Category: ঢাকা বিভাগ

  • মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

    মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে ‘মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাব’।

    গত ২০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে আয়োজিত এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২২ সদস্যের একটি কমিটি চূড়ান্ত করা হয় এবং ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধায় আনুষ্ঠানিক ভাবে এই কমিটি আত্মপ্রকাশ করেছে। এই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো: মহিব্বুল্লাহ (তুষার) এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন শান্তনু বিশ্বাস।

    নতুন এই কমিটি গঠনে উপস্থিত সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত ঐক্য এবং দায়িত্ববোধের ওপর জোর দেন। তারা বলেন, মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাব শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, বরং এটি সাংবাদিকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা তাদের অধিকার রক্ষা এবং সমাজের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে।

    পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা:
    সভাপতি মো: মহিব্বুল্লাহ (তুষার), সি: সহ-সভাপতি মো: সাজ্জাদ হোসেন হাওলাদার, সহ-সভাপতি শাহরিয়ার মাসুম, সাধারণ সম্পাদক শান্তনু বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন (রাজীব), সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম (শিপন), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক (মুন্না), দফতর সম্পাদক তানভীর হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মো: বিল্লাল হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো: মিজানুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এস.এম স্বাধীন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নয়ন আলী,
    নারী বিষয়ক সম্পাদিকা সোনিয়া আক্তার, প্রযুক্তি ও প্রকাশনা সম্পাদক আরমান হোসেন (শান্ত), কার্যকরী সদস্য লাল মিয়া, কার্যকরী সদস্য শ্রী উজ্জ্বল, কার্যকরী সদস্য আরাফাত হোসেন, কার্যকরী সদস্য নাজমুল হোসেন, সদস্য মো: মেহেদী হাসান (রাফী), সদস্য লিটন আফরোজ, সদস্য রিহাম উদ্দিন, সদস্য মো: মিজানুর রহমান,

    সিনিয়র সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মি মোঃ শফিকুল বাশার বলেন, আমি মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির উত্তর উত্তর সফলতা কামনা করছি। সেই সাথে মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর সকল সদস্যদের প্রতি আহ্ববান থাকবে, নির্যাতিত, নিপিড়ীত গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়ীত্য পালন ও ভাগ্য উন্নয়নে সর্বদা একে অপরের পরিপূরক হয়ে পাশে থাকবে, এবং সৎ ও সততার পক্ষে কলম ধরবে অন্যায়, অনিয়ম, দূর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সদা জাগ্রত থাকবে।

    সাধারণ সম্পাদক শান্তনু বিশ্বাস বলেন, মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের জন্য একটি মিলনস্থল হবে, যেখানে তারা নিজেদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারবে এবং সমাধান খুঁজে নিতে পারবে। আমরা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা এবং সমাজের প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ। নবগঠিত এই কমিটি সর্ব সম্মতিতে আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

    কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি মো: মহিব্বুল্লাহ (তুষার) বলেন, আমাদের এই নতুন যাত্রা সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা বিশ্বাস করি, একসাথে কাজ করার মাধ্যমে আমরা সাংবাদিকতার মানকে আরও উন্নত করতে পারব।আমি মনে করি মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাব ঐক্য বদ্ধ্য ভাবে প্রশাসনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মোহাম্মদপুর আদাবর শেরে-বাংলা নগরের সকল অন্যায়, অনিয়ম, দূর্নীতি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই বন্ধ করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ ।

    মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহতাবুর রহমান বলেন, ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি এবং বিভিন্ন নির্যাতনের স্বীকার হয়েছি। মোহাম্মদপুর এরিয়ায় কাজ করতে গিয়ে কোনো সাংবাদিক সংগঠন বা সাংবাদিকদের সহযোগিতা না পেয়ে হতাশ হয়েছি। সেখান থেকেই মোহাম্মদপুরে সকল গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে একটি সংগঠন করার চিন্তা করি এবং তারই প্রেক্ষিতে আজ মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর ২০২৫-২০২৬ কার্যনির্বাহী কমিটির সকলে সাংবাদিকদের পাশে থাকবে এই কামনা করছি। আমার বিশ্বাস মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব মোহাম্মদপুরের সকল অন্যায়, অনিয়ম, দূর্নীতি, চাদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চারভাবে কাজ করবে এবং জনগণের পাশে থেকে বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করবে।

  • সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না -মোঃ মোস্তফা আল ইহযায”

    সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না -মোঃ মোস্তফা আল ইহযায”

    স্টাফ রিপোর্টার।

    আজকের পর আর একজন মানুষও সীমান্তে হত্যা করা যাবেনা ও সীমান্ত হত্যার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের লক্ষ্যে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের উদ্যোগে ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার সকাল ১০:৩০ মিনিটে জাতীয় প্রেসক্লাব সম্মুখে মৌলভীবাজার ও লালমনিরহাট সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলে লেঃ কর্নেল খন্দকার ফরিদুল আকবর এর সভাপতিত্বে ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয় মোঃ মোস্তফা আল ইহযায এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া আইনজীবী ফোরাম এর সহ-সভাপতি এডভোকেট এ এম এন আবেদ রাজা, প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জঙ্জু নরমাল বিশ্ববিদ্যালয় চিন এর ভিজিটিং প্রফেসর ড আবু মূসা মোঃ আরিফ বিল্লাহ, ইসলামি বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদী, জাতীয়তাবাদী তাতীদলের যুগ্ম সম্পাদক ড. মনিরুজ্জামান, আরজেএফ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, মিলন মল্লিকা, আব্দুল আলীম, মিজানুর রহমান, জালাল আহম্মেদ সহ লালমনিরহাট ও মৌলভীবাজার থেকে আগত স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    এসময় এসময় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন,
    ভারত রাজনৈতিক ভাবে, অর্থনীতিক ভাবে, ব্যবসা-বানিজ্য, তাদের সাহিত্যে, গানে, নাটকে, চলচ্চিত্রে বাংলাদেশকে শোষণ করছে, তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদেরকে উস্কি দিয়ে পার্বত্য অঞ্চল কে অশান্ত করতে চায়, সকল অপরাধের মূলে রয়েছে ভারত।

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ সীমান্ত। সীমান্তে ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) প্রায়ই বাংলাদেশীদের হত্যা করে। বাংলাদেশ বহুবার সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানালেও তা বন্ধ হয়নি। ভারত বিভিন্ন সময়ে হত্যা বন্ধে প্রতিশ্রুতি দিলেও তা কার্যকর করেনি। ফলে নিয়মিতভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা চলছে। সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু বিএসএফের হাতে বাংলাদেশীদের হত্যার ঘটনা বন্ধে তারা বরাবরই ব্যর্থ।

    বিএসএফ বছরের পর বছর ধরে ধারাবাহিকভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যা করে চলেছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৫-২৪ পর্যন্ত ১০ বছরে বিএসএফ ৩০৫ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। ২০১৫ সালে ৪৩ জন, ২০১৬ সালে ২৮ জন, ২০১৭ সালে ৩০ জন, ২০১৮ সালে ১৫ জন, ২০১৯ সালে ৪২ জন, ২০২০ সালে ৫১ জন, ২০২১ সালে ১৭ জন, ২০২২ সালে ২৩ জন, ২০২৩ সালে ৩০ জন এবং ২০২৪ সালে ২৬ জন গত কয়েক দিন আগে দুজন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। তারা ২০২৫ সালে ৩১নজন বাংলাদেশী নাগরিক কে হত্যা করেছে। এসব হত্যার কোনো বিচার হয়নি। বিএসএফ জওয়ানদের গুলিতেই এসব নিরীহ বাংলাদেশী প্রাণ হারিয়েছে।
    ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার সময় এই বর্ডার লাইন নির্ধারিত হয়। ভারত-পাকিস্তান বর্ডার কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রিটিশ আইনবিদ স্যার সিরিল রেডক্লিফ ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট এটি নির্ধারণ করেন। আজকের বাংলাদেশ তখন পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সাথে ভারতের নির্ধারিত সীমানাই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের সীমান্ত। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চার হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমানা রয়েছে এবং এটি পৃথিবীর পঞ্চম দীর্ঘ সীমান্ত লাইন। ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। আসামের সাথে ২৬২ কিলোমিটার, ত্রিপুরার সাথে ৮৫৬ কিলোমিটার, মিজোরামের সাথে ৩১৮ কিলোমিটার, মেঘালয়ের সাথে ৪৪৩ কিলোমিটার ও পশ্চিমবঙ্গের সাথে দুই হাজার ২১৭ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যেই প্রায় তিন হাজার ১৮০ কিলোমিটার বেড়া নির্মাণ স¤পন্ন করেছে। বাকি ৯১৬ কিলোমিটার সীমান্তে ঘন বনভূমি, উঁচু পর্বতমালা, নদীপথ এবং জলাভূমি থাকায় বেড়া নির্মাণ করতে পারেনি। সীমান্তে হত্যা এবং বেড়া নির্মাণ নিশ্চয়ই বন্ধুত্বের নিদর্শন নয়।

    এছাড়া তাদের হামলায় বিভিন্ন সময়ে বহু বাংলাদেশী আহত হয়েছে এবং এদের কেউ কেউ পঙ্গু হয়েছে। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানী খাতুন নামে ১৫ বছর বয়সী বাংলাদেশী মেয়েকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে। পরদিনই তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তার লাশ দীর্ঘ সময় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছিল। এই ছবি সারা দুনিয়ার মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু ফেলানী হত্যায় জড়িত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষসহ অন্যদের ভারতের আদালত খালাস দেয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এর বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও এখনো সেই বিচার সম্পন্ন হয়নি।

    বিএসএফ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী স্বর্ণা দাস এবং ৯ সেপ্টেম্বর ১৫ বছরের জয়ন্ত কুমার সিংহকে হত্যা করে। স্বর্ণা দাস তার মায়ের সাথে ভারতের ত্রিপুরায় বসবাসরত ভাইয়ের কাছে বেড়াতে যাচ্ছিল। এভাবে ভারত সীমান্তে নিরাপত্তার নামে নিরপরাধ বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করে চলেছে।

    সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক নীতিমালা রয়েছে। তাছাড়া দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সপাদিত এরকম দু’টি চুক্তি হচ্ছে জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন্স ফর বর্ডার অথরিটিজ অব দ্য টু কান্ট্রিজ, ১৯৭৫ এবং দ্য ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান, ২০১১। জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন্স ফর বর্ডার অথরিটিজ অব দ্য টু কান্ট্রিজ, ১৯৭৫ অনুসারেÑ এক দেশের নাগরিক যদি বেআইনিভাবে অন্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করে বা কোনো অপরাধে জড়ায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী আত্মরক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে, তবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার না করাটাই বাঞ্ছনীয়। অথচ ভারত এসব চুক্তি মানছে না। সীমান্তে কোনো বাংলাদেশী আইন ভঙ্গ করে অপরাধ করলে তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনা ও বিচার করে শাস্তি দেয়া যায়। কিন্তু বিএসএফ সেই পথ অনুসরণ করে না। তারা সবসময় এবং কিছু হলেই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করছে এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে অনেক বৈঠক হয়েছে এবং সীমান্ত হত্যার বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এসব বৈঠকের প্রত্যেকটিতেই বিএসএফ, সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু বিএসএফ কখনোই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।

    আমরা সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা চিরতরে বন্ধের দাবি জানাই। প্রয়োজনে এই ইস্যু জাতিসঙ্ঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।

    বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এই বাস্তবতা ভারতকে মানতে হবে। বাংলাদেশ সবসময় প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে সুস¤পর্ক চায়। প্রতি বছর বিরাট সংখ্যক বাংলাদেশী চিকিৎসা, ব্যবসায় ও পর্যটনসহ বিভিন্ন কাজে ভারতে যায়। প্রচুর ভারতীয়ও বাংলাদেশে আসে। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত এলাকার বহু মানুষ নিজেদের মধ্যে বিয়ে শাদির মাধ্যমে আত্মীয়তার বন্ধন গড়ে তুলেছে। দেশ দু’টির মধ্যে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় রয়েছে। সীমান্তে ব্যবসায়-বাণিজ্য স¤পাদনে একাধিক নদীবন্দর, স্থলবন্দর এবং কাস্টম হাউজ রয়েছে। অনেকগুলো সীমান্ত হাট রয়েছে। দেশ দু’টির মধ্যে বাস ও ট্রেন চলাচল বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন সীমান্ত এবং অভিন্ন নদী রয়েছে। কিন্তু ভারত সবসময় সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা এবং বাংলাদেশকে অভিন্ন নদীর ন্যায্য পানি থেকে বঞ্চিত করে চলেছে। কিছু হলেই ভারত বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা প্রদান এবং বাংলাদেশে আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য রফতানি বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের ভারত নিরাপদ আশ্রয় দেয়। ফলে বাংলাদেশ সব দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা এসবের অবসান চাই। তার জন্য ভারতকে সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করতে হবে, আমরা সীমান্ত হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে আন্তর্জাতিক আদালতে সীমান্ত হত্যার বিচার দাবী করছি।

    প্রতিবাদ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে কদম ফোয়ারা ঘুরে আবার প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।

  • মাদারীপুর মুক্ত দিবস আজ

    মাদারীপুর মুক্ত দিবস আজ

    গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর:

    ১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দুএক দিনব্যাপী তুমুল সম্মুখযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করলে শত্রুমুক্ত হয় মাদারীপুর জেলা। মুহূর্তেই হাজারো মানুষ জয় বাংলার স্লোগানে রাস্তায় নেমে উল্লাসে ফেটে পড়ে।

    ডিসেম্বরের শুরুতেই জেলার সব থানা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা শহরের এ আর হাওলাদার জুট মিল ও নাজিমউদ্দিন কলেজে অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলেন।

    ৯ ডিসেম্বর ভোরে ফরিদপুরের দিকে পালানোর সময় ঘটকচর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে হানাদাররা বিপুল পরিমাণ অস্ত্রগোলা ফেলে পালাতে থাকে। সমাদ্দার ব্রিজ এলাকায় ৯ ও ১০ ডিসেম্বর সারাদিন-সারারাত সম্মুখযুদ্ধ চলে। গোলা-বারুদ ফুরিয়ে এলে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায় মুক্তিযোদ্ধারা।

    ১০ ডিসেম্বর বিকেলে মেজর আবদুল হামিদ খটকের নেতৃত্বে ৩৭ পাকিস্তানি সৈন্য ও ১৪ মুজাহিদ—মোট ৫৩ জন খলিল বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খানের নেতৃত্বে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধ সম্পন্ন হয়।

    যুদ্ধে শহীদ হন সর্বকনিষ্ঠ বীর মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু এবং ২০ জন হানাদার সেনা নিহত হয়।

    ১১ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণকারীদের কলাগাছিয়া ক্যাম্পে এবং ১২ ডিসেম্বর মাদারীপুর সাব-জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
    মাদারীপুর স্মরণ করছে তার গৌরবোজ্জ্বল শত্রুমুক্তির দিন।

  • জাজিরায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী–২০২৫ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

    জাজিরায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী–২০২৫ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী–২০২৫ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন।

    বুধবার (২৬ নভেম্বর ২০২৫) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল সংলগ্ন মাঠে এই আয়োজন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে স্থানীয় খামারি, কৃষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যাপক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাবেরী রায়। তিনি বলেন, “প্রাণিসম্পদ আমাদের অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি। দুগ্ধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। জাজিরার খামারিরা অত্যন্ত পরিশ্রমী ও অদম্য, তাদের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এই সপ্তাহ শুধু উৎসব নয়—এটি সচেতনতা ও জ্ঞান বিস্তারের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।”

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ ওমর ফারুক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান এবং জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম।

    কৃষি অফিসার মোঃ ওমর ফারুক বলেন, “কৃষি ও প্রাণিসম্পদ একে অন্যের পরিপূরক। উন্নত পশুপালন ছাড়া টেকসই কৃষি সম্ভব নয়। জাজিরায় উভয় খাতকে এগিয়ে নিতে আমরা মাঠে কাজ করছি।”

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান বলেন, “খামারিদের জমি-সংক্রান্ত সেবা সহজ করতেই আমাদের ভূমি অফিস সবসময় প্রস্তুত। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর খামার গড়তে সরকারি সব উদ্যোগ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।”

    সাংবাদিক শাহাজাদী সুলতানা বলেন,
    “জাজিরায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী–২০২৫ আমাদের স্থানীয় পশুপালন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এ অঞ্চলের কৃষক, খামারি ও উদ্যোক্তারা এ প্রদর্শনী থেকে আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত জাতের প্রাণি, রোগ প্রতিরোধ ও বাণিজ্যিক খামার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মূল্যবান জ্ঞান লাভের সুযোগ পাবেন। আমরা বিশ্বাস করি এ আয়োজন গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে এবং তরুণ প্রজন্মকে প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।

    জাজিরা থানার ওসি মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম বলেন, “প্রাণিসম্পদ খাতকে নিরাপদ রাখতে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। অবৈধ পশু ব্যবসা ও অপরাধ দমনে পুলিশ সর্বদা সতর্ক থাকবে।”

    প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে প্রদর্শনীতে স্থান পায় উন্নত জাতের গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, ভেটেরিনারি সেবা স্টল, দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদন প্রযুক্তি, আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত তথ্য-উপকরণসহ নানা প্রদর্শনী সামগ্রী। আয়োজনটি বাস্তবায়ন করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, আর অর্থায়ন করে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)।

    জানতে চাইলে ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোঃ সোহাগ (আব্দুল্লাহ) বলেন, “খামারিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, রোগ প্রতিরোধ, টিকাদান ও আধুনিক পশুপালন পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। এই প্রদর্শনী নতুন প্রযুক্তি জানার সুযোগ তৈরি করবে।”

    এছাড়া জাজিরা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, “প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের মূল লক্ষ্য হলো খামারিদের সঙ্গে সরকারি সেবার সংযোগ আরও শক্তিশালী করা। উন্নত জাতের পশু, সুষম খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণ প্রদান অব্যাহত থাকবে।”

    স্থানীয় খামারিদের অংশগ্রহণ, আধুনিক প্রযুক্তির প্রদর্শনী এবং বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সমৃদ্ধ এই আয়োজনটি জাজিরার প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • নিরাপদ সড়ক চাই প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনের রোগমুক্তি কামনায় শরীয়তপুরে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

    নিরাপদ সড়ক চাই প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনের রোগমুক্তি কামনায় শরীয়তপুরে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

    নিজস্ব প্রতিবেদক।

    নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)–এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট অভিনেতা ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের অগ্রদূত  ইলিয়াস কাঞ্চনের দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় শরীয়তপুর জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে জেলা শাখার কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট মুরাদ হোসেন মুন্সী।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান।

    সঞ্চালনায় ছিলেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান।

    ইলিয়াস কাঞ্চনের দ্রুত সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও কর্মক্ষম জীবন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    এ সময় বক্তারা বলেন, “দেশের সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনে ইলিয়াস কাঞ্চন যে ভূমিকা রেখে চলেছেন, তা দেশের লাখো মানুষের জীবনের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। তাঁর দ্রুত সুস্থতা জাতির প্রত্যাশা।”

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান।

     

    দোয়া মাহফিল শেষে নিসচা শরীয়তপুর জেলা শাখার ২০২৬-২৭ সালের জন্য ৪১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ সংগঠনের আগামীদিনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনমুখী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    নিসচা শরীয়তপুর জেলা শাখার নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট, মাসুদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এড মিজানুর রহমান মোল্লাকে। সহ–সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফোর্সেন্ট রূপক চক্রবর্তী, কাউসার এবং চাকুরিজীবী নিলয় ভট্টাচার্য।

    রিপন সাধু, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম এবং দেলোয়ার হোসেন।প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাংবাদিক সুলতানা আক্তার।

    বক্তব্য রাখেন নিলয় ভট্রাচারয,রিপন সাধু,এড।জহিরুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ, এড মুরাদ মুন্সির সভাপতিত্বে এড মিজানুর রহমান এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সবক এড মাসুদুর রহমান এছাড়াও দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ বক্তৃতা প্রদান করেন।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রযোজক মওদুদ পারভেজ কামালের মৃত্যু

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রযোজক মওদুদ পারভেজ কামালের মৃত্যু

    ফারজানা শারমিন , ঢাকা:

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে খ্যাতনামা প্রযোজক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মওদুদ পারভেজ কামালের মৃত্যু হয়েছে। (ইন্নাল্ল্লিাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )।

    সুপারষ্টার নায়ক সোহেল রানা এবং রুবেলের আপন সেজ ভাই প্রযোজক মওদুদ পারভেজ কামাল ।

    আজ (২২ নভেম্বর ২০২৫)শনিবার ভোর ৪টায় মারা যান তিনি । মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী , দুই পুত্র এবং এক কন্যা রেখে গেছেন ।

    আশি নব্বই দশকে তাঁর প্রযোজিত বেশির ভাগ সিনেমাই ছিল ব্যবসা সফল ছবি । তাঁর প্রযোজিত দর্শক নন্দিত , জনপ্রিয় সিনেমার মধ্যে বীর পুরুষ, টপ রংবাজ, বিশ্ব প্রেমিক ,শত্রু ভয়ংকর সিনেমা উল্লেখ যোগ্য ।

  • কাপ্তাইয়ে জামায়াতে ইসলামী দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে অলিতে গলিতে ছুটে চলছে 

    কাপ্তাইয়ে জামায়াতে ইসলামী দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে অলিতে গলিতে ছুটে চলছে 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি ২৯৯নং আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মোখতার আহমদ পক্ষে ভোট চেয়ে  অলিতে গলিতে ছুটে চলছে কাপ্তাই জামায়াতে ইসলামী। বিগত দুই মাস যাবত কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামী তাদের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাপ্তাই উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন অলিতে গলিতে এবং দূর্গম এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। উক্ত দলের নেতা কর্মীরা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় তাদের প্রার্থী পরিচয় এবং ছবি ও দাঁড়ি পাল্লা দেখিয়ে ভোট চাইছেন।

    কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মুহাম্মদ হারুনুর রশীদ জানান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, ন্যায় বিচার নিশ্চিতে জাতীয় সংসদে ভূমিকা রাখতে দাঁড়ি পাল্লায় ভোট চায়।তিনি আরও জানান পাহাড়ি -বাঙালি জনগোষ্ঠী মধ্যে সম্প্রতি রক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেয়াসহ এলাকার উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার,যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা দেয়ার কথা জানান।

    কাপ্তাই লকগেট এলাকায় প্রচারণা শেষে তিনি দলের প্রার্থীর পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেন।এসময় কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এবি এম সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা আমির হোসাইন, জামাত নেতা শফিকুল ইসলামসহ নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শরীয়তপুরের জাজিরায় নুসার উদ্যোগে জেন্ডার–বান্ধব স্যানিটেশনে শিক্ষার্থী ব্রিগেড সক্রিয়করণ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় নুসার উদ্যোগে জেন্ডার–বান্ধব স্যানিটেশনে শিক্ষার্থী ব্রিগেড সক্রিয়করণ

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    সচেতনতা, নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণে এগিয়ে আসছে শিক্ষার্থীরা শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নুসা (NUSA) এর উদ্যোগে জেন্ডার–বান্ধব স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থী ব্রিগেড সক্রিয় করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) – সকাল ১১ ঘটিকায় জাজিরা উপজেলার মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে নুসা কতৃর্ক আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই ব্রিগেডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, জাজিরা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাহালম।
    উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রজেক্ট ম্যানেজার সাজিয়া মৃধা এবং
    ( নুসা) কর্মকর্তা বারেক আলী, এফ এফ এ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাজিরা উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ আলম, শিক্ষা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাহালম,প্রজেক্ট ম্যানেজার সাজিয়া মৃধা, মনিটরিং অফিসার আবদুল্লাহ আল ওয়াসী, জেন্ডার এন্ড নেটওয়ার্কিং অফিসার আলামিন হোসেন জয়, ফাইনান্স অফিসার শৈলেন জয়ধর।
    উপজেলা কো-অর্ডিনেটর রাবেয়া খাতুন।আরো উপস্থিত ছিলেন,
    স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও নুসার কর্মকর্তারা।
    নুসার প্রজেক্ট ম্যানেজার সাদিয়া মৃধা জানান, “জেন্ডার–বান্ধব স্যানিটেশন শুধু একটি স্বাস্থ্যবিষয় নয়, এটি নারী ও কিশোরীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার একটি সামাজিক পদক্ষেপ।”

    শিক্ষার্থী ব্রিগেডের সদস্যরা বিদ্যালয় ও কমিউনিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি, মাসিক স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে তথ্য প্রচার, এবং ছেলে–মেয়েদের জন্য নিরাপদ ও সমান স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নুসার এই উদ্যোগ জাজিরাসহ সমগ্র শরীয়তপুর জেলায় জেন্ডার–সমতা ও স্বাস্থ্য–নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

    অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

  • বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসে মাদারীপুরে ফ্রি ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও সচেতনতা র‌্যালি

    বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসে মাদারীপুরে ফ্রি ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও সচেতনতা র‌্যালি

    হাকীম গোলাম আজম ইরাদ।

    বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে মাদারীপুর বন্ধন পরিবার ও শতায়ু ব্যায়াম সংঘের যৌথ উদ্যোগে আজ শকুনি লেকের মুক্তমঞ্চে আয়োজন করা হয় বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা। সকালে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে শতাধিক মানুষ ফ্রি ডায়াবেটিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

    ডা. মশিউর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরীক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পরে একটি র‌্যালি শকুনি লেকসংলগ্ন বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিসি ব্রিজ হয়ে মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়।

    র‌্যালিতে অংশ নেন মাদারীপুরের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. একরাম হোসাইন, ডা. মশিউর রহমান, শতায়ু ব্যায়াম সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ওস্তাদ হিসেবে পরিচিত কামাল হোসেন, মাদারীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক জামান মিয়া, স্লোগান মাস্টার লিটন হোসাইন, আনিসুর রহমান, আসাদুজ্জামান খন্দকার, খোকন শরীফ, আইবিডব্লিউএফ মাদারীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম আজম ইরাদসহ জেলার বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ।

    কর্মসূচি শেষে এক প্রাণবন্ত পরিবেশে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

    আয়োজনকারীরা বলেন, কর্মস্থল ও পরিবারে ডায়াবেটিস বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলেই এই নীরব ঘাতককে মোকাবিলা করা সম্ভব। ভবিষ্যতেও এমন জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা।

  • জাজিরায় নারী গোষ্ঠী ও নেটওয়ার্ককে নুসা’র পুরস্কার প্রদান

    জাজিরায় নারী গোষ্ঠী ও নেটওয়ার্ককে নুসা’র পুরস্কার প্রদান

    শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুরের জাজিরায় নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় নারী গোষ্ঠী ও নেটওয়ার্কগুলিকে পুরস্কৃত করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নুসা (NUSA)।
    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) – জাজিরা উপজেলা পরিষদ মডেল মসজিদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    প্রজেক্ট ম্যানেজার সাদিয়া মৃধার সভাপতিত্বে এবং নরিয়া উন্নয়ন সমিতি( নুসা) কর্মকর্তা বারেক আলী, এফ এফ এ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাজিরা উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ আলম, শিক্ষা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাহালম,প্রজেক্ট ম্যানেজার সাজিয়া মৃধা, মনিটরিং অফিসার আবদুল্লাহ আল ওয়াসী, জেন্ডার এন্ড নেটওয়ার্কিং অফিসার আলামিন হোসেন জয়, ফাইনান্স অফিসার শৈলেন জয়ধর।
    উপজেলা কো-অর্ডিনেটর রাবেয়া খাতুন।আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার তিনটি সংস্থার নারী সদস্যবৃন্দ।

    নুসার প্রোজেক্ট ম্যানেজার সাদিয়া মৃধা জানায়, নারী নেতৃত্ব বিকাশ, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ, সঞ্চয় ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তোলায় অবদান রাখায় মোট ৩ টি নারী গোষ্ঠী নেটওয়ার্ককে এই পুরস্কার এবং সনদ প্রদান করা হয়েছে। জেন্ডার সমতা, নারীর ক্ষমতায়ন ও সমাজ উন্নয়নে স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা প্রধান করেন। ১)লাউখোলা নারী উন্নয়ন দল,মূলনা ইউনিয়ন ২)নূর নাহার নারী উন্নয়ন দল,জাজিরা ইউনিয়ন,৩)আলোকিত নারী সংঘ,নাওডোবা ইউনিয়ন। সহযোগিতায় ছিল,ভিরেজ এন্ডুকেশন রির্সোট সেন্টার (VERC)ও ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্যা রুরার পুর (DORP)

    উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “নারীরা এখন শুধুমাত্র ঘরে নয়, সমাজ ও অর্থনীতির অগ্রযাত্রায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নুসা’র এই উদ্যোগ অন্যান্য সংস্থার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

    নুসা’র প্রোজেক্ট ম্যানেজার সাদিয়া মৃধা আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো নারীদের সংগঠিত করা, তাদের নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা করা এবং একটি টেকসই সমাজ গড়ে তোলা।”

    অনুষ্ঠান শেষে পুরস্কৃত নারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা ও সফলতার গল্প শেয়ার করেন।
    উক্ত অনুষ্ঠান শেষে প্রজেক্ট ম্যানেজার সাদিয়া মৃধা তিনটি নারী সংঘের হাতে সনদএবং সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রধান করেন।