বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
বাজারে ঘোরাফেরা করায় ৬ শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর স্বাধীনতার ৫৫বছরেরও বিদ্যুৎতের আলো দেখেনি কাপ্তাইয়ের দূর্গম এলাকার তিনটি ওয়ার্ডের ৫৬০পরিবার কাউখালীতে ভাত খাওয়া নিয়ে কলহে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু কাপ্তাই ১১আর ই ব্যাটালিয়ন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ  কাউখালীতে নাগরিক উদ্যোগ এর বার্ষিক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় বিএমএসএফকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে কাপ্তাই প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি কবির হোসেন , সম্পাদক ঝুলন দত্ত  কাপ্তাইয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালিত সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবি কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

বাজারে ঘোরাফেরা করায় ৬ শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর

  • আপডেট এর সময় বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত হয়েছে

কাউখালী(পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

ক্লাস চলাকালীন বিদ্যালয়ের বাইরে অবস্থান ও ঘোরাফেরা করায় পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ছয় শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার(১৯ আগস্ট) বিদ্যালয়সংলগ্ন কেউন্দিয়া বাজারে তাদের অবস্থান করতে দেখা যায়।
বিদ্যালয়ের এক শুভাকাঙ্ক্ষী ও দায়িত্বশীল অভিভাবক মো. রুবেল হোসেনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগী করা এবং বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতির বিষয়ে সচেতন করার উদ্যোগ হিসেবে তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মো. রুবেল হোসেনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

এ বিষয়ে কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক চন্দ্র হালদার বলেন, “ক্লাস চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ের বাইরে বাজারে ঘোরাফেরা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে পাঠদান গ্রহণ করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব। অভিভাবকদেরও সন্তানের বিদ্যালয়ে যাওয়া ও ক্লাসে উপস্থিতির বিষয়টি নিয়মিত খোঁজ নিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অকারণে ক্লাস ফাঁকি দেওয়া, বিদ্যালয়ের বাইরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা কিংবা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। মাদক,ইভটিজিং,কিশোর গ্যাং, মারামারি,চুরি, অনলাইনভিত্তিক অপরাধসহ যেকোনো অপরাধ থেকে তাদের দূরে থাকতে হবে। এসব বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই বয়স ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই আইন মেনে চলা, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার চর্চা করতে হবে।”
প্রধান শিক্ষক বলেন, “শিক্ষার্থীদের শাসন করার উদ্দেশ্য শাস্তি দেওয়া নয়,বরং তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা। কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দিলে বা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। অভিভাবক,শিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে শিক্ষার্থীদের বিপথে যাওয়া রোধ করা সম্ভব।”
তিনি ছয় শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের আগামী ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় খোলার সময় প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এদিকে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,ম্যানেজিং কমিটি,অভিভাবক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মো. রুবেল হোসেনকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলেন,শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এমন সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

সংবাদটি আপনার স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ