Category: জাতীয়

  • তারেক রহমানের আদর্শকে লালন করে আমি মানুষের ভালোবাসার ভোটে এমপি হতে চাই- খোকন তালুকদার

    তারেক রহমানের আদর্শকে লালন করে আমি মানুষের ভালোবাসার ভোটে এমপি হতে চাই- খোকন তালুকদার

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধি ।

    মাদারীপুর- ৩ আসনের ধানেরশীষের এমপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির সহ-গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার বলেন তারেক রহমান এর আদর্শকে লালন করে আমি মানুষের ভালোবাসার ভোটে এমপি হতে চাই। তিনি আরো বলেন আপনারা তারেক রহমান এর এর বক্তব্য শুনেছেন তিনি কোন প্রতিহিংসায় বিশ্বাস করেনা তাই আমরা প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নই। আমরা সকলকে নিয়ে একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠন করতে চাই।
    মাদারীপুরের কালকিনিতে সাহেবরামপুর হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অথিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারী) বিকাল ৪ টায় সাবেবরামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহিম মুরাদ সরদার এর সভাপতিত্বে সাহেবরামপুর হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল কন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান পলাশ, কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন মুন্সি, সবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দীয় সদস্য হুমায়ুন কবির শিপন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি এমি এম মাহমুদ আলম সরদার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিকুর রহমান সাদিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি কামরুজ্জান নাহিন প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন আপনারা যদি আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনকে ধানেরশীষে একটি ভোট দেন সেই ভোটটি দেওয়া হবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে। তাই বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ধানেরশীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে দেশ ও জনগনের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য ভোটারদেরকে আহ্বান জানান।

  • কাপ্তাইয়ে প্রিজাইডিং সহকারী প্রিজাইডি ও পোলিং অফিসারদের  দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায়

    কাপ্তাইয়ে প্রিজাইডিং সহকারী প্রিজাইডি ও পোলিং অফিসারদের  দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায়

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন  রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী ।

    তিনি  বলেন সকল ভয় ভীতি  উপেক্ষা করে আপনাদের নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে হবে। আপনারা একটা নজিরবিহীন নির্বাচন জাতিকে উপহার দিবেন। আমরা সকল ধরনের আইনশৃঙ্খলা আপনাদের নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুত রাখেছি।

    রবিবার দুপুর ১টায় নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এর আয়োজনে এবং রাঙামাটি সিনিয়র নির্বাচন অফিস ও কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচন অফিসের  বাস্তবায়নে কাপ্তাই কর্ণফুলী  সরকারি কলেজ এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা উপরোক্ত বক্তব্যে রাখেন ।

    কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচন অফিসার মিতা পারিয়ালের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মো.আব্দুর রাকিব পিপিএম, তিনি বলেন,আগামি ১২ ফেব্রুয়ারি ২৬ইং তারিখ আপনেরা নিজ দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করবেন।

    আমরা নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাদের দিব।এসময় কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, কাপ্তাই এএসপি সার্কেল জাহেদুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো.শফিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন। এসময় কাপ্তাই সহকারী কমিশনার ভূমি নেলী রুদ্র, কাপ্তাই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান রুবেল,  চন্দ্রঘোনা  থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেকর আহমেদসহ বিভিন্ন দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার মোট ৩৩৫জন প্রশিক্ষণ নেন।

  • কাপ্তাই জয়কালী মন্দিরের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী শুরু

    কাপ্তাই জয়কালী মন্দিরের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী শুরু

    কাপ্তাই (রাঙামাটি)প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির   কাপ্তাই লগগেইট জয়কালী মন্দিরের দুই দিনব্যাপী ২৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী শুরু হয়েছে।

    রবিবার (২৫ জানুয়ারি) হতে  মন্দির প্রাঙ্গনে শুরু হয়েছে ২ দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা।

    মঙ্গল প্রদীপ প্রোজ্জ্বলন,মাঙ্গলিক পূজার্চ্চনা,ভক্তিমূলক সঙ্গীত প্রতিযোগিতা,ভক্তিমূলক নৃত্য প্রতিযোগিতা,পুরস্কার বিতরণ,মহতী ধর্মসভা এবং শুভ অধিবাস কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়। কাপ্তাই শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ঝুলন দত্ত ও শিল্পি বাঁধন চক্রবর্তী পূজা অপূর্ব সঞ্চলনায় মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি ডাঃ কল্যাণ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে কাপ্তাই জয়কালী মন্দিরের পরিচালনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা সমলেন্দু বিকাশ দাশ।

    প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী বেতার ও টিভি শিল্পী মো: রফিক,  বিশিষ্ট পদাবলী কীর্তনীয়া শিল্পী উর্মি বণিক,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডাঃ সুপণ বিশ্বাস ও টেলিভিশন শিল্পী লিপি দাশ। নৃত্যে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট নৃত্য প্রশিক্ষক সঙ্গীতা দত্ত এ্যানি, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী প্রিয়ন্তি ধর, বিন্তি ধর ও সারা সরকার।   ধর্মসম্মেলনে শুরুতে মঙ্গল প্রদীপ প্রোজ্জ্বলন করেন জয়কালী মন্দিরের সাবেক সভাপতি সমীর প্রসাদ ধর। এ সময়  মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রশান্ত ধর, সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ ধর পিন্টু, উৎসব উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দাশ, অর্থ সম্পাদক সাধন দাশ, মন্দির পরিচালনা কমিটির অর্থ সম্পাদক প্রদীপ দাশ,উপদেষ্টা রতন সেন সহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    একইদিন বিকেল ৫ টায় ধর্মীয় আলোচনা সভায়  প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে কালী-কৃষ্ণতত্ত্বালোচনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় মাতৃভক্তি উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ধর্মতত্ত্ববিদ্ গীতানুধ্যায়ী ডাঃ সুপণ বিশ্বাস শঙ্করেশ।

    ধর্মসভা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে রাঙ্গুনিয়া শিলক গৌরাঙ্গ বাড়ি সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীল স্বরূপ দাস বাবাজীর পৌরহিত্যে  অধিবাস কীর্তন পরিবেশন করেন বিশিষ্ট অধিবাস কীর্তনীয়া ছোটন সরকার। পরদিন ২৬ জানুয়ারি সোমবার ব্রহ্মমুহুর্ত্ব হতে শুরু হবে  ভূবণমঙ্গল শ্রীশ্রীতারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ।

  • সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার আহ্বান

    সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার আহ্বান

    স্টাফ রিপোর্টার।

    সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে বিএমএসএফ’র বরিশালের বাকেরগঞ্জ শাখার আয়োজনে স্টেডিয়াম প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সমাবেশের উদ্বোধনী সভায় তিনি এ আহ্বান করেন।

    সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর আরও বলেছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকতার ধরন ও চ্যালেঞ্জ বদলাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তার এবং ভুয়া তথ্যের ঝুঁকি মোকাবেলায় সাংবাদিকদের আরও দক্ষ, সচেতন ও প্রশিক্ষিত হওয়া জরুরি। এ জন্য রাজধানীকেন্দ্রিক প্রশিক্ষণের পরিবর্তে বিভাগীয় পর্যায়ে স্থায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

    তিনি আরও বলেন, সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষের প্রশিক্ষণের জন্য বিভাগ কিংবা জেলা পর্যায়েও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। কিন্তু গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য ঢাকা কেন্দ্রীক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে, যা অপ্রতূল। ফলে মফস্বল পর্যায়ের অনেক সাংবাদিক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও আধুনিক জ্ঞান থেকে বঞ্চিত থাকেন।

    ফলে তারা পেশাগত ঝুঁকি, আইনি জটিলতা এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়েন। বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠলে সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই, ডিজিটাল নিরাপত্তা, গণমাধ্যম আইন ও নৈতিকতা বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    বিএমএসএফ সভাপতি আরও বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ ছাড়া সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণে রাষ্ট্র, গণমাধ্যম মালিক এবং পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ। তিনি সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবির পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

    প্রধান বক্তা ছিলেন বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভপতি জিয়াউদ্দিন তৌহিদ, যুগ্ন সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, আরিফ রহমান, সহ-সম্পাদক এম আমির হোসাইন, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার, বিএমএসএফ’র বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন মৃধা, সাংবাদিক
    নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য জামাল হোসেন খান, বরিশাল জেলা উত্তর কমিটির সভাপতি এসএম মিজান, বাকেরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক আতাউর রহমান রোমান।

    বিএমএসএফ’র বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি জিয়াউল হক আকনের সভাপতিত্বে পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এসএম পলাশ।

    বক্তারা সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষা, পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণভিত্তিক সাংবাদিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    সবশেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ওপেন কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • কাউখালীতে সাংবাদিকদের সাথে সেনাবাহিনীর মত বিনিময়

    কাউখালীতে সাংবাদিকদের সাথে সেনাবাহিনীর মত বিনিময়

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উপজেলার আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার লক্ষে, উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    কাউখালী সরকারি মহাবিদ্যালয়ে অবস্থানরত সেনাবাহিনী ক্যাম্পের হলরুমে, ২৪শে জানুয়ারী(শনিবার) সকাল ১০ ঘটিকার সময় মেজর এস এম খালেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে, এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    ঘন্টাব্যাপী এ আলোচনা সভায় সাংবাদিকবৃন্দ উপজেলার আইন শৃঙ্খলা রক্ষায়, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরতে গিয়ে, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক পরিবহনে অবাধ মোটর সাইকেলের ব্যবহার,শহরের ছোট রাস্তার মধ্যে ভারী টমটম প্রবেশে যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি,অটোস্ট্যান্ডগুলোতে অটোগুলোর এলোপাতাড়ি অবস্থান,ফুটপাথ দখল করে পন্যসামগ্রী বিক্রয়ে যানচলাচলে অচলাবস্থার কথা তুলে ধরেন।
    তারা আরও বলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই আপামর জনগোষ্ঠীর নির্ভরযোগ্য ও আস্থার কেন্দ্রস্থল। যার বাস্তব প্রতিফলন ইতিমধ্যে কাউখালীতে তাদের পেশাদারিত্ব দক্ষতা ও সামাজিক কর্মকান্ড,বিশেষ করে এই এলাকার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতের কাপড় বিতরনসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষায়,বীরদর্পে অপারেশন পরিচালনা, আমাদেরকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী নির্বাচনেও তারা তাদের বলিষ্ঠ অবদান রাখবেন।
    পরিশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি মেজর এস এম খালেদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন কাউখালী উপজেলায় একটি অবাধ,সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য,আমরা কাউখালীতে অবস্থান করছি। এই এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা বদ্ধ পরিকর।
    তিনি আরও বলেন,মাদক পরিবহনে মোটরসাইকেলের ব্যবহার ও অনিবন্ধিত যানবাহনরোধে অভিযান পরিচালনায়, ইতিমধ্যে আমরা গত দুইদিনে ৭টি মামলায় মোট =৪৩,০০০/- টাকা জরিমানা এবং দুইটি মোটরসাইকেল ও একটি গাড়ি আটক করেছি। যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা রক্ষায় অটো মালিক সমিতির সাথে ফলপ্রসূ বৈঠক করাসহ, হাটবাজার নিয়ন্ত্রণে বাজার কমিটির সাথেও বৈঠক করেছেন বলে জানান। ভবিষ্যতেও আমাদের এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে উপজেলার সকল ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ব্যক্তিদের তথ্য, এছাড়া অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারকারীদের সন্ধান চেয়ে এবং এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কামনা করে, সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ক্যাপ্টেন মোঃ রাশাদ,সার্জেন্ট খায়রুল ও সার্জেন্ট মোহাম্মদুল্লাহ প্রমুখ।

  • কাপ্তাই সাপ্তাহিক পাহাড়ি -বাঙালি হাটবারে বিএনপির লিফলেট বিতরণ 

    কাপ্তাই সাপ্তাহিক পাহাড়ি -বাঙালি হাটবারে বিএনপির লিফলেট বিতরণ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি ২৯৯নং আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সাপ্তাহিক পাহাড়ি -বাঙালি হাটবারে লিফলেট বিতরণ করছ।

    শনিবার সকাল হতে কাপ্তাই আপষ্ট্রিম জেটিঘাট সাপ্তাহিক বাজারে কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ হতে ধানের শীর্ষ মার্কায় ভোট চেয়ে নেতা কর্মী সাধারণ ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করছে।

    দূর্গম পাহাড় থেকে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে আগামি ১২ফেব্রুয়ারি২৬ইং তারিখ ধানের শীর্ষ মার্কায় ভোট প্রার্থনা করে। সাপ্তাহিক বাজারে আগত ক্রেতা -বিক্রেতারা আগ্রহ সহকারে লিফলেট গ্রহণ করছে।

    কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সদস্য সচিব দিলদার হোসেন, এবং জাফর আহমেদ স্বাপন, ইকরাম হোসেন বেলাল,আবু বক্কর ছিদ্দিক,   কবিরুল ইসলাম কবির, কামাল হাকিম, শাহাবুদ্দীন,ফয়েজ আহমেদ, সালাউদ্দীন রুবেল, ইমাম উদ্দিন, মোরশেদ আলম,আব্দুল্লাহ আল  মামুন,মহরম,রাশেদসহ নেতা কর্মী এসময় উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে লিফলেট বিতরণ করতে দেখা যায়।

    কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লোকমান আহমেদ জানান, আগামি ১২ফেব্রুয়ারি ২৬ইং তারিখ আমাদের ধানের শীর্ষ মার্কা পথিকদের ভোটে ইনশাআল্লাহ বিজয় হবে বলে জানান।

  • দূর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে দাড়িপাল্লায় ভোট দিনঃ শামীম সাঈদী

    দূর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে দাড়িপাল্লায় ভোট দিনঃ শামীম সাঈদী

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক মনোনীত ও জোট সমর্থিত, পিরোজপুর-২(ভান্ডারিয়া-কাউখালী-নেছারাবাদ) আসনের প্রার্থী শামীম সাঈদী তার নির্বাচনী প্রচারনায়, উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে দেশ ও জাতিকে দূর্নীতিমুক্ত করতে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।
    ২৩শে জানুয়ারী(শুক্রবার) বিকাল ৪ ঘটিকায় উপজেলার ৩নং সদর ইউনিয়নের দাসেরকাঠীতে উঠোন বৈঠকে, বক্তব্য প্রদানের এক পর্যায়ে তিনি একথা বলেন ।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ কাউখালী উপজেলা শাখার সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মোঃ হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন,দেশকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে কোরআনের আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। আর এটা বাস্তবায়ন করতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থীকে জয়যুক্ত করতে হবে।

    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, ৪নং চিড়াপারা পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের সেক্রেটারী জেনারেল হাফেজ খলিলুর রহমান, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ নুরুল হক, জাতীয় ইমাম সমিতির উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক,১নং ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ জামিরুল হক সহ দলটির বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নেতা কর্মী সমর্থকবৃন্দ।

  • ২৯৯আসনে  বিজয়ী হলে কাপ্তাইকে মৌজা বাস্তবায়নসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে -এ্যাড দীপেন দেওয়ান 

    ২৯৯আসনে  বিজয়ী হলে কাপ্তাইকে মৌজা বাস্তবায়নসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে -এ্যাড দীপেন দেওয়ান 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ১২ফেব্রুয়ারি২০২৬ শুভ দিন মিলেমিশে  ধানের শীর্ষে ভোট দিন। দেশনায়ক তারেক জিয়ার শুভ দিন ধানের শীর্ষে ভোট দিন।দেশ উন্নয়নে মার্কা ধানের শীর্ষ মার্কা।

    ২৯৯নং আসন পার্বত্য চট্টগ্রাম  রাঙামাটিতে আমাকে ধানের শীর্ষ মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা হলে  কাপ্তাই উপজেলায় ইপিজেডস্থাপন, মৌজা বাস্তবায়ন,রাইখালী নদীর ওপর ব্রিজ, কর্ণফুলী কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর, পর্যটনখাতে উন্নয়ন,  কেপিএম বন্ধ রেওয়ন মিল চালুসহ সকল উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

    বৃহস্পতিবার (২২জানুয়ারী২৬)বিকাল ৩টায় কাপ্তাই উপজেলা কর্ণফুলী স্টেডিয়াম মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে  উপরোক্ত  বক্তব্যে  রাখেন রাঙ্গামাটি ২৯৯নং সংসদীয় আসনের  ধানের শীর্ষ মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির  ধর্ম বিষয়ক সহসম্পাদক এ্যাড. দীপেন দেওয়ান।

    তিনি আরও জানান, ১২ফেব্রুয়ারি বিপুল ভোটে  ধানের শীর্ষ মার্কা  বিজয়ী করার জন্য প্রস্তুত হউন। নির্বাচিত হলে  আমরা পার্বত্যঞ্চলে শান্তিসহ   আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে  কাজ করব। এবং সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রতি ঐক্য বজয় থাকবে বলে জানান।কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালোনা কমিটির আয়োজনে এবং কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালোনা কমিটির সদস্য সচিব মো দিলদার হোসেনের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লোকমান আহমেদ।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো ইয়াছিন মামুন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপু তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড.মামুনুর রশীদ, বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল মনিষ দেওয়ান,সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী মৈত্রী চাকমা,   কেন্দ্রীয় নেতা সাথী ঊষা কুমার বড়ুয়া, জেলা ছাত্র দল নেতা আলী আকবর সুমন,যুবদল সম্পাদক আবু শাহাদাত সাইম,জেলা শ্রমিক দল সভাপতি মোঃ মমতাজ উদ্দিন,জেলা বিএনপির যুগ্নসম্পাদক আলী বাবর,কাপ্তাই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা ডাঃ রহমত উল্লাহ, এ্যাড.সাইফুল ইসলাম পনির, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ স্বাপন,  সাবেক জেলা ছাত্র নেতা সাইফুল ইসলাম ভুট্টো,সহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ আরো বক্তব্য রাখেন। এসময়  কাপ্তাই উপজেলার বিএনপির পাঁচ ইউনিয়ন হতে নেতাকর্মী মিছিল করে জনসভায় আসে। এর আগে কাপ্তাই উপজেলার ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নের সাপছড়ি উপর পাহাড় অজিত কুমার তনচংগ্যার নেতৃত্বে ৫০জন কর্মী এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের হাতে  ধানের শীর্ষ হাতে নিয়ে যোগদান করে।

  • প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের
    নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ, আলোচনা অনুষ্ঠান, সংবাদ সম্মেলন কিংবা বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক আয়োজনে সংবাদ কাভারেজের জন্য আমন্ত্রিত সাংবাদিকদের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দের রীতি একসময় প্রচলিত ছিল। এই আলাদা টেবিল বা নির্ধারিত জায়গাটিই পরিচিত ছিল ‘প্রেস টেবিল’ নামে। এটি কেবল বসার স্থান নয়, বরং সাংবাদিকদের পেশাগত পরিচয় ও নিরাপত্তার একটি স্বীকৃত কাঠামো ছিল। তা এখন সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাটি অনেকটাই হারিয়ে গেছে। আজকের বাস্তবতায় প্রেস টেবিলের অনুপস্থিতি সাংবাদিকতার জন্য একটি নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। অথচ এই প্রেস টেবিল কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার প্রতীক।

    বর্তমানে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আয়োজনে সাংবাদিকদের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সংবাদকর্মীরা বাধ্য হচ্ছেন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভিড়ে, কখনো মঞ্চের একেবারে পাশে, কখনো বা কর্মীদের ঘাড়ে ঘাড় মিলিয়ে দাঁড়িয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে। এমন পরিস্থিতিতে একজন পেশাদার সাংবাদিকের নিরপেক্ষতা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তেমনি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও পড়ে চরম ঝুঁকিতে। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিকের জন্য এ ধরনের পরিবেশ শুধু বিব্রতকরই নয়, অনেক ক্ষেত্রে তা অবমাননাকর এবং অসহনীয়ও বটে।

    ঝুঁকির মুখে সাংবাদিকতা: ইতিপূর্বে বহু রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে সংবাদ কাভারেজ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা বিদ্বেষমূলক আচরণ, হেনস্তা এমনকি শারীরিক আক্রমণের শিকার হয়েছেন, এমন নজির নতুন নয়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে একই সারিতে অবস্থানের কারণে অনেক সময় সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও এমনভাবে ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য ‘কাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি স্থিরচিত্র বা কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও একজন সাংবাদিককে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করতে যথেষ্ট। বাস্তবে নিরপেক্ষ থাকলেও এসব বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনার দায় শেষ পর্যন্ত সাংবাদিককেই বহন করতে হয়।

    বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আমরা দেখেছি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী না হয়েও শুধুমাত্র কোনো একটি ফ্রেমে বা ভিডিওতে উপস্থিত থাকার কারণে বহু সাংবাদিক হামলা, মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়া একজন সাংবাদিকের জন্য চরম দুর্ভাগ্যজনক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্যও অশনিসংকেত।

    প্রেস টেবিল থাকলে এ বিপর্যয় এড়ানো যেত:রাজনৈতিক দলগুলোর আয়োজনে যদি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট ‘প্রেস টেবিল’ বা আলাদা মিডিয়া জোন রাখা হতো, তবে সাংবাদিকদের এমন করুণ পরিণতির মুখোমুখি হতে হতো না। এতে একদিকে যেমন সংবাদ সংগ্রহ হতো সহজ, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার পরিবেশে, অন্যদিকে সাংবাদিকদের দলীয় পরিচয়ের অপবাদ থেকেও মুক্ত রাখা যেত।

    প্রেস টেবিল সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর পেশাদার দূরত্ব তৈরি করে, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে অত্যন্ত জরুরি। এই দূরত্ব সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সাহস জোগায় এবং রাজনৈতিক দলগুলোকেও গণমাধ্যমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বাধ্য করে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ঝুঁকিও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

    দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা এখনো বেঁচে আছে:এখনো দেশে বহু দল নিরপেক্ষ সাংবাদিক রয়েছেন, যারা কোনো রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন বা সহযোগী শক্তি না হয়েও সততা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের কাছে রাজনৈতিক দলের আয়োজনে এই অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও অসচেতনতা চরম হতাশাজনক এবং অসহনীয়।

    রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ; গণমাধ্যমকে প্রতিপক্ষ কিংবা সুবিধাভোগী হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করুন। সাংবাদিকরা কোনো দলের মুখপাত্র নন, আবার শত্রুও নন। তারা সমাজের দর্পণ—যেখানে ভালো-মন্দ উভয় চিত্রই প্রতিফলিত হয়।

    রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ: আমরা আশা করবো, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এ বিষয়টি আন্তরিকভাবে বিবেচনা করবেন এবং ভবিষ্যতে সকল রাজনৈতিক আয়োজনে গণমাধ্যমের জন্য আলাদা প্রেস টেবিল বা নির্ধারিত স্থান নিশ্চিত করবেন। এটি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি একটি সুস্থ, সহনশীল ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও সহায়ক হবে।

    সবশেষ কথা, প্রেস টেবিল কোনো বিলাসিতা নয়—এটি সাংবাদিকতার ন্যূনতম অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করা মানেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা।

    লেখক: আহমেদ আবু জাফর সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম , ০১৭১২৩০৬৫০১ , জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিঃ

  • শাহ্জীবাজার–সুতাং সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

    শাহ্জীবাজার–সুতাং সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

    এইচ আর রুবেল :

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের শাহ্জীবাজার সুতাংয়ের প্রধান সড়কের বেহাল দশা এখন এলাকাবাসীর নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও ভাঙা অংশে বর্ষাকাল না হলেও নিয়মিত পানি জমে থাকছে, যা চলাচলে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন অবস্থার কোনো কার্যকর সংস্কার হয়নি। পানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে।

    এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী সুমন মোদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরেন। তাঁর সেই পোস্টে অনেকেই মন্তব্য করে একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

    মন্তব্যকারীদের অধিকাংশই বলেন, সড়কের পাশের ড্রেনেজ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকায় পানি বের হতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই কিংবা বৃষ্টি ছাড়াই রাস্তায় পানি জমে থাকছে। তারা মনে করেন, আগে ড্রেন মেরামত করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে, তারপর সড়কটি সংস্কার করলে স্থায়ী সমাধান হবে।

    এলাকাবাসী দ্রুত ড্রেন মেরামতসহ সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা আশা করছেন, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।