Category: চট্টগ্রাম বিভাগ

  • কাপ্তাই ওয়াগ্গাছড়া চা বাগানের শ্রমিক বুনো হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে অন্যত্র   

    কাপ্তাই ওয়াগ্গাছড়া চা বাগানের শ্রমিক বুনো হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে অন্যত্র   

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির  কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা চা বাগানে বসবাসরত শ্রমিকদের ঘরবাড়ির ওপর বুনো হাতির আক্রমণ। বুনো হাতির তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবার আশ্রয় নিয়েছে অন্য স্থলে।

    চা শ্রমিকরা জানান,  কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে সীতা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ওয়াগ্গাছড়া চা বাগান। সে চাবাগানে বিগত এক মাস ধরে অবস্থান করছেন একদল বন্যহাতি। প্রতিনিয়ত তান্ডব চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে  বাগানের শ্রমিকের ঘরবাড়ি এবং বাগানের ভিতরে থাকা   কাঁচা সড়ক। এছাড়া হাতির তান্ডবে  বাগানের আম, কাঁঠাল, নারিকেলসহ বিভিন্ন গাছপালা সাবার করা  হয়েছে। বিশেষ করে বাগানের ২ নং সেকশনে বসবাসকারী চা শ্রমিকরা ইতিমধ্যে তাদের বসতবাড়ি ছেড়ে কর্ণফুলি নদীর উত্তর পাড়ে এসে বসবাস করছে । এই সেকশনে অনেক ঘর ইতিমধ্যে হাতির আক্রমনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    চা বাগানের ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক রশীদ,সানাউল্লাহ্ জানান, বন্যহাতির আক্রমনে আমাদের বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  বিগত এক মাস ধরে আমরা নদীর এপারে চলে এসেছি। চা শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করেছে।

    ওয়াগ্গা টি লিমিটেডের পরিচালক খোরশেদুল আলম কাদেরী জানান,হাতির তান্ডবে বাগানের চা শ্রমিকদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বাগানের সড়ক, গাছপালা, ফলমূল নষ্ট করেছে হাতির পাল।

    ওয়াগ্গা চা বাগানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক আমিনুর রশীদ কাদেরী বলেন,  বিগত এক সপ্তাহ যাবত ১৭টিন বুনো হাতির একটি দল ওয়াগ্গা  চা বাগানে অবস্থান নিয়েছে।  হাতির উপদ্রবে আমাদের চা শ্রমিকরা ভয়ে নদীর এপারে চলে এসেছে।  কাপ্তাইয়ে বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যে বুনো হাতির তান্ডব ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের  কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা  মামুনুর রহমান  জানান , দিন দিন হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হবার ফলে হাতি খাবারের সন্ধানে প্রায়ই লোকালয়ে এসে হানা দিচ্ছে। আমাদের উচিত হাতির আবাসস্থল ধ্বংস না করা এবং বুনো হাতিকে উত্ত্যক্ত না করে বন বিভাগকে তাৎক্ষণিক খবর দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

  • কাপ্তাইয়ে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    কাপ্তাইয়ে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    শান্তি শৃঙ্খলা উন্নয়নে এবং সামাজিক সচেতনতায় যুবদের ভূমিকা শীর্ষক” রাঙামাটির  কাপ্তাইয়ে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার সকাল ১১টায় কাপ্তাই  উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষ কিন্নরীতে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    কাপ্তাই উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খায়রুল আলম এর সঞ্চালনায় যুব উন্নয়ন  অধিদপ্তর রাঙামাটির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান এতে সভাপতিত্ব করেন।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন,কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মো. রায়হানুল ইসলাম।

    বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত।

    প্রশিক্ষণে ৩০ জন যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেন।

  • বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে সাপ্তাহিক হাটবারে প্রচার প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

    বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে সাপ্তাহিক হাটবারে প্রচার প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় কাপ্তাই সাপ্তাহিক হাটে সচেতনামূলক প্রচার প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১১টায় কাপ্তাই আপষ্ট্রিম জেটিঘাট সাপ্তাহিক হাটবারে বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় সচেতনমূলক প্রচার প্রচারণা, লিফট বিতরণ ও মাইকিং করে প্রচারণা করা হয়।

    বন্যপ্রাণী সুরক্ষা প্রকৃতি দল, বন্যপ্রাণী উদ্বার দল ও বন বিভাগ যৌথ আয়োজনে এই সচেতনামূলক প্রচার প্রচারণা করে থাকে।
    পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান জানান, আমরা সকলে বন্যপ্রাণী রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

    কাপ্তাই ৪নং ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানান, বন্যপ্রাণী আমাদের বনের ভারসাম্য রক্ষা করে।
    বন না থাকায় আমাদের অনেক বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যা আছে এদের সুরক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

    লিফলেট বিতরণ করেন রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুনুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, কাপ্তাই রেঞ্জ সদর বিট কর্মকর্তা আবু নাঈম, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কাপ্তাই উপজেলা কর্মকর্তা বকুল তঞ্চঙ্গ্যা,কাপ্তাই ইউপি সদস্য মহিন উদ্দিন,আবুল হোসেন, দুলাল চন্দ্র দাশসহ বন্যপ্রাণী সুরক্ষা টিম এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • বাবুল কান্তি দে ও কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সম্মাননা

    বাবুল কান্তি দে ও কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সম্মাননা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    চট্টগ্রামের নন্দিত সাংস্কৃতিক সংগঠন  লয়কারী সঙ্গীত বিদ্যালয়ের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার  সন্ধ্যায়  চট্টগ্রাম থিয়েটার ইন্সটিটিউট এ অনুষ্ঠিত হলো পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গুণীজন সম্মাননা।

    মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন বিশিষ্ট গীটার শিল্পী বেতার ও টিভি শিল্পী বাবুল কান্তি দে ও টিভি ও বেতার শিল্পী কাপ্তাই প্রেসক্লাব ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি কাপ্তাইয়ের  সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত। এসময় সংগঠনটির   প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বেতার ও টিভি শিল্পী শিবু চৌধুরী, পরিচালক মুন্নী চক্রবর্ত্তী এবং বিশিষ্ট বংশী শিল্পী রনধীর দাশ উপস্থিত ছিলেন।

    আবৃত্তিকার ও সংগীত শিল্পী সায়ন্তী ভট্টাচার্য্য এর চমৎকার সঞ্চালনায় এরপর আভোগী কানাড়া রাগে একক বাঁশি পরিবেশন করেন বেতার ও টিভি শিল্পী রনধীর দাশ।  শিল্পীর সাথে যথাযথ  তবলা সঙ্গত করেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী অর্পা চৌধুরী।

    এরপর বিশিষ্ট গীটার শিল্পী বেতার ও টিভি শিল্পী বাবুল কান্তি দে ও টিভি ও বেতার শিল্পী কাপ্তাই প্রেসক্লাব ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি কাপ্তাইয়ের  সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সঙ্গীতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য লয়কারী সংগীত বিদ্যালয়ের পক্ষ হতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বেতার ও টিভি শিল্পী শিবু চৌধুরী।

    এসময় সংবর্ধিত ব্যক্তিরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, যেকোন সম্মাননা একজন শিল্পীকে নতুন করে কাজ করতে অনুপ্রেরণা যোগায়। তাঁরা সংগঠনের এই কার্যক্রমের ভুয়সী প্রশংসা করেন।

    সম্মাননা পর্ব শেষে শিবু চৌধুরীর পরিচালনায় এক ঝাঁক ক্ষুদে তবলা শিল্পী ত্রিতালে তবলার সমবেত লহড়া পরিবেশন করেন। ত্রিতালে সেলামী দিয়ে তাদের পরিবেশনা শুরু হয়। এরপর একে একে তারা কায়দা বিস্তার, টুকরা, পরণ ও চক্রদার পরিবেশন করে দর্শকের তুমুল করতালিতে সিক্ত হন। নান্দনিক এই অনুষ্ঠানে তবলা শিল্পী  নিলম বিশ্বাসের একক তবলা কভার দর্শকদের অনাবিল আনন্দ প্রদান করেন।

    এছাড়া  শিল্পী পুনম চৌধুরীর কন্ঠে একক গান, নৃত্য প্রশিক্ষক  সুচনা বনিকের পরিচালনায়  “মাধুরী নৃত্যকলা একাডেমি” নৃত্য শিল্পীদের সমবেত নৃত্য পরিবেশনা, অর্পা চৌধুরী ও অর্কি চৌধুরীর দ্বৈত তবলা কাভার,  ছোটদের দ্বৈত সংগীত, ছোটদের তবলা কভার অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করে।

  • কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনামূলক র‍্যালি

    কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনামূলক র‍্যালি

    কাপ্তাই ( রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসন এবং চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের সার্বিক সহযোগিতায়  ডেঙ্গু সচেতনা মূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    “রাখিব চারপাশ পরিষ্কার, করিব ডেঙ্গু প্রতিকার,এই প্রতিপাদ্যে শনিবার সকাল ১০টায়  র‍্যালিটি হাসপাতাল চত্বর হতে শুরু হয়ে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে শেষ হয়।

    এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রুইহলা অং মারমা,কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দপ্তরের  প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরুণ কান্তি চাকমা, চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম  প্রোগাম ম্যানেজার  বিজয় মারমাসহ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার, স্টাফ এবং এনজিও কর্মীরা র‍্যালিতে অংশ নেন।

  • কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে বিষধর শঙ্খিনী সাপ অবমুক্ত 

    কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে বিষধর শঙ্খিনী সাপ অবমুক্ত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি:

    ৪ জুন বৃহস্পতিবার রাঙামাটির কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানের রামপাহাড় বিটে একটি বিষধর শঙ্খিনী সাপ অবমুক্ত করা হয়েছে।

    কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান জানান, বুধবার  রাতে কাপ্তাই উপজেলার কেপিএম কলাবাগান এলাকা হতে বণ্যপ্রাণী সাপ উদ্ধারকারী দলের কাপ্তাই প্রতিনিধি ইমরান হোসেন ইমন বিষধর শঙ্খিনী সাপটি  উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করে।

    পরে  পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা( ডিএফও) এস এম সাজ্জাদ হোসেন এর নির্দেশনায় সাপটিকে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানের রাম পাহাড় বিটে অবমুক্ত করা হয়।

    এসময়  রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা  মেহরাজ উদ্দিন আহমেদ,  রামপাহাড় বিট কর্মকর্তা মিঠু তালুকদার, কাপ্তাই বণ্যপ্রাণী সাপ উদ্ধারকারী দলের কাপ্তাই প্রতিনিধি ইমরান হোসেন ইমনসহ বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কাপ্তাই উপজেলা  বণ্যপ্রাণী সাপ উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • দোকান হতে উদ্ধার হওয়া অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত 

    দোকান হতে উদ্ধার হওয়া অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই নতুন বাজার মুদি দোকান হতে উদ্ধার হওয়া অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করা হয়েছে।

    বুধবার সকাল ১১টায় কাপ্তাই নতুন বাজার ব্যবসায়ী বিকাশে দোকান হতে সাপটি উদ্ধার করে বন বিভাগ।

    কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান জানান, দোকান ব্যবসায়ী তাঁর দোকানের ভিতর একটা আজগর সাপ দেখতে পেয়ে বন বিভাগকে সংবাদ দেয়।পরে বন বিভাগের লোকজন গিয়ে দোকান হতে উদ্ধার করা অজগর সাপটি বিকালে কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করে।

    উদ্বার হওয়া অজগর সাপটি দৈর্ঘ্য পাঁচ ফুট ওজন প্রায় চার কেজি।

    সাফটি অবমুক্ত করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক  মোঃ জামাল উদ্দিন তালুকদার সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ আবু কাওসার,কাপ্তাই রেঞ্জ অফিসার, মামুনুর রহমান,কর্ণফুলী রেঞ্জ অফিসার আবু নাঈম,কাপ্তাই সদর বিট অফিসার, আব্দুল্লাহ আল নাঈম,ব্যাং ছড়ি বিট অফিসার, জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার প্রমূখ। এসময় বনকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন  ।

     

  • আশুগঞ্জ পুলিশ কর্তৃক ১৮ কেজি গাঁজা, মোবাইল ও সিএনজি সহ মাদক চোরাকারবারী গ্রেফতার

    আশুগঞ্জ পুলিশ কর্তৃক ১৮ কেজি গাঁজা, মোবাইল ও সিএনজি সহ মাদক চোরাকারবারী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ ০৩/০৬/২০২৬ ইং তারিখ .সকাল ০৮.০০ ঘটিকার সময় আশুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশ আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা এলাকা হতে ০১টি রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি আটক করে। সিএনজিটি তল্লাশী করে ১৮ কেজি গাঁজা ও ০১টি স্যামসাং মোবাইল সেটসহ ১। মোঃ বাদল মিয়া, পিতা- মোঃ রমজান মিয়া
    সাং- চিনাইর পূর্বপাড়া থানা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর।
    তাকে হাতে নাতে মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়।

    উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য মালামাল বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    আসামিকে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত বাদল মিয়ার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ০৪টি মাদক মামলা রয়েছে। আশুগঞ্জ থানায় আসামির বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রুজু করে, আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • পার্বত্য মন্ত্রীকে পূঃর্ণবহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন 

    পার্বত্য মন্ত্রীকে পূঃর্ণবহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ২৯৯ রাঙামাটি আসনের  নির্বাচিত সাংসদ এ্যাড. দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রীপদ হতে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার প্রতিবাদে কাপ্তাই উপজেলায় মানববন্ধন করেছে সর্বস্তরের জনসাধারণ।

    বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলা সদর বড়ইছড়ি কাপ্তাই -চট্টগ্রাম সড়কে কাপ্তাইয়ের সর্বস্তরের জনসাধারণ ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।  মানববন্ধনে আগত বক্তারা বলেন পার্বত্য মন্ত্রীকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। প্রিয় মন্ত্রী এ্যাডঃ দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগ   প্রত্যাহার পূর্বক স্বপদে বহালের দাবী জানান।

    কাপ্তাই উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সঞ্চলনায় মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইকরাম হোসেন বেলাল, জেলা বিএনপি সদস্য অজিত কার্বারী,  রাঙামাটি জেলা শ্রমিক দল সম্পাদক কবিরুল ইসলাম কবির, উপজেলা মহিলা নেত্রী নুর নাহার বেগম, কাপ্তাই উপজেলা শ্রমিকদল সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান ডালিম, কর্ণফুলী কলেজ ছাত্রদল সাবেক আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন অপু, উপজেলা  কৃষকদল সভাপতি নুরুল হক বাচা, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে আরও বক্তব্য রাখেন কেপিএম শ্রমিক নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, সামসুজ্জাান চৌধুরী রকি,  ওয়াগ্গা বিএনপি সাবেক সভাপিত মোঃ একরাম মেম্বার, নাসির উদ্দীন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপি সদস্য মোঃ মাসুদ, মোঃ বিসমিল্লাহ,মোঃ মফিজুর রহমান, ইকবাল হোসেন জুয়েল,রাশেদুল ইসলাম সুজন,সাবেক ছাত্র নেতা ওসমান গনি তনু প্রমুখ।

    এসময়  বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল. মহিলাদল সহ সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।

  • দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ

    দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ

    স্টাফ রিপোর্টার। 

    খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা ও রামগড় উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত নওমুসলিম পরিবারের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করেছে দেশপ্রেমিক সংগঠন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। সংগঠনটির উদ্যোগে গরু কোরবানি করে প্রায় ৭০টি অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়।

    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, জাফর তালুকদার, মাওলানা ইছহাক আলী, মাওলানা জাহাঙ্গীর হোসেন, শাহিন আলম, এস. এম. রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

    শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী পুরাতন বাজার ইসলামিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এবং শনিবার বেলা ১২ ঘটিকায় রামগড় উপজেলার তৈছালা পাড়ায় এ কোরবানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও পাহাড়ের হতদরিদ্র নওমুসলিমদের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে সংগঠনটি।

    এসময় সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন,
    “জেলার অধিকাংশ নওমুসলিম পরিবার দুর্গম পাহাড়ে বসবাস করে। তারা দিনমজুর, কাঠুরিয়া ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কোরবানি দেওয়ার মতো সামর্থ্য তাদের নেই। আবার দুর্গম এলাকায় বসবাস করায় সামাজিকভাবে বিতরণ হওয়া কোরবানির মাংস থেকেও তারা প্রায়ই বঞ্চিত থাকেন। ফলে ঈদের আনন্দ তাদের কাছে সীমিত হয়ে পড়ে। এ বাস্তবতায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে নওমুসলিম পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র।
    তিনি আরও বলেন, পাহাড়ে বসবাসরত নওমুসলিম জনগোষ্ঠীর লোকেরা দীর্ঘদিন ধরেই নানামুখী অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। শিক্ষা, চিকিৎসা, ধর্মীয় চর্চা, সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো মৌলিক ক্ষেত্রগুলোতে তারা এখনও পিছিয়ে রয়েছে। অথচ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ছিল এসব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো।
    দুঃখজনক হলেও সত্য, পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে নওমুসলিমদের জন্য দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না। বিশেষ করে ঈদ, রমজান কিংবা কোরবানির মতো ধর্মীয় উৎসবগুলোতে তাদের জন্য আলাদা কোনো কার্যকর সহায়তা ব্যবস্থা চোখে পড়ে না। ফলে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মানবিক উদ্যোগই তাদের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায় বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে পাহাড়ের অসহায় নওমুসলিম জনগোষ্ঠীকে জীবনমান উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এখন সময়ের দাবি।

    জেলার রামগড়ে বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহিন আলম

    বলেন, পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো বহু পরিবার রয়েছে, যারা মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দাতা সংস্থা ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে এসব অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

    এসময় কোরবানির মাংস পেয়ে নওমুসলিম পরিবারগুলোর সদস্যদের মাঝে আনন্দ ও সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই জানান, বছরের বিশেষ এই দিনে এমন সহযোগিতা তাদের পরিবারে ঈদের আনন্দকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বোয়ালখালী পুরাতন বাজার ইসলামিয়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শুধু সহায়তাই নয়, মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি জাগ্রত করে। সমাজের বিত্তশালীরা যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে পাহাড়ের অসহায় মানুষদের দুঃখ অনেকটাই লাঘব হবে।”

    অনুষ্ঠান শেষে দেশবাসী, মুসলিম উম্মাহ, দাতা সদস্য এবং নওমুসলিম পরিবারের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি মহান আল্লাহর নিকট দেশের শান্তি, সম্প্রীতি এবং পাহাড়ি অঞ্চলের অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য দোয়া করেন।
    সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান, ভবিষ্যতেও পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও নওমুসলিম পরিবারগুলোর পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।