বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
সেতু নির্মাণের ফাইল বন্দি,রাইখালীতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করল বাঁশের ঝুলন্ত সেতু  কেরানীগঞ্জের আলোচিত তারানগর-শাক্তা গরুর হাট পরিদর্শনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রবাসী অটো রিক্সা চালক মাসুম নিহত আখাউড়ায় ৪ কেজি গাঁজা সহ মাদক চোরাকাবারী আলমাস গ্রেফতার লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৭ ক্রীড়াবিদ পেলেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দক্ষিণবঙ্গের কৃতি সন্তান রবিউল খান হিল্লোল ঢাকা মহানগর উত্তর জুলাই যোদ্ধা কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত শিশু ইয়ামিন দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন খুকনী ইউনিয়নে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ সম্পন্ন কাপ্তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে দশজন অসহায় ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা যাকাত প্রদান  কাপ্তাই  উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ 

সেতু নির্মাণের ফাইল বন্দি,রাইখালীতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করল বাঁশের ঝুলন্ত সেতু 

  • আপডেট এর সময় বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬
  • ২৯ বার পঠিত হয়েছে

কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২নম্বর  রাইখালী ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ডের নারানগিরি ভাঙা সেতুটি পাহাড়ি – বাঙালি মিলে বাঁশের ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করল।

উক্ত  পাড়ায় ১৫০টি পরিবার বসবাস করে । পাড়ায় যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন  ছিল নারানগিরি খালের উপর একটি জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো।

এ সাঁকো ব্যবহার করে এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা,মন্দির, প্যাগোডায় যায়। বিভিন্ন পেশাজীবিরা তাদের কর্মস্থলে যায়। সাপ্তাহিক রাইখালী বাজারে যেতে এই সাঁকোটি ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া অসুস্থ, মুমূর্ষু রোগী ও গর্ববতী মা বোনেরা ডাক্তারের কাছে ও হাসপাতালে যাতায়াত করতে এই সাঁকোটি ব্যবহার করেন। বর্ষা মৌসুম যখন আসে প্রতিবছর উজান হতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এই সাঁকোটি কর্ণফুলি নদীতে তলিয়ে যায়।

বছরের পর বছর সরকারের কাছে আবেদন করেও এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় এলাকাবাসী হতাশ প্রকাশ করেছে। অবশেষে উপায়ান্ত না দেখে এলাকাবাসী বিগত ১৫ দিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি করলেন একটি বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে অস্থায়ী ঝুলন্ত সেতু। যা গত মঙ্গলবার (২৬ মে) সমাপ্ত হয়।

এলাকার শিক্ষক  মো : রাশেদ বসবাসকারী  ,মো : মানিক মো: লোকমান , পুলু মারমা এবং এলাকার  কারবারি সুইথি মং মারমার জানান,  আমাদের পাড়াবাসীর দু:খ এই সাঁকোটি।  জরাজীর্ণ সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা চলাচল করে আসছি বছরের পর বছর। বিশেষ করে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যখন এই সাঁকো পার করে স্কুলে যায়, তখন অজানা আশংকা ভর করে, কখন জানি তাঁরা খালে পড়ে যায়। এছাড়া অসুস্থ, মুমূর্ষু রোগী ও গর্ববতী মা বোনেরা ডাক্তারের কাছে ও হাসপাতালে যাতায়াত করতে এই সাঁকোটি ব্যবহার করেন।

এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে চলালচ করার সময় অনেক  স্কুলগামী  কোমলমতি শিক্ষার্থী,বয়োবৃদ্ধ সাঁকোর নিচে পরে হতাহত হয়েছে বলে এলাকার লোকজন অভিযোগ করেন। আরও জানান যখন বর্ষাকাল আসে তখন খালের স্রোতে সাঁকোটি ভেসে যায়।

বিগত সরকারের নিকট একাধিকবার বলার পরও, দিব দিচ্ছি বলে সেতুটি নির্মাণ না করায় এলাকার  পাড়াবাসী বিগত ১৫ দিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমে নিজেদের আর্থিক সহযোগিতায় মঙ্গলবার এই অস্থায়ি ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করে। সরকারের কাছে আমাদের একটা দাবি এই খালের উপর একটি স্থায়ী সেতু হউক। তাহলে আমাদের দু:খ লাগব হবে।

২ নম্বর  রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মংক্য মারমা জানান , সাঁকোটি জরাজীর্ণ হওয়ায় এলাকাবাসীর আর্থিক  সহযোগিতায় স্বেচ্ছাশ্রমে একটি ঝুলন্ত  বাঁশের সেতু  নির্মাণ করেন। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ হতে একাধিকবার এই খালের উপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমিও চাই এখানে একটি স্থায়ী সেতু হউক।

কাপ্তাই উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরে এই খালের উপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাবটি পাস হয়ে আছে,  অচিরেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার আমরা যাবো। আশা করছি পরবর্তী অর্থ বছরের শুরুতেই এর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারবো।

সংবাদটি আপনার স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ