Author: adminb

  • অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

    অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার  ৫নম্বর  ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড উত্তর দেবতাছড়ি  বাসিন্দা ইতিস তনচংগ্যা অর্থ সংকটে  মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    পরিবারের প্রধান  ইতিস তনচংগ্যার জানান,বাবা অনিল তনচংগ্যা(৬৫), দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত। তিনি চট্টগ্রামের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. ফাহামিদা আলমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে পরিবারটি তাদের সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে চিকিৎসার ব্যয় বহন করেছে। বর্তমানে তাদের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত করুণ হয়ে পড়েছে।

    এরই মধ্যে নতুন করে বিপদ নেমে আসে পরিবারটিতে। ইতিস তনচংগ্যার স্ত্রী সান্তনা(৪৩) তনচংগ্যা হঠাৎ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। ফলে একই পরিবারের দুইজন গুরুতর অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা, ওষুধ ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন ইতিস তনচংগ্যা।  বাংলাদেশ তনচংগ্যা কল্যান সংস্হা  কাপ্তাই অঞ্চল  সভাপতি  অজিত কুমার তনচংগ্যা অসহায় পরিবারটির খোঁজখবর নিতে তাদের বাড়িতে যান। তিনি পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, এনজিও, মানবাধিকার সংস্থা ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানান।

    ৫নম্বর  ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চিরনজীত  তনচংগ্যাও পরিবারটির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি দেশবাসী, বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনসহ সকলের প্রতি ইতিস তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

    (ইতিস তনচংগ্যা যোগাযোগ মোবাইল নাম্বার  01883416662 )

  • কাউখালীতে পেশাদার ডাকাত আটক

    কাউখালীতে পেশাদার ডাকাত আটক

    বিশেষ প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলায় চঞ্চল্যকর  ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি পেশাদার ডাকাত মোঃ আল আমিন ওরফে ইমরান (৪০), পিতা-জাকির আকন, সাং-জোলাগাতি, থানা-কাউখালী, জেলা-পিরোজপুরকে গত ১৭ মে  বিকাল আনুমানিক ৫.৩০ ঘটিকার সময় শিয়ালকাঠি এলাকা থেকে র‍্যাব-৮ এর সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য গত ১৭মে  রবিবার  রাত আনুমানিক ২.৪৫ ঘটিকা হতে ভোর রাত আনুমানিক ০৪.১৫ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময়ে কাউখালী থানার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা মোঃ গোলাম মোস্তফার দোতলা বিল্ডিং এর দোতলায় ভাড়াটিয়ার ফ্ল্যাটে ও বাড়ীওয়ালার নিজ বসবাসরত নিচতলার ফ্ল্যাটে সশস্ত্র ডাকাতদল সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, ২০ ভরির অধিক স্বর্নালঙ্কার, ডায়মন্ডের অলঙ্কার ও ইউএস ডলার, যার সর্বমোট আনুমানিক ৬০,৯৫,৮৫০/- টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল।

    উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে বাগেরহাটের শরণখোলা, মংলা ও ফকিরহাট এবং পিরোজপুর জেলার কাউখালী ও ভান্ডারিয়া থানায় ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সর্বমোট ০৬ টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

    উক্ত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে থানা সূত্রে  জানাযায়।

  • রক্তমাখা চিঠিতে আতঙ্ক: শাহজাদপুরে পুলিশের পাহারায় রাত কাটাল গ্রামবাসী

    রক্তমাখা চিঠিতে আতঙ্ক: শাহজাদপুরে পুলিশের পাহারায় রাত কাটাল গ্রামবাসী

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের টেকুয়াপাড়া গ্রামে ‘রঘু ডাকাত’ এর নামে রক্তমাখা হুমকিচিঠি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিক ডাকাতি ও চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগের পর অন্তত ১৫টি বাড়িতে এসব চিঠি পৌঁছায়। এরপর থেকেই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। অবশেষে পুলিশের কড়া পাহারায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে এলাকাবাসীর মাঝে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে গভীর রাতে চেতনানাশক স্প্রে করে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্বৃত্তরা নিজেদের “রঘু ডাকাত” পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে রক্তমাখা চিঠি পাঠায়। চিঠিতে লেখা ছিল, কালকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসবো। তাই দরজা খোলা রাখবেন। দরজা বন্ধ রাখলে জিন্দা খালাস…।
    – ইতি, রঘু ডাকাত।

    এমন ভয়াবহ হুমকির পর পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদ সামনে থাকায় গরুর খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। রাত জেগে পাহারা দিতে শুরু করেন গ্রামের মানুষ।

    ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। শনিবার গভীর রাতে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তার আশ্বাস দেন এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ দেন।

    পুলিশ সুপার জানান, কোনো ডাকাত বা দুর্বৃত্তকে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালাতে দেওয়া হবে না। পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাফিজুর রহমান এবং শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম।

    পুলিশি টহল ও পাহারা জোরদার হওয়ায় শনিবার রাতে কিছুটা স্বস্তিতে ঘুমাতে পারেন আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা।

  • চন্দ্রঘোনা থানা  তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত  আসামীকে চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার 

    চন্দ্রঘোনা থানা  তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত  আসামীকে চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ অভিযানে চালিয়ে তিন বছরের  সাজাপ্রাপ্তকে আলুমং মারমাকে  গ্রেপ্তার করেছে।

    শনিবার রাতে চন্দ্রঘোনা থানার এস আই মোজাম্মেল ও এস আই টিটু দাশ চট্টগ্রাম এর চাঁন্দ্রগাও থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় ।উক্ত আসামি  কাপ্তাই উপজেলার ২নম্বর  রাইখালী ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের ক্রোসে মারমার ছেলে।

    চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  এস এম সাকের(ওসি) জানান, রবিবার আসামিকে রাঙ্গামাটি আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদের আলোচনায় সাবেক ছাত্রনেতা মাজেদুল

    নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদের আলোচনায় সাবেক ছাত্রনেতা মাজেদুল

    পিরোজপুর প্রতিনিধি।

    পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদে আলোচনায় আছেন,সাবেক ছাত্রনেতা মাজেদুল কবীর রাসেল।

    দলীয় সুত্রে জানা যায়, দলের দুর্দিনে কেন্দ্র ঘোষিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের প্রতিটি কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেছে সাবেক এই ছাত্রনেতা। প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন জেলা যুবদলের এই নেতা।

    সম্প্রতি, যুবদলের নতুন ইউনিট কমিটি গঠনের আলোচনা শুরু হলেই, উপজেলা সদরসহ ৯টি ইউনিয়নের যুবদল নেতাকর্মীরা মাজেদুল কবীর রাসেলকে উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদে দেখতে চাই বলে গত কয়েকদিন দরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছেন।

    জানা যায়,এই যুবনেতা স্কুল জীবনে ছাত্রদলের রাজনীতির হাতেখডির মাধ্যমে পথচলা শুরু করেন। নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এই ত্যাগী ছাত্রনেতা। এছাড়া নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য, জেলা যুবদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সকল দায়িত্ব পালনকালে একাধিক হামলা ও মামলার স্বীকার হয়েও প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে বলিস্ট নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ত্যাগী নেতা।

    তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মীরা জানান, মাজেদুল কবীর রাসেলের সততা-নৈতিকতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাহসিকতার জন্য যুবদলের শীর্ষ পদের দাবীদার হয়ে উঠেছেন। দলের দুর্দিনে মাজেদুল কবীর রাসেল নেতাকর্মী পাশে থেকে হামলা মামলাও একাধিকবার দীর্ঘসময়
    কারাবরন করে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। নাজিরপুর উপজেলা যুবদল সুসংগঠিত করতে ত্যাগী এই নেতাকে উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদের বিকল্প নেই। তারা আরোও জানান, গত ১৫ বছরে একাধিকবার আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরতর আহত হয়ে দীর্ঘ দিন হাসপাতাল বেডে মৃত্যুর সাথে পান্জা লডেছেন। এত হামলা, মিথ্যা মামলা ও কারাবরনের পরেও মাজেদুল কবীর রাসেল দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি নেতাকর্মীদের সংগঠিত রেখে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। উপজেলা ছাত্রদলের দায়িত্ব পালন কালে দল সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

    নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদের দাবিদার মাজেদুল কবীর রাসেল জানান, “জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সততা ও দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে স্কুল জীবন থেকে ছাত্রদলের রাজনীতি মাধ্যমে বিএনপিতে পথ চলা।
    গত ১৫ বছর আওয়ামী সরকারের রক্তচুক্ষ উপেক্ষা করে হামলা মামলার স্বীকার হয়ে একাধিক বার কারাবরণ করেও প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেছি। আশা করি দল আমার ত্যাগ স্বীকারকে যথার্থ মুল্যায়ন করে উপজেলা যুবদলের দায়িত্ব দেয় তাহলে দলকে সুংগঠিত করবো।

  • কাপ্তাই কর্ণফুলী নদীতে দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে নাতির মৃত্যু 

    কাপ্তাই কর্ণফুলী নদীতে দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে নাতির মৃত্যু 

    কাপ্তই প্রতিনিধি। 

    দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে কর্ণফুলী নদীতে ডুবে নাতিনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ।

    শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে কাপ্তাই উপজেলা ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড শিলছড়ি ভেলুয়াপাড়ায়  বসবাসরত মোঃ মুছার মেয়ে মুস্কান(৬) দাদা মোঃ ইউসুফের সাথে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানি ডুবে মারা যায়।

    দাদা ইউসুফ প্রথমে ধারনা করেছে নাতনি গোসল করে বাসায় চলে গেছে।বাসায় এসে খোঁজ নিয়ে দেখে নাতিন বাসায় আসেনি। পরে দৌড়ে নদীতে গিয়ে  খোঁজ খুঁজির  এক পর্যায়ে নদীতে মৃত্যু দেহ পায়।পরে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

    কাপ্তাই ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ৯নং ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেন ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং বলেন হঠাৎ করে দাদার অজান্তেই পানিতে ডুবে শিশু মুস্কান মারা যায়।

  • কাউখালীতে বিশেষ অভিযানে গাঁজা উদ্ধার গ্রেপ্তার ২

    কাউখালীতে বিশেষ অভিযানে গাঁজা উদ্ধার গ্রেপ্তার ২

    বিশেষ প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের  কাউখালী থানা বিশেষ অভিযানে গাঁজা উদ্ধার সহ ১ জন এবং পৃথক অভিযানে আরো ১ জন পেশাদার চোর সহ মোট ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

    থানা সূত্রে জানাযায়, চলমান বিশেষ অভিযানে ১৫ মে রাত ০৯.১০ ঘটিকার সময় কাউখালী উপজেলার পারসাতুরিয়া সাকিনস্থ মিয়া বাড়ী ঈদগাহ ময়দানের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে এসআই মোঃ রহমত উল্লাহ এর নেতৃত্বে ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার সহ আসামী ১। রাকিব তালুকদার (২৩), পিতা-জাকির তালুকদার, সাং-শঙ্করপুর, থানা-কাউখালী, জেলা-পিরোজপুরকে গ্রেফতার করা হয়।

    এদিকে পিএসআই মেহেদী হাসান পৃথক অভিযানকালে আজ ১৬ মে সকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় স্থানীয় জনগনের সহায়তায় বেকুটিয়া মতুয়া আশ্রমের জেনারেটর চুরির ঘটনায় জড়িত মর্মে তদন্তে প্রাপ্ত পেশাদার চোর ২। আসাদুল সরদার (৪৩), পিতা-মৃত কালু সরদার, সাং-পারসাতুরিয়া, থানা-কাউখালী, জেলা-পিরোজপুরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    তাদের অদ্য বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য চোরের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ০১ টি চুরি মামলা রয়েছে।

  • শাহজাদপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা, মরদেহ উদ্ধার

    শাহজাদপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা, মরদেহ উদ্ধার

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা এলাকায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে হাসমত ফকির (৪০) নামের এক ব্যক্তি।

    শুক্রবার সকালে শাহজাদপুর থানা পুলিশ নরিনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কম্পাউন্ডে একটি আমগাছ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

    নিহত হাসমত ফকির নরিনা মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত সফিজ ফকিরের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কম্পাউন্ডের একটি আমগাছের সঙ্গে গলায় দড়ি পেঁচানো অবস্থায় হাসমতের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।

    খবর পেয়ে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান এবং শাহজাদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নাজমুল কাদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    এ বিষয়ে ইন্সপেক্টর নাজমুল কাদের জানান, প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

    মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

    স্টাফ রিপোর্টার, শাফায়েত হোসেন।

    মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।

    আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা ও ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির এম এস আহমাদ আলী, ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির মোঃ মান্নান, ৩৩ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আহিদ, ১০০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজগর, সাধারণ সম্পাদক জামাল, বিএনপি নেতা নান্নু, বাদল, দিদার আলম, যুবদল নেতা ইয়াসিন, চন্দ্রিমা ইউনিটের সভাপতি আক্তার হোসেনসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং এলাকার সকল শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির দাবি জানান।
    শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা, স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা। তারা আশা প্রকাশ করেন, মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যান এলাকায় শিক্ষার মানোন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
    অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা ও ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির এম এস আহমাদ আলী, ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির মোঃ মান্নান, ৩৩ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আহিদ, ১০০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজগর, সাধারণ সম্পাদক জামাল, বিএনপি নেতা নান্নু, বাদল, দিদার আলম, যুবদল নেতা ইয়াসিন, চন্দ্রিমা ইউনিটের সভাপতি আক্তার হোসেনসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং এলাকার সকল শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির দাবি জানান।
    শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা, স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা। তারা আশা প্রকাশ করেন, মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যান এলাকায় শিক্ষার মানোন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • শাহজাদপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

    শাহজাদপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বৃ-আঙ্গারু গ্রামে গৃহবধূ তাসলিমা খাতুন (২২) এর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, শাশুড়ির পরকীয়ার বিষয়টি প্রকাশ করে দেওয়ায় তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা হিসেবে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

    বুধবার সকালে খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাসলিমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাশুড়িসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    নিহত তাসলিমা বৃ-আঙ্গারু গ্রামের উজ্জ্বল হোসেনের স্ত্রী এবং একই গ্রামের তাহের মণ্ডলের মেয়ে। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় আট বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাসলিমা ও উজ্জ্বলের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।

    পরিবারের অভিযোগ, সম্প্রতি তাসলিমা তার শাশুড়ির পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পারেন এবং তা পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই তার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, নির্যাতনের একপর্যায়ে মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে তাকে হত্যা করে ঘরের ভেতর ঝুলিয়ে রাখা হয়, যাতে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হয়।

    এ বিষয়ে নিহতের বাবা তাহের মণ্ডল বলেন, আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

    এদিকে শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের জানান, মরদেহের গলায় থাকা দাগ দেখে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে না। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।