Category: জাতীয়

  • কাউখালীতে সাংবাদিকদের সাথে সেনাবাহিনীর মত বিনিময়

    কাউখালীতে সাংবাদিকদের সাথে সেনাবাহিনীর মত বিনিময়

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উপজেলার আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার লক্ষে, উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    কাউখালী সরকারি মহাবিদ্যালয়ে অবস্থানরত সেনাবাহিনী ক্যাম্পের হলরুমে, ২৪শে জানুয়ারী(শনিবার) সকাল ১০ ঘটিকার সময় মেজর এস এম খালেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে, এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    ঘন্টাব্যাপী এ আলোচনা সভায় সাংবাদিকবৃন্দ উপজেলার আইন শৃঙ্খলা রক্ষায়, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরতে গিয়ে, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক পরিবহনে অবাধ মোটর সাইকেলের ব্যবহার,শহরের ছোট রাস্তার মধ্যে ভারী টমটম প্রবেশে যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি,অটোস্ট্যান্ডগুলোতে অটোগুলোর এলোপাতাড়ি অবস্থান,ফুটপাথ দখল করে পন্যসামগ্রী বিক্রয়ে যানচলাচলে অচলাবস্থার কথা তুলে ধরেন।
    তারা আরও বলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই আপামর জনগোষ্ঠীর নির্ভরযোগ্য ও আস্থার কেন্দ্রস্থল। যার বাস্তব প্রতিফলন ইতিমধ্যে কাউখালীতে তাদের পেশাদারিত্ব দক্ষতা ও সামাজিক কর্মকান্ড,বিশেষ করে এই এলাকার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতের কাপড় বিতরনসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষায়,বীরদর্পে অপারেশন পরিচালনা, আমাদেরকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী নির্বাচনেও তারা তাদের বলিষ্ঠ অবদান রাখবেন।
    পরিশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি মেজর এস এম খালেদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন কাউখালী উপজেলায় একটি অবাধ,সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য,আমরা কাউখালীতে অবস্থান করছি। এই এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা বদ্ধ পরিকর।
    তিনি আরও বলেন,মাদক পরিবহনে মোটরসাইকেলের ব্যবহার ও অনিবন্ধিত যানবাহনরোধে অভিযান পরিচালনায়, ইতিমধ্যে আমরা গত দুইদিনে ৭টি মামলায় মোট =৪৩,০০০/- টাকা জরিমানা এবং দুইটি মোটরসাইকেল ও একটি গাড়ি আটক করেছি। যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা রক্ষায় অটো মালিক সমিতির সাথে ফলপ্রসূ বৈঠক করাসহ, হাটবাজার নিয়ন্ত্রণে বাজার কমিটির সাথেও বৈঠক করেছেন বলে জানান। ভবিষ্যতেও আমাদের এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে উপজেলার সকল ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ব্যক্তিদের তথ্য, এছাড়া অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারকারীদের সন্ধান চেয়ে এবং এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কামনা করে, সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ক্যাপ্টেন মোঃ রাশাদ,সার্জেন্ট খায়রুল ও সার্জেন্ট মোহাম্মদুল্লাহ প্রমুখ।

  • কাপ্তাই সাপ্তাহিক পাহাড়ি -বাঙালি হাটবারে বিএনপির লিফলেট বিতরণ 

    কাপ্তাই সাপ্তাহিক পাহাড়ি -বাঙালি হাটবারে বিএনপির লিফলেট বিতরণ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি ২৯৯নং আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সাপ্তাহিক পাহাড়ি -বাঙালি হাটবারে লিফলেট বিতরণ করছ।

    শনিবার সকাল হতে কাপ্তাই আপষ্ট্রিম জেটিঘাট সাপ্তাহিক বাজারে কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ হতে ধানের শীর্ষ মার্কায় ভোট চেয়ে নেতা কর্মী সাধারণ ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করছে।

    দূর্গম পাহাড় থেকে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে আগামি ১২ফেব্রুয়ারি২৬ইং তারিখ ধানের শীর্ষ মার্কায় ভোট প্রার্থনা করে। সাপ্তাহিক বাজারে আগত ক্রেতা -বিক্রেতারা আগ্রহ সহকারে লিফলেট গ্রহণ করছে।

    কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সদস্য সচিব দিলদার হোসেন, এবং জাফর আহমেদ স্বাপন, ইকরাম হোসেন বেলাল,আবু বক্কর ছিদ্দিক,   কবিরুল ইসলাম কবির, কামাল হাকিম, শাহাবুদ্দীন,ফয়েজ আহমেদ, সালাউদ্দীন রুবেল, ইমাম উদ্দিন, মোরশেদ আলম,আব্দুল্লাহ আল  মামুন,মহরম,রাশেদসহ নেতা কর্মী এসময় উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে লিফলেট বিতরণ করতে দেখা যায়।

    কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লোকমান আহমেদ জানান, আগামি ১২ফেব্রুয়ারি ২৬ইং তারিখ আমাদের ধানের শীর্ষ মার্কা পথিকদের ভোটে ইনশাআল্লাহ বিজয় হবে বলে জানান।

  • দূর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে দাড়িপাল্লায় ভোট দিনঃ শামীম সাঈদী

    দূর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে দাড়িপাল্লায় ভোট দিনঃ শামীম সাঈদী

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক মনোনীত ও জোট সমর্থিত, পিরোজপুর-২(ভান্ডারিয়া-কাউখালী-নেছারাবাদ) আসনের প্রার্থী শামীম সাঈদী তার নির্বাচনী প্রচারনায়, উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে দেশ ও জাতিকে দূর্নীতিমুক্ত করতে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।
    ২৩শে জানুয়ারী(শুক্রবার) বিকাল ৪ ঘটিকায় উপজেলার ৩নং সদর ইউনিয়নের দাসেরকাঠীতে উঠোন বৈঠকে, বক্তব্য প্রদানের এক পর্যায়ে তিনি একথা বলেন ।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ কাউখালী উপজেলা শাখার সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মোঃ হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন,দেশকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে কোরআনের আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। আর এটা বাস্তবায়ন করতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থীকে জয়যুক্ত করতে হবে।

    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, ৪নং চিড়াপারা পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের সেক্রেটারী জেনারেল হাফেজ খলিলুর রহমান, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ নুরুল হক, জাতীয় ইমাম সমিতির উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক,১নং ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ জামিরুল হক সহ দলটির বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নেতা কর্মী সমর্থকবৃন্দ।

  • ২৯৯আসনে  বিজয়ী হলে কাপ্তাইকে মৌজা বাস্তবায়নসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে -এ্যাড দীপেন দেওয়ান 

    ২৯৯আসনে  বিজয়ী হলে কাপ্তাইকে মৌজা বাস্তবায়নসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে -এ্যাড দীপেন দেওয়ান 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ১২ফেব্রুয়ারি২০২৬ শুভ দিন মিলেমিশে  ধানের শীর্ষে ভোট দিন। দেশনায়ক তারেক জিয়ার শুভ দিন ধানের শীর্ষে ভোট দিন।দেশ উন্নয়নে মার্কা ধানের শীর্ষ মার্কা।

    ২৯৯নং আসন পার্বত্য চট্টগ্রাম  রাঙামাটিতে আমাকে ধানের শীর্ষ মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা হলে  কাপ্তাই উপজেলায় ইপিজেডস্থাপন, মৌজা বাস্তবায়ন,রাইখালী নদীর ওপর ব্রিজ, কর্ণফুলী কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর, পর্যটনখাতে উন্নয়ন,  কেপিএম বন্ধ রেওয়ন মিল চালুসহ সকল উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

    বৃহস্পতিবার (২২জানুয়ারী২৬)বিকাল ৩টায় কাপ্তাই উপজেলা কর্ণফুলী স্টেডিয়াম মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে  উপরোক্ত  বক্তব্যে  রাখেন রাঙ্গামাটি ২৯৯নং সংসদীয় আসনের  ধানের শীর্ষ মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির  ধর্ম বিষয়ক সহসম্পাদক এ্যাড. দীপেন দেওয়ান।

    তিনি আরও জানান, ১২ফেব্রুয়ারি বিপুল ভোটে  ধানের শীর্ষ মার্কা  বিজয়ী করার জন্য প্রস্তুত হউন। নির্বাচিত হলে  আমরা পার্বত্যঞ্চলে শান্তিসহ   আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে  কাজ করব। এবং সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রতি ঐক্য বজয় থাকবে বলে জানান।কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালোনা কমিটির আয়োজনে এবং কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালোনা কমিটির সদস্য সচিব মো দিলদার হোসেনের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লোকমান আহমেদ।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো ইয়াছিন মামুন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপু তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড.মামুনুর রশীদ, বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল মনিষ দেওয়ান,সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী মৈত্রী চাকমা,   কেন্দ্রীয় নেতা সাথী ঊষা কুমার বড়ুয়া, জেলা ছাত্র দল নেতা আলী আকবর সুমন,যুবদল সম্পাদক আবু শাহাদাত সাইম,জেলা শ্রমিক দল সভাপতি মোঃ মমতাজ উদ্দিন,জেলা বিএনপির যুগ্নসম্পাদক আলী বাবর,কাপ্তাই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা ডাঃ রহমত উল্লাহ, এ্যাড.সাইফুল ইসলাম পনির, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ স্বাপন,  সাবেক জেলা ছাত্র নেতা সাইফুল ইসলাম ভুট্টো,সহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ আরো বক্তব্য রাখেন। এসময়  কাপ্তাই উপজেলার বিএনপির পাঁচ ইউনিয়ন হতে নেতাকর্মী মিছিল করে জনসভায় আসে। এর আগে কাপ্তাই উপজেলার ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নের সাপছড়ি উপর পাহাড় অজিত কুমার তনচংগ্যার নেতৃত্বে ৫০জন কর্মী এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের হাতে  ধানের শীর্ষ হাতে নিয়ে যোগদান করে।

  • প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের
    নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ, আলোচনা অনুষ্ঠান, সংবাদ সম্মেলন কিংবা বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক আয়োজনে সংবাদ কাভারেজের জন্য আমন্ত্রিত সাংবাদিকদের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দের রীতি একসময় প্রচলিত ছিল। এই আলাদা টেবিল বা নির্ধারিত জায়গাটিই পরিচিত ছিল ‘প্রেস টেবিল’ নামে। এটি কেবল বসার স্থান নয়, বরং সাংবাদিকদের পেশাগত পরিচয় ও নিরাপত্তার একটি স্বীকৃত কাঠামো ছিল। তা এখন সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাটি অনেকটাই হারিয়ে গেছে। আজকের বাস্তবতায় প্রেস টেবিলের অনুপস্থিতি সাংবাদিকতার জন্য একটি নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। অথচ এই প্রেস টেবিল কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার প্রতীক।

    বর্তমানে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আয়োজনে সাংবাদিকদের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সংবাদকর্মীরা বাধ্য হচ্ছেন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভিড়ে, কখনো মঞ্চের একেবারে পাশে, কখনো বা কর্মীদের ঘাড়ে ঘাড় মিলিয়ে দাঁড়িয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে। এমন পরিস্থিতিতে একজন পেশাদার সাংবাদিকের নিরপেক্ষতা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তেমনি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও পড়ে চরম ঝুঁকিতে। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিকের জন্য এ ধরনের পরিবেশ শুধু বিব্রতকরই নয়, অনেক ক্ষেত্রে তা অবমাননাকর এবং অসহনীয়ও বটে।

    ঝুঁকির মুখে সাংবাদিকতা: ইতিপূর্বে বহু রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে সংবাদ কাভারেজ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা বিদ্বেষমূলক আচরণ, হেনস্তা এমনকি শারীরিক আক্রমণের শিকার হয়েছেন, এমন নজির নতুন নয়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে একই সারিতে অবস্থানের কারণে অনেক সময় সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও এমনভাবে ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য ‘কাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি স্থিরচিত্র বা কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও একজন সাংবাদিককে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করতে যথেষ্ট। বাস্তবে নিরপেক্ষ থাকলেও এসব বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনার দায় শেষ পর্যন্ত সাংবাদিককেই বহন করতে হয়।

    বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আমরা দেখেছি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী না হয়েও শুধুমাত্র কোনো একটি ফ্রেমে বা ভিডিওতে উপস্থিত থাকার কারণে বহু সাংবাদিক হামলা, মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়া একজন সাংবাদিকের জন্য চরম দুর্ভাগ্যজনক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্যও অশনিসংকেত।

    প্রেস টেবিল থাকলে এ বিপর্যয় এড়ানো যেত:রাজনৈতিক দলগুলোর আয়োজনে যদি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট ‘প্রেস টেবিল’ বা আলাদা মিডিয়া জোন রাখা হতো, তবে সাংবাদিকদের এমন করুণ পরিণতির মুখোমুখি হতে হতো না। এতে একদিকে যেমন সংবাদ সংগ্রহ হতো সহজ, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার পরিবেশে, অন্যদিকে সাংবাদিকদের দলীয় পরিচয়ের অপবাদ থেকেও মুক্ত রাখা যেত।

    প্রেস টেবিল সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর পেশাদার দূরত্ব তৈরি করে, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে অত্যন্ত জরুরি। এই দূরত্ব সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সাহস জোগায় এবং রাজনৈতিক দলগুলোকেও গণমাধ্যমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বাধ্য করে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ঝুঁকিও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

    দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা এখনো বেঁচে আছে:এখনো দেশে বহু দল নিরপেক্ষ সাংবাদিক রয়েছেন, যারা কোনো রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন বা সহযোগী শক্তি না হয়েও সততা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের কাছে রাজনৈতিক দলের আয়োজনে এই অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও অসচেতনতা চরম হতাশাজনক এবং অসহনীয়।

    রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ; গণমাধ্যমকে প্রতিপক্ষ কিংবা সুবিধাভোগী হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করুন। সাংবাদিকরা কোনো দলের মুখপাত্র নন, আবার শত্রুও নন। তারা সমাজের দর্পণ—যেখানে ভালো-মন্দ উভয় চিত্রই প্রতিফলিত হয়।

    রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ: আমরা আশা করবো, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এ বিষয়টি আন্তরিকভাবে বিবেচনা করবেন এবং ভবিষ্যতে সকল রাজনৈতিক আয়োজনে গণমাধ্যমের জন্য আলাদা প্রেস টেবিল বা নির্ধারিত স্থান নিশ্চিত করবেন। এটি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি একটি সুস্থ, সহনশীল ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও সহায়ক হবে।

    সবশেষ কথা, প্রেস টেবিল কোনো বিলাসিতা নয়—এটি সাংবাদিকতার ন্যূনতম অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করা মানেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা।

    লেখক: আহমেদ আবু জাফর সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম , ০১৭১২৩০৬৫০১ , জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিঃ

  • শাহ্জীবাজার–সুতাং সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

    শাহ্জীবাজার–সুতাং সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

    এইচ আর রুবেল :

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের শাহ্জীবাজার সুতাংয়ের প্রধান সড়কের বেহাল দশা এখন এলাকাবাসীর নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও ভাঙা অংশে বর্ষাকাল না হলেও নিয়মিত পানি জমে থাকছে, যা চলাচলে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন অবস্থার কোনো কার্যকর সংস্কার হয়নি। পানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে।

    এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী সুমন মোদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরেন। তাঁর সেই পোস্টে অনেকেই মন্তব্য করে একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

    মন্তব্যকারীদের অধিকাংশই বলেন, সড়কের পাশের ড্রেনেজ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকায় পানি বের হতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই কিংবা বৃষ্টি ছাড়াই রাস্তায় পানি জমে থাকছে। তারা মনে করেন, আগে ড্রেন মেরামত করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে, তারপর সড়কটি সংস্কার করলে স্থায়ী সমাধান হবে।

    এলাকাবাসী দ্রুত ড্রেন মেরামতসহ সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা আশা করছেন, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।

  • সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন

    আবু সুফিয়ান নোমান, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সড়ক ও জনপথের ক্যানেলে ভেকু (এক্সভেটর) মেশিন লাগিয়ে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করার সংবাদ প্রকাশ করায় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ নামের এক মাটি ব্যবসায়ী কর্তৃক প্রেস ক্লাবের সদস্য স্বদেশ প্রতিদিনের উপজেলা প্রতিনিধি রায়হান আলী ও সাংবাদিক জাহিদ হাসানকে হুমকী, কুৎসা রটনাসহ মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের আয়োজনে সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) বিকালে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে উপজেলার কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দের উপস্থিতে প্রেস ক্লাবের সভাপতি এমএ জাফর লিটন এর সভাপতিত্বে সহ-সভাপতি রাসেল সরকারের সঞ্চালনায় এ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সমাবেশে প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কোরবান আলী লভলু, দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান পিন্টু, যগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদ, আমিনুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মির্জা হুমায়ুন, ওমর ফারুক, আব্দুল আল মাহমুদ, জেলহক হোসাইন সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রেস ক্লাবের সদস্য সংবাদিক রায়হান আলী ও সাংবাদিক জাহিদ হাসানের নামে হুমকী ও বিভিন্ন কুৎসা রটনাসহ সাংবাদিক রায়হান আলী, জাহিদ হাসান ও জাহিদ হাসানে স্ত্রীর নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করায় তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংবাদিকদের কন্ঠরোধ করতেই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও জোর পূর্বক দখলকৃত বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এই মিথ্যা মামলা করেছে।

    সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, ৫ আগষ্টের পর প্রথমে বিধি বহির্ভূত ভাবে জোর পূর্বক দখল করে বিআরডিবি চেয়ারম্যান পদ। এরপর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। তারপর উপজেলাজুরে বিভিন্ন জায়গার বালু দখলসহ অবৈধভাবে সরকারি মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি শুরু করে। কোন বিষয়ে উপজেলার কর্মরত সংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করলেই তিনি নিজে ও বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করেন।

    গত ১৮ জানুয়ারী সড়ক ও জনপথের ক্যানেলে ভেকু (এক্সভেটর) মেশিন লাগিয়ে মাটি কাটার সংবাদ প্রকাশ করায় দুই সাংবাদিক ও সাংবাদিকের স্ত্রীর নামে মামলা করায় তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশসহ অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বলেন বক্তারা। অন্যথায় কঠোর থেকে কঠোর প্রদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলে জানান উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

    উক্ত সমাবেশ ও মানববন্ধনে উপজেলার কর্মরত সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদারীপুরে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    মাদারীপুরে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর।

    মাদারীপুরের চরমুগুরিয়া জেটিসি মিলনায়তনে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ১০ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী মুফতি আব্দুস সোবহান খান–এর নির্বাচনী পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা ও ১০ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী মুফতি আব্দুস সোবহান খান। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন— জাগপা মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. শওকাতুজ্জামান মৃধা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাদারীপুর জেলা আমীর মাওলানা মোখলেসুর রহমান, সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আব্দুস ছোবাহান খান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল।
    প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মাদারীপুর–২ সংসদীয় আসনের পরিচালক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান খান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মুফতি শফীকুল ইসলাম।
    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ১০ দলীয় ঐক্য জোটের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে সর্বোচ্চ ত্যাগ ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, জনগণ অনেক সরকার দেখেছে— এবার মানুষ একটি নতুন, কল্যাণকামী সরকার দেখতে চায়। তাই সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নতুন সরকার গঠনের আহ্বান জানাতে নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দেন তারা।
    নেতৃবৃন্দ বলেন, ভবিষ্যতের সরকার হবে জনগণের কল্যাণের সরকার, মানবতার মুক্তির সরকার। বাংলার জমিনে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন জনগণ দেখতে চায় না। এই বিজয় হবে ইসলামের বিজয়, এই বিজয় হবে জনগণের বিজয়— একই সঙ্গে এটি হবে একাত্তরের চেতনায় ও চব্বিশের গণআকাঙ্ক্ষার বিজয়।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও গণমুখী নির্বাচন পরিচালনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক ভিপি মাহমুদ হোসেন

    পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক ভিপি মাহমুদ হোসেন

    স্টাফ রিপোর্টার।

    পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক ভিপি মাহমুদ হোসেন।
    মোবাইলে আলাপকালে মাহমুদ হোসেন নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর মাধ্যমে এই আসনে তার মনোনয়ন নিয়ে চলমান জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।
    মাহমুদ হোসেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ভাতিজা।

    তিনি দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তার নেতৃত্বে এই আসনে বিএনপির একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বলয় গড়ে উঠেছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়।
    উল্লেখ্য, পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন আহমদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।

    গত মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পরপরই মাহমুদ হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
    জনগণের প্রত্যাশাকে প্রাধান্য :
    এ বিষয়ে মাহমুদ হোসেন বলেন, “আমি ২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিলেও ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির আদর্শে বিশ্বাসী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চেতনাকে ধারণ করে সব সময় দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।”
    তিনি আরও বলেন, “পিরোজপুর-২ আসনের সাধারণ মানুষ আমাকে এই আসনে নেতৃত্বে দেখতে চান। জনগণের সেই প্রত্যাশাকে প্রাধান্য দিয়েই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিএনপি একটি গণমানুষের দল। সেই গণমানুষের চাওয়াকেই গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগোতে চাই।”
    মাহমুদ হোসেন জানান, শিগগিরই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করবেন।
    স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মাহমুদ হোসেনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় পিরোজপুর-২ আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হতে পারে।

  • বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ

    বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি- সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদের সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে এক সভা ১৮ জানুয়ারি সোমবার বিকাল ৪টায় সংগঠনের নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

    সংগঠনের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর এ কমিটির সভাপতি হিসেবে এবং লায়ন মো: আবুল হোসেন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহন করেন।

    এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজি,দফতর সম্পাদক জাকির হোসেন, অর্থ সম্পাদক সোহেল পারভেজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ হোসেন রাজা, সোহাগ ভূঁইয়া, ফৌজি হাসান খান রিকু সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের দাবি, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষায় ১৪ দফা দাবি আদায়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করার আহবান জানান।

    উল্লেখ্য, ১০ম জাতীয় কাউন্সিলে নবগঠিত নির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভা গত ১৪-১৫ জানুয়ারি সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়। গত বছরের নভেম্বর মাসে সংগঠনের ট্রাস্টি বোর্ড যাচাই-বাছাই শেষে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে।

    আগামী ১-৭মে ৯ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ- ২০২৬ উদযাপনের আগে বাকি ৭টি বিভাগের সমাবেশ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে সকল শাখার সভাপতি-সম্পাদকদের দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে।