত। এসময় সংগঠনটির   প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বেতার ও টিভি শিল্পী শিবু চৌধুরী, পরিচালক মুন্নী চক্রবর্ত্তী এবং বিশিষ্ট বংশী শিল্পী রনধীর দাশ উপস্থিত ছিলেন।

    আবৃত্তিকার ও সংগীত শিল্পী সায়ন্তী ভট্টাচার্য্য এর চমৎকার সঞ্চালনায় এরপর আভোগী কানাড়া রাগে একক বাঁশি পরিবেশন করেন বেতার ও টিভি শিল্পী রনধীর দাশ।  শিল্পীর সাথে যথাযথ  তবলা সঙ্গত করেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী অর্পা চৌধুরী।

    এরপর বিশিষ্ট গীটার শিল্পী বেতার ও টিভি শিল্পী বাবুল কান্তি দে ও টিভি ও বেতার শিল্পী কাপ্তাই প্রেসক্লাব ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি কাপ্তাইয়ের  সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সঙ্গীতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য লয়কারী সংগীত বিদ্যালয়ের পক্ষ হতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বেতার ও টিভি শিল্পী শিবু চৌধুরী।

    এসময় সংবর্ধিত ব্যক্তিরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, যেকোন সম্মাননা একজন শিল্পীকে নতুন করে কাজ করতে অনুপ্রেরণা যোগায়। তাঁরা সংগঠনের এই কার্যক্রমের ভুয়সী প্রশংসা করেন।

    সম্মাননা পর্ব শেষে শিবু চৌধুরীর পরিচালনায় এক ঝাঁক ক্ষুদে তবলা শিল্পী ত্রিতালে তবলার সমবেত লহড়া পরিবেশন করেন। ত্রিতালে সেলামী দিয়ে তাদের পরিবেশনা শুরু হয়। এরপর একে একে তারা কায়দা বিস্তার, টুকরা, পরণ ও চক্রদার পরিবেশন করে দর্শকের তুমুল করতালিতে সিক্ত হন। নান্দনিক এই অনুষ্ঠানে তবলা শিল্পী  নিলম বিশ্বাসের একক তবলা কভার দর্শকদের অনাবিল আনন্দ প্রদান করেন।

    এছাড়া  শিল্পী পুনম চৌধুরীর কন্ঠে একক গান, নৃত্য প্রশিক্ষক  সুচনা বনিকের পরিচালনায়  “মাধুরী নৃত্যকলা একাডেমি” নৃত্য শিল্পীদের সমবেত নৃত্য পরিবেশনা, অর্পা চৌধুরী ও অর্কি চৌধুরীর দ্বৈত তবলা কাভার,  ছোটদের দ্বৈত সংগীত, ছোটদের তবলা কভার অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করে।

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও কাপ্তাইয়ের বিনোদন কেন্দ্রে উপচেপড়া ভীড়

    ঈদের তৃতীয় দিনেও কাপ্তাইয়ের বিনোদন কেন্দ্রে উপচেপড়া ভীড়

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ঈদের তৃতীয় দিনেও  রাঙামাটির  কাপ্তাইয়ের বিনোদন স্পটগুলোতে শত শত পর্যটকের আগমন ঘটেছে ।

    বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা হতে  বিনোদন প্রেমীদের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায় । কেউ কাপ্তাই লেক এবং কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ভ্রমন করছেন, আবার শিশুরা  শিশু পার্কে আনন্দে ঈদের খুশি উপভোগ করছেন।

    কাপ্তাই ওয়াগ্গা প্যানোরোমা জুঁম রেস্তোরাঁয় গিয়ে দেখা যায়, এখানে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটেছে। কর্ণফুলী নদীর কোল ঘেষেঁ অবস্থিত এই পর্যটন কেন্দ্রের সু- বিশাল জায়গা জুড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন স্থাপনা আর শিশুদের জন্য রয়েছে শিশু পার্ক।

    কাপ্তাই শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউসে গিয়ে দেখা যায়, এখানে অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটেছে। কুমিল্লা  জেলার  নুরুল আলম এবং মিজানুর রহমান জানান , আমরা বন্ধুদের নিয়ে প্রথমবারের মতো কাপ্তাইয়ে বেড়াতে এসেছি। জায়গাটি খুবই সুন্দর, আমরা কাপ্তাইয়ের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়েছি। যদি কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলি নদীতে একটি ক্যাবেল কার বসানো হতো তাহলে আরো বেশি ভালো লাগতো।

    এসময় শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউস এর ম্যানেজার  জাকির হোসেন বলেন,   এই  ঈদে টানা ছুটিতে  আমাদের বিনোদন কেন্দ্রে প্রচুর পর্যটক এসেছে। আমাদের সব  কটেজ  গুলো  বুকিং আছে।

    এদিকে কাপ্তাই শিলছড়ি ফ্লোটিং প্যারাডাইস এর পরিচালক মো: সোহেল বলেন, এবার ঈদে আমাদের রেস্টুরেন্টে পযাপ্ত পরিমাণ পর্যটক এসেছে।

    এদিকে কাপ্তাই নৌ বাহিনী শহীদ মোয়াজ্জেম ঘাঁটি পরিচালিত লেক প্যারাডাইস ও সেনাবাহিনী পরিচালিত জীবতলী লেকশোর,  লেকভিউ, রিভারভিউ, কাপ্তাই লেকের মাঝে অবস্থিত  রাইংখ্যং আইল্যান্ড,  শিলছড়ি পাহাড়িকা পিকনিক স্পট, চন্দ্রলোক ক্যাম্পিং সাইট, বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্র সহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য পর্যটক ঈদের ছুটি উপভোগ করতে এসেছেন পরিবার পরিজন ও বন্ধু বান্ধব নিয়ে ।

    কাপ্তাই থানার  ওসি  শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল   জানান, পর্যটন শহর কাপ্তাইয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত দায়িত্ব পালন করছেন।

  • উৎসবমুখর পরিবেশে শাহজাদপুরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

    উৎসবমুখর পরিবেশে শাহজাদপুরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

    সবুজ হোসেন রাজা ,স্টাফ রিপোর্টার।

    বিপুল উৎসাহ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম দিন ১লা বৈশাখ।

    এ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
    সকালে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাসফিকা হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে।
    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
    দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে শাহজাদপুরের ঐতিহাসিক রবীন্দ্র কাছারি বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যা নতুন বছরের আগমনে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়।

  • রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

    রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

    সবুজ হোসেন রাজা, স্টাফ রিপোর্টার।

    ১লা বৈশাখ ১৪৩৩ (১৪ এপ্রিল ২০২৬) সোমবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ৯:০০টায় বৈশাখী শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দিবসের আরম্ভ হয়। শোভাযাত্রাটি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ থেকে শুরু হয়ে শাহজাদপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-২ এ গিয়ে শেষ হয়।

    শোভাযাত্রা শেষে বৈশাখী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হাসান তালুকদার। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩-এর শুভেচ্ছা জানান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩। এদিনটি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ আবহমান সংস্কৃতির অন্যতম স্তম্ভ, উদার মানবিক সংস্কৃতির উজ্জ্বলতম নিদর্শন। এদেশের জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় পহেলা বৈশাখ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে আসছে। এটি আমাদের শক্তি যাকে অবলম্বন করে, ৭১ এবং ২৪-এর চেতনাকে লালন করে আগামীর সমৃদ্ধ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে।

    ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় বলেন, পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩, নতুন বছর বয়ে আনুক গণমানুষের অধিকার, ন্যায় বিচার ও সমতার নতুন অঙ্গীকার। দেশের অগ্রগতি, শান্তি ও উন্নয়নের পথে শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ প্রতিষ্ঠায় আমরা সবাই একসাথে এগিয়ে যাবো এই হোক নববর্ষের প্রত্যাশা এবং আমাদের দৃর প্রত্যয়।

    তিনি বলেন, নববর্ষ অতীতের সকল জরাজীর্ণতা, গ্লানি এবং অপসংস্কৃতিকে ঝেড়ে ফেলে আমাদের সবার জীবনে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। তিনি আবারও সবাইকে পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩-এর শুভেচ্ছা জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

    এছাড়াও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-২ এ বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় মেলার স্টল পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) জনাব নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, ছাত্রহল ও ছাত্রীহলের প্রভোস্ট এবং হাউজ টিউটরবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

    পরবর্তীতে বিকাল ৩:৩০ মিনিটে ব্যান্ডদল কৃষ্ণপক্ষ-এর পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • শাহজাদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন

    শাহজাদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন

    আবু সুফিয়ান নোমান, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

    বিপুল উৎসাহ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম দিন ১লা বৈশাখ।

    এ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
    সকালে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাসফিকা হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে।
    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
    দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে শাহজাদপুরের ঐতিহাসিক রবীন্দ্র কাছারি বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যা নতুন বছরের আগমনে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়।

  • ঐতিহ্যবাহী চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার মাঠে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে লক্ষাধিক লোকের আগমের প্রত্যাশা

    ঐতিহ্যবাহী চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার মাঠে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে লক্ষাধিক লোকের আগমের প্রত্যাশা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    ১লা বৈশাখে ঐতিহ্যবাহী চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার মাঠে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে লক্ষাধিক লোকের আগমের প্রত্যাশা -কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চিৎমরম ৩নম্বর ইউনিয়ন বৌদ্ধ বিহার মাঠে ১লা বৈশাখ আগামী (১৫ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত হবে মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সাংগ্রাই জল উৎসব। এতে লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছেন সাংগ্রাঁই জল উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক উথোয়াই মং মারমা।

    তিনি জানান, বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ নানা বর্ণের মানুষের কাছে একটি পবিত্র তীর্থস্থান চিৎমরম। এইখানে রয়েছে শত বছরের চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার। প্রতিবছর বর্ষবরণ ও বর্ষ বিদায়কে ঘিরে বিহার সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় সাংগ্রাই জল উৎসব। এদিন মারমা যুবক যুবতিরা পরস্পরকে পানি ছিটানোর মাধ্যমে বিগত বছরের দুঃখ, গ্লানি, ব্যর্থতাকে দূরে ঠেলে দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেন।

    এছাড়া এদিন অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আলোচনা সভা এবং সাংগ্রাই শোভাযাত্রা । এতে প্রধান অতিথি উপস্থিত থাকবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। এতে উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য এ্যাডভোকেট চঞ্চু চাকমা।
    অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত থাকবেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।

    সাংগ্রাই জল উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব মংসুই উ মারমা জানান, ১৫ এপ্রিল মূল সাংগ্রাই জল উৎসব হলেও আগামী ১৩ এপ্রিল হতে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত তিনদিন বিহার প্রাঙ্গনে বসবে বৈশাখী মেলা। ব্যবসায়ীরা নানা প্রকার পসরা নিয়ে বসবে চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার মাঠে। এছাড়া নববর্ষকে ঘিরে বিহারে দায়ক দায়িকারা বৌদ্ধ পুজা, বৌদ্ধ মূর্তিকে স্নান, বয়স্কদের স্নান করানো সহ নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করবে। সাংগ্রাই জল উৎসব সফল করতে ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

  • ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে সবচেয়ে বড় জমজমাট মেহেদী উৎসব২০২৬

    ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে সবচেয়ে বড় জমজমাট মেহেদী উৎসব২০২৬

    নিজস্ব প্রতিনিধি: মোঃ আনোয়ার হোসেন।

    রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে জমে উঠেছে মেহেদী উৎসব।

    ২৭ রমজান থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন চলবে ৩০ রমজান পর্যন্ত।
    বিকেল থেকেই বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। উৎসবকে কেন্দ্র করে সরোবরের চারপাশে বসেছে মেহেদী আঁকার একাধিক স্টল। তরুণ-তরুণীরা তাদের পছন্দমতো নকশায় হাতে মেহেদী পরিয়ে নিচ্ছেন।
    পাশাপাশি রয়েছে নানা ধরনের খাবারের দোকান ও আকর্ষণীয় ফটোস্পট, যা দর্শনার্থীদের ভিড় আরও বাড়িয়েছে। ‘ফ্রেশ অনন্য’ এর উদ্যোগে আয়োজিত এই মেহেদী উৎসব চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত।
    এছাড়াও উৎসবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, গান ও আড্ডায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ। ঈদের আমেজ আগেভাগেই উপভোগ করতে অনেকেই বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার নিয়ে ভিড় করছেন এখানে।
    দর্শনার্থীরা জানান, এমন আয়োজন ব্যস্ত নগর জীবনে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয় এবং ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
    উৎসবটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন দিদার হোসেন পাটোয়ারী, ফারাবী নয়ন, নুর মোহাম্মদ বাপ্পি, ইমন খান ও ইয়াসির আরাফাত আয়নসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • কাপ্তাই পর্যটন কেন্দ্রে ব্যবসায় ধস  স্টাফদের বেতন দিতে পারছেনা 

    কাপ্তাই পর্যটন কেন্দ্রে ব্যবসায় ধস স্টাফদের বেতন দিতে পারছেনা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রে ব্যবসায়  ধ্বস।শ্রমিক -কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। পবিত্র রমজান মাসে কাপ্তাইয়ের চিত্রবিনোদন কেন্দ্র গুলো একদম ফাঁকা পড়ে আছে। যেন শুনশান নীরবতা। কোন,কোন সময় পবিত্র রমজান মাসেও দেশের বিভিন্ন জেলা হতে রাঙামাটি,কাপ্তাই উপজেলা, বিলাইছড়িতে পর্যটনে স্ব-স্ব পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসে।কিন্তু এবার তা একেবারে উল্টো তেমন কোন পর্যটন আসছেনা। কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলো ঘুরে  এবং কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানাযায়, এবার একেবারেই ব্যবসায় ধস নামছে। তেমন কোন পর্যটন এ মৌসুমে আসছেনা। কাপ্তাইয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় রিসোর্ট ও পর্যটন কেন্দ্র নিঃসর্গ পড  হাউস পরিচালক সরোয়ার হোসেন এবং আফছার উদ্দিন জানান, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে পর্যটন কেন্দ্রে কোন পর্যটক আসছেনা। বিনোদন কেন্দ্র গুলো একেবারে ফাঁকা। এতে করে ব্যবসায় চরম ধস নামছে। ব্যবসা না থাকায় কেন্দ্রে থাকা স্টাফ, কর্মচারীদের বেতন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও জানান অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার তেমন কোন পর্যটক আসছেনা। রমজান শেষে ঈদকে সামনে রেখে  কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ পক্ষ লাখ টাকা খরচ করে নিজস্ব বিনোদন কেন্দ্র গুলো নানা রঙে সজ্জিত ও আরও আকর্ষণীয় করে তৈরি করছে। মালিক পক্ষ বলছেন ঈদের পর ভালো ব্যবসা হবে বলে জানান।

  • কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পর্যন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা 

    কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পর্যন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।  

    কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পযন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রাঙামাটির পর্যটন, সৌন্দর্য পাহাড় লেক এবং খেলাধুলা,  সবুজায়ন,আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন  পৌরসভা গড়াই লক্ষ্য ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকাল ৮টায়  বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হতে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়-রাঙামাটি পৌরসভা পযন্ত ২৪কিলোমিটার।

    রাঙামাটি জেলা পৌরসভার আয়োজনে ৩শ’জন পুরুষ ও মহিলা  প্রতিযোগি এই ম্যারাথন দৌড়ে অংশগ্রহণ করে।

    পৌরসভা সুত্রে জানাযায় পুরুষ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় ১ম বিজয়ী পাবে দশ হাজার টাকা,২য় বিজয়ী আট হাজার টাকা এবং ৩য় বিজয়ী ছয় হাজার টাকা এবং মহিলা ১ম বিজয়ী দশ হাজার টাকা ২য় বিজয়ী আট হাজার টাকা এবং ৩য় বিজয়ী ৬হাজার টাকা এছাড়াও চল্লিশোধর্ব দৌড় প্রতিযোগি ১ম বিজয়ী পাবে ৫হাজার,২য় বিজয়ী ৪হাজার ও ৩য় বিজয়ী পুরস্কার পাবে ৩হাজার টাকা।

    ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন মোবারক হোসেন,উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার রাঙামাটি ও পৌর প্রশাসক রাঙামাটি পৌরসভা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেনসহ রাঙামাটি জেলা পৌরসভার নেতৃবৃন্দ।

    পৌরসভার উপপরিচালক বলেন,বিশ্বের নিকট রাঙামাটি সৌন্দর্য পর্যটক কাপ্তাই লেক সবুজ পাহাড়, বনায়নকে  আরো পরিচিত এবং সবুজায়ন,আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন লক্ষ্য আমাদের মূল উদ্দেশ্য এই ম্যারাথন।আশাকরি খেলাধুলার মাধ্যমে মনোনিবেশ করে সকলে সুস্থ থাকবে এটাই প্রত্যাশা।

    এসময় কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক রোভার স্কাউটস, কাপ্তাই বন বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা ও রেডক্রিসেন্ট ম্যারাথন দৌড়ে নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন।

  • ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে

    ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে

    বিনোদন প্রতিবেদক:

    ‎প্রাচীন গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিসের অমর সৃষ্টি ‘ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে- দৃশ্যকাব্য থিয়েটারের নতুন প্রযোজনায়। মানব নিয়তি, ভাগ্য ও আত্ম-চেতনার গভীর অনুসন্ধান নিয়ে রচিত এই শাশ্বত ট্র্যাজেডি এবার সমকালীন দর্শন থেকে নতুন ব্যাখ্যায় মঞ্চে উঠতে যাচ্ছে।

    ‎নাটকটির নির্দেশনায় রয়েছেন হাবিব মাসুদ। তিনি জানান, বোধকরি, সময় আমাদের চালিত করে। ইডিপাসকে মঞ্চে আনবার ক্ষেত্রেও বর্তমান সময়টি আমাকে ভাবিয়েছে। আজকের বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক বিরাট শূন্যতা অনুভব করি। মনে হয়েছে, অনন্ত রাত্রির ঘোর অন্ধকারে আমরা নিমজ্জিত-আমাদের কি কোনো নেতৃত্ব নেই? এই নিয়তি কি অনতিক্রম্য? প্রাচীন গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিস রচিত ইডিপাস আমার কাছে মনে হয়েছে নেতৃত্বহীনতায় নিমজ্জিত এক জনপদের গল্প। নিয়তিকে অতিক্রমের আর্তনাদ ইডিপাসকে মহান করে তোলে, কিন্তু সে নিয়তিকে জয় করতে পারে না। ক্লাসিকের শক্তি সর্বকালের-সর্বমানবের-তাই মূল পাঠে পরিবর্তন না করেও চরিত্র ও কোরাসের ব্যবহারে আমরা কিছু পরীক্ষণের প্রয়াস নিয়েছি। আশা করি, দৃশ্যকাব্য এর এই প্রযোজনা দর্শককে প্রাচীন থিবি নগরীর রাজপ্রাসাদে কিছুক্ষণের জন্য হলেও নিয়ে যাবে।


    ‎নাটকটির বাংলা অনুবাদ করেছেন সৈয়দ আলী আহসান।

    ‎ইডিপাস চরিত্রে অভিনয় করছেন এইচ এম মোতালেব। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকছেন ঝুমু মজুমদার, আহাদ বিন মুর্তজা, নাইমুল ইসলাম সিয়াম, মো. মুন্না মোল্লা, আশিকুল ইসলাম, রিমন সাহা, উৎপল চন্দ্র বর্মন, কান্তা কামরুন, ওমর ফারুক খান ফাহিম, পায়েল আহমেদ, আফরোজা বিথী, মো. রিয়াজুল করিম রিয়াজ, রিয়া হোসেন ও হীরালাল দাস। মিডিয়া সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন।

    ‎আলো, সংগীত ও মঞ্চসজ্জায় থাকছে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, যা দর্শকদের নিয়ে যাবে প্রাচীন থিবি নগরীর রহস্যময় আবহে।

    ‎দৃশ্যকাব্য এর প্রধান সম্পাদক এইচ এম মোতালেব জানান, সংস্কৃতিহীন জাতির কোনো পরিচয় নেই। নাটক শুধু বিনোদন নয়- এটি মানুষের চেতনাকে জাগিয়ে তোলে। দৃশ্যকাব্য শুরু থেকেই পেশাদার নাট্যচর্চার পথে এগিয়ে চলেছে, যদিও পথটি সহজ নয়। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীদের সমন্বয়ে ও সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় পেশাদার নাট্যচর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আমাদের স্লোগান- ‘আধাঁর কাটুক দৃশ্য ও উচ্চারণে’। নাটক দীর্ঘজীবী হোক।


    ‎নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী হবে ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়, এরপর ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৭টায়, রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে। পরবর্তী সময়ে নাটকটি দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রদর্শিত হবে।

    ‎মানব মনের গভীরতম দ্বন্দ্ব, সত্য অনুসন্ধানের যন্ত্রণা ও নিয়তির অনিবার্য পরিণতি- সব মিলিয়ে ‘ইডিপাস’ এবারও দর্শকদের ভাবাবে, কাঁপাবে এবং প্রশ্ন তুলবে-আমরা আসলে কতটা নিজের নিয়তির নিয়ন্ত্রক?