শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কাপ্তাইয়ে নবজাতকের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন ৪ লাখ টাকা কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি জয়নাল, সম্পাদক করিম  কাপ্তাই রাইখালী সেনাক্যাম্প কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে টিন ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কাপ্তাইয়ে ৬১০ জন কৃষকদের মাঝে চারা সার ও  বীজ বিতরণ কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) দূর্যোগ কবলিত এলাকায় মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন পরিচালিত  কাপ্তাইয়ে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের  ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে সেনাবাহিনী  কাপ্তাই শিলছড়ি খেলতে গিয়ে সেফটি ট্যাংকিতে পরে শিশু নিহত আশ্রয় কেন্দ্র এবং দূর্যোগকবলিত  মানুষের পাশে   কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর ত্রান বিতরণ  কাপ্তাই জোন কমান্ডার কর্তৃক বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কাপ্তাই আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যা দূর্গতের ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ করছে সেনাবাহিনী

কাপ্তাইয়ে নবজাতকের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন ৪ লাখ টাকা

  • আপডেট এর সময় শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫ বার পঠিত হয়েছে

কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

যে বয়সে একটি নবজাতক মায়ের বুকের উষ্ণতায় নিরাপদে বেড়ে ওঠার কথা, সেই বয়সেই মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে মাত্র এক সপ্তাহের এক শিশু। জন্মের পরপরই ধরা পড়ে তার হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্র এবং প্রধান রক্তনালিতে জটিল ত্রুটি। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা করানো না গেলে শিশুটির জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। কিন্তু চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় চার লাখ টাকা, যা দিনমজুর বাবার পক্ষে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।

শিশুটির বাবা আনোয়ার হোসেন পেশায় একজন দিনমজুর। মা লাকী আক্তার। রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই ৪নম্বর  ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মুরগির টিলা এলাকায় বসবাসকারী এই দম্পতির সামান্য আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। নবজাতকের জটিল রোগ ধরা পড়ার পর থেকে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিজারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পরপরই শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে চট্টগ্রামের খ্রিস্টিয়ান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে আগ্রাবাদের চট্টগ্রাম মা, শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. তাসলিমা বেগম (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমপিএইচ) শিশুটির বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানান, তার হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্র এবং প্রধান রক্তনালিতে জটিল সমস্যা রয়েছে। উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের জন্য দ্রুত ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা জরুরি। এ জন্য চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও আনুষঙ্গিক ব্যয় মিলিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা প্রয়োজন হবে।

আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি দিনমজুর মানুষ। প্রতিদিন কাজ করলে পরিবারের খাবার জোটে, কাজ না থাকলে সংসার চলে না। সন্তানের চিকিৎসার জন্য এত টাকা জোগাড় করার কোনো সামর্থ্য আমার নেই। আমার সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করছি।”

স্বজনদের ভাষ্য, সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে শিশুটির সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু অর্থাভাবে চিকিৎসা বিলম্বিত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যেতে পারে। তাই মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য সমাজের সবার প্রতি আবেদন জানিয়েছেন তারা। আনোয়ার হোসেন  যোগাযোগ ও সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম (বিকাশ): ০১৬৩২-১৬১৪৬৩

সংবাদটি আপনার স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ